জার্মানিতে মেরকেলের দলের পরাজয়
jugantor
জার্মানিতে মেরকেলের দলের পরাজয়

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:০১:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

জার্মান

জার্মানিতে অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের দলকে অল্প ব্যবধানে হারিয়ে নির্বাচনে জয় লাভ করেছে মধ্য বামপন্থী দল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এসপিডি)।

দীর্ঘদিন ধরে এসপিডি ও সিডিইউ শরীফ হিসেবে ক্ষমতায় থাকলেও এবার তারা জোট বাঁধছে না বলেই জানা গেছে।

এ ব্যাপারে এসপিডি দলের নেতা ওলাফ শলৎজ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তার দল গ্রিনস কিংবা এফডিপির সঙ্গে জোট সরকার গঠনে ইচ্ছুক।

নির্বাচনে এসপিডি পেয়েছে ২৫.৭ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে মেরকেলের ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন অফ জার্মানি (সিডিইউ) ও তার শরীক দল পেয়েছে ২৪.১ শতাংশ ভোট।

নির্বাচনে তৃতীয় অবস্থানে থাকলেও দলগতভাবে ভোটে সবচেয়ে ভাল অবস্থানে রয়েছে গ্রিনস। তারা পেয়েছে ১৪.৮ শতাংশ ভোট যা দলটির ইতিহাসে এ যাবতকালের সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে, ১১.৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে এফডিপি। কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠন করতে হলে একটি জোট করতে হবে।

যদিও ওলাফ শলৎজ অবশ্য বলেছেন, সরকার গঠনে তার দল ভোটে স্পষ্ট রায় পেয়েছে।

সমর্থকরা ব্যাপক উচ্ছ্বাসের সঙ্গে ওলাফ শলৎজকে অভ্যর্থনা জানিয়েছে। পরে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ভোটাররা একটি 'বাস্তবধর্মী সরকার' গঠনে তাকে দায়িত্ব দিয়েছে।

অন্যদিকে অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের দলের সম্ভাব্য উত্তরসূরি আর্মিন ল্যাশেট বলেন, সবচেয়ে বেশি ভোট পেলেই জয়ী হওয়া যাবে না। পুরো বিষয়টা এখন নির্ভর করছে অংকের হিসাবের ওপর।

এদিকে, বুথফেরত বুথফেরত জরিপে দুই দলই সমান ভোট পাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। তবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অপ্রত্যাশিত পূর্বাভাস আসছিল। তাই এই ফলাফলই যে শেষ নয় এমন ইঙ্গিত আগে থেকেই পাওয়া যাচ্ছিল।

তাই এখন একটি জোট সরকার গঠনের চাবিকাঠি রয়েছে গ্রিনস এবং এফডিপি'র হাতে।

নির্বাচনে দুটি দলের কেউই আলাদা করে চমক না দেখালেও তাদের দুই দলের ভোট একসঙ্গে করলে একটি জোট সরকার গঠনে বড় দুই দলের যে কারোর জন্য সেটি চমক হতে পারে।

তবে তাদেরকে এক ছাদের নিচে আনতে পারাই এখন বড় দুটি দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

জোট সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ছোট এই দল দুটিই ৩০ বছর বয়সের নিচে তরুণ জার্মান নাগরিকদের পছন্দ।

সব মিলিয়ে এখন জটিল আকার ধারণ করেছে এই নির্বাচনের ফল।

তবে একটা বিষয় পরিষ্কার যে একটি জোট সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত কোথাও যাচ্ছেন না বিদায়ী চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল।

জার্মানিতে মেরকেলের দলের পরাজয়

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জার্মান
ছবি : সংগৃহীত

জার্মানিতে অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের দলকে অল্প ব্যবধানে হারিয়ে নির্বাচনে জয় লাভ করেছে মধ্য বামপন্থী দল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এসপিডি)।

দীর্ঘদিন ধরে এসপিডি ও সিডিইউ শরীফ হিসেবে ক্ষমতায় থাকলেও এবার তারা জোট বাঁধছে না বলেই জানা গেছে।

এ ব্যাপারে এসপিডি দলের নেতা ওলাফ শলৎজ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তার দল  গ্রিনস কিংবা এফডিপির সঙ্গে জোট সরকার গঠনে ইচ্ছুক। 

নির্বাচনে এসপিডি পেয়েছে ২৫.৭ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে মেরকেলের ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন অফ জার্মানি (সিডিইউ) ও তার শরীক দল পেয়েছে  ২৪.১ শতাংশ ভোট।

নির্বাচনে  তৃতীয় অবস্থানে থাকলেও দলগতভাবে ভোটে সবচেয়ে ভাল অবস্থানে রয়েছে গ্রিনস। তারা পেয়েছে ১৪.৮ শতাংশ ভোট যা দলটির ইতিহাসে এ যাবতকালের সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে, ১১.৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে এফডিপি। কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায়  সরকার গঠন করতে হলে একটি জোট করতে হবে।

যদিও ওলাফ শলৎজ অবশ্য বলেছেন, সরকার গঠনে তার দল ভোটে স্পষ্ট রায় পেয়েছে।

সমর্থকরা ব্যাপক উচ্ছ্বাসের সঙ্গে ওলাফ শলৎজকে অভ্যর্থনা জানিয়েছে। পরে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ভোটাররা একটি 'বাস্তবধর্মী সরকার' গঠনে তাকে দায়িত্ব দিয়েছে।

অন্যদিকে অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের দলের সম্ভাব্য উত্তরসূরি আর্মিন ল্যাশেট বলেন, সবচেয়ে বেশি ভোট পেলেই জয়ী হওয়া যাবে না। পুরো বিষয়টা এখন নির্ভর করছে অংকের হিসাবের ওপর।

এদিকে, বুথফেরত বুথফেরত জরিপে দুই দলই সমান ভোট পাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। তবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অপ্রত্যাশিত পূর্বাভাস আসছিল। তাই এই ফলাফলই যে শেষ নয় এমন ইঙ্গিত আগে থেকেই পাওয়া যাচ্ছিল।

তাই এখন একটি জোট সরকার গঠনের চাবিকাঠি রয়েছে গ্রিনস এবং এফডিপি'র হাতে।

নির্বাচনে দুটি দলের কেউই আলাদা করে চমক না দেখালেও তাদের দুই দলের ভোট একসঙ্গে করলে একটি জোট সরকার গঠনে বড় দুই দলের যে কারোর জন্য সেটি চমক হতে পারে।

তবে তাদেরকে এক ছাদের নিচে আনতে পারাই এখন বড় দুটি দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

জোট সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ছোট এই দল দুটিই ৩০ বছর বয়সের নিচে তরুণ জার্মান নাগরিকদের পছন্দ।

সব মিলিয়ে এখন জটিল আকার ধারণ করেছে এই নির্বাচনের ফল।

তবে একটা বিষয় পরিষ্কার যে একটি জোট সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত কোথাও যাচ্ছেন না বিদায়ী চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন