নরসুন্দরদের যে নির্দেশ দিল তালেবান
jugantor
নরসুন্দরদের যে নির্দেশ দিল তালেবান

  অনলাইন ডেস্ক  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৫০:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে দাড়ি কামানো অথবা ছাঁটার ব্যাপারে নরসুন্দরদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তালেবান।

গোষ্ঠীটি বলছে, দাড়ি কামানো অথবা ছোট করে রাখা ইসলামি আইনের লঙ্ঘন। খবর বিবিসির।

নরসুন্দরদের দেওয়া আনুষ্ঠানিক নোটিশে বলা হয়েছে— চুল ও দাড়ির ক্ষেত্রে ইসলামি আইন অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে কঠোর সাজা ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

কাবুলের বেশ কয়েকজন নরসুন্দরও জানিয়েছেন, তারাও একই ধরনের আদেশ পেয়েছেন।

কাবুলের একজন নরসুন্দর জানিয়েছেন, তালেবান যোদ্ধারা প্রতিনিয়ত তাদের কাছে আসছেন এবং শাসিয়ে যাচ্ছেন যে, যারা আদেশ অমান্য করছে, তাদের ধরার জন্য পুলিশ পাঠানো হবে।

কাবুলের সবচেয়ে বড় হেয়ার-ড্রেসিং দোকানের মালিক জানিয়েছেন, তিনি একটি ফোনকল পেয়েছেন। নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিয়ে তাকে একজন হুমকি দিয়েছেন ‘মার্কিন স্টাইল’ অনুসরণ না করার জন্য।

নরসুন্দররা জানিয়েছেন, তালেবানদের এমন আদেশে তারা পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

একজন বলেছেন, আমি ১৫ বছর ধরে এই পেশায় আছি। কিন্তু আমি আর চালিয়ে যেতে পারব বলে মনে হচ্ছে না।

তার সেবাগ্রহীতাদের দাড়ি কামানো বন্ধ করে দিয়েছেন। দাম কমিয়েও খদ্দের আকর্ষণ করা যাচ্ছে না বলে জানাচ্ছেন তিনি।

এমন আদেশ তালেবানের অতীত শাসনামলে ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।

যদিও তারা আগের মতো কঠোর নিয়মকানুন রাখবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ পর্যন্ত সময়কালে তালেবান শাসনামলে জমকালো চুল না রেখে বরং পুরুষদের দাড়ি রাখার ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

নরসুন্দরদের যে নির্দেশ দিল তালেবান

 অনলাইন ডেস্ক 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে দাড়ি কামানো অথবা ছাঁটার ব্যাপারে নরসুন্দরদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তালেবান।

গোষ্ঠীটি বলছে, দাড়ি কামানো অথবা ছোট করে রাখা ইসলামি আইনের লঙ্ঘন। খবর বিবিসির।

নরসুন্দরদের দেওয়া আনুষ্ঠানিক নোটিশে বলা হয়েছে— চুল ও দাড়ির ক্ষেত্রে ইসলামি আইন অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে কঠোর সাজা ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

কাবুলের বেশ কয়েকজন নরসুন্দরও জানিয়েছেন, তারাও একই ধরনের আদেশ পেয়েছেন।

কাবুলের একজন নরসুন্দর জানিয়েছেন, তালেবান যোদ্ধারা প্রতিনিয়ত তাদের কাছে আসছেন এবং শাসিয়ে যাচ্ছেন যে, যারা আদেশ অমান্য করছে, তাদের ধরার জন্য পুলিশ পাঠানো হবে।

কাবুলের সবচেয়ে বড় হেয়ার-ড্রেসিং দোকানের মালিক জানিয়েছেন, তিনি একটি ফোনকল পেয়েছেন। নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিয়ে তাকে একজন হুমকি দিয়েছেন ‘মার্কিন স্টাইল’ অনুসরণ না করার জন্য।

নরসুন্দররা জানিয়েছেন, তালেবানদের এমন আদেশে তারা পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

একজন বলেছেন, আমি ১৫ বছর ধরে এই পেশায় আছি। কিন্তু আমি আর চালিয়ে যেতে পারব বলে মনে হচ্ছে না।

তার সেবাগ্রহীতাদের দাড়ি কামানো বন্ধ করে দিয়েছেন। দাম কমিয়েও খদ্দের আকর্ষণ করা যাচ্ছে না বলে জানাচ্ছেন তিনি।

এমন আদেশ তালেবানের অতীত শাসনামলে ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।

যদিও তারা আগের মতো কঠোর নিয়মকানুন রাখবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ পর্যন্ত সময়কালে তালেবান শাসনামলে জমকালো চুল না রেখে বরং পুরুষদের দাড়ি রাখার ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আফগানিস্তানে তালেবানের পুনরুত্থান