ব্রিটিশ পার্লামেন্টে কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা
jugantor
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:২৮:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে কাশ্মীর পরিস্থিতি এবং গুজরাত দাঙ্গার প্রসঙ্গ উঠল। এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত।

শুক্রবার হাউস অব কমন্সে পার্লামেন্টের নির্বাচিত কিছু সদস্য কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় নিয়ে সরব হন। এদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত লেবার পার্টির এমপি নাজ শাহ। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

বিষয়টি মোটেও ভাল চোখে দেখছে না নয়াদিল্লি। লন্ডনে ভারতীয় হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা বলেছেন, এভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ গণতান্ত্রিক এক দেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সমালোচনা খুবই দুঃখজনক ঘটনা।

সেইসঙ্গে তিনি বলেন, কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অন্য কোনও দেশের পার্লামেন্টের নির্বাচিত সদস্যেরা সেখানকার বিষয় নিয়ে আলোচনা করলে তাদের আগে থেকে সব তথ্য যাচাই করে কথা বলা উচিত।

হাউস অব কমন্সে গত বছর মার্চে এই বিতর্ক সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতিতে তা পিছিয়ে যায়। তার আগে, গত বছর ফেব্রুয়ারিতে পাক অধিকৃত কাশ্মীর সফরে গিয়েছিলেন লেবার পার্টির আর এক এমপি ডেবি আব্রাহামস।

তিনি বলেনে, মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত সব বিষয়ে প্রশ্নের অনুমতি দিয়েছিল পাকিস্তান সরকার। আমার মতে, ত্রিপাক্ষিক আলোচনার কেন্দ্রে রাখা উচিত কাশ্মীরকে। কোনও নির্দিষ্ট দেশের পক্ষে বা বিপক্ষে কথা বলার জন্য এই বিতর্কসভার আয়োজন হয়নি। মানবাধিকারের পক্ষে সওয়ালের জন্য এটা করা হয়েছে।

তবে কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মেনে নিয়েছেন ব্রিটেনের ‘ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস’-এর এশিয়া সংক্রান্ত মন্ত্রী আমান্ডা মিলিং।

বিতর্ক সভা নিয়ে তিনি বলেন, ব্রিটিশ সরকার এখনও কাশ্মীরকে দ্বিপাক্ষিক বিষয় বলেই মনে করে। কাশ্মীর প্রসঙ্গকে গুরুত্ব দিয়ে দেখে। কিন্তু ভারত আর পাকিস্তানকেই আলোচনার মাধ্যমে এর রাজনৈতিক সমাধান খুঁজতে হবে।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:২৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে কাশ্মীর পরিস্থিতি এবং গুজরাত দাঙ্গার প্রসঙ্গ উঠল। এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত।

শুক্রবার হাউস অব কমন্সে পার্লামেন্টের নির্বাচিত কিছু সদস্য কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় নিয়ে সরব হন। এদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত লেবার পার্টির এমপি নাজ শাহ। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

বিষয়টি মোটেও ভাল চোখে দেখছে না নয়াদিল্লি। লন্ডনে ভারতীয় হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা বলেছেন, এভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ গণতান্ত্রিক এক দেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সমালোচনা খুবই দুঃখজনক ঘটনা।

সেইসঙ্গে তিনি বলেন, কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অন্য কোনও দেশের পার্লামেন্টের নির্বাচিত সদস্যেরা সেখানকার বিষয় নিয়ে আলোচনা করলে তাদের আগে থেকে সব তথ্য যাচাই করে কথা বলা উচিত।

হাউস অব কমন্সে গত বছর মার্চে এই বিতর্ক সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতিতে তা পিছিয়ে যায়। তার আগে, গত বছর ফেব্রুয়ারিতে পাক অধিকৃত কাশ্মীর সফরে গিয়েছিলেন লেবার পার্টির আর এক এমপি ডেবি আব্রাহামস।

তিনি বলেনে, মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত সব বিষয়ে প্রশ্নের অনুমতি দিয়েছিল পাকিস্তান সরকার। আমার মতে, ত্রিপাক্ষিক আলোচনার কেন্দ্রে রাখা উচিত কাশ্মীরকে। কোনও নির্দিষ্ট দেশের পক্ষে বা বিপক্ষে কথা বলার জন্য এই বিতর্কসভার আয়োজন হয়নি। মানবাধিকারের পক্ষে সওয়ালের জন্য এটা করা হয়েছে।

তবে কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মেনে নিয়েছেন ব্রিটেনের ‘ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস’-এর এশিয়া সংক্রান্ত মন্ত্রী আমান্ডা মিলিং।

বিতর্ক সভা নিয়ে তিনি বলেন, ব্রিটিশ সরকার এখনও কাশ্মীরকে দ্বিপাক্ষিক বিষয় বলেই মনে করে। কাশ্মীর প্রসঙ্গকে গুরুত্ব দিয়ে দেখে। কিন্তু ভারত আর পাকিস্তানকেই আলোচনার মাধ্যমে এর রাজনৈতিক সমাধান খুঁজতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : কাশ্মীর সংকট