পর্তুগালের সিটি নির্বাচনে বিজয়ী বাংলাদেশি শাহ আলম কাজল
jugantor
পর্তুগালের সিটি নির্বাচনে বিজয়ী বাংলাদেশি শাহ আলম কাজল

  ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:৩৬:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পর্তুগালে প্রথমবারের মতো যে কোনো নির্বাচনে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শাহ আলম কাজল মিউনিসিপ্যালিটি নির্বাচন-২০২১-এ বন্দরনগরী পোর্তো শহরের ফ্রেগজিয়া বনফিমের অ্যাসেম্বলি প্যানেলে কাউন্সিলর পদে ক্ষমতাসীন সোস্যালিস্ট পার্টির পক্ষে নির্বাচনে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন।

তার বিজয়ের মাধ্যমে পর্তুগালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের শক্ত অবস্থানের একটি ভিত্তি স্থাপিত হলো। তিন দশক ধরে পর্তুগাল বাংলাদেশিদের পদচারণায় মুখরিত হলেও পর্তুগালের জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশিদের তেমন কোনো অর্জন চোখে পড়েনি; তাই তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে উদাহরণ স্থাপনের মতো একটি কীর্তি গড়েন।

বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার পালপাড়া গ্রামে ১৯৭১ সালের ৪ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন শাহ আলম কাজল। পিতা মোহাম্মদ আলী এবং মাতা হালিমা বেগমের তৃতীয় সন্তান তিনি। বর্তমানে দুই কন্যা এবং এক পুত্রসন্তান নিয়ে পর্তুগালে বসবাস করছেন।

আমিশাপাড়া খলিলুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্নাতকে অধ্যায়নরত অবস্থায় স্পেনে পাড়ি জমান তিনি। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে তিনি পর্তুগালে পদার্পণ করেন এবং ২০০৪ সালে তিনি পর্তুগিজ নাগরিকত্ব লাভ করেন। পেশাগত জীবনে পর্তুগালে তিনি ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতির সাথে যুক্ত হন।

শাহ আলম কাজল জানান, তৎকালীন সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুযোগ সুবিধা আদায়ে এবং বাংলাদেশকে এ দেশের মাটিতে তুলে ধরার জন্য তিনি ২০১১ সালে বর্তমান ক্ষমতাসীন সোস্যালিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। স্থানীয় রাজনীতিতে একজন বিদেশি নাগরিকের অংশগ্রহণ অনেক চ্যালেঞ্জিং হলেও তিনি দলের কাছ থেকে সবসময় সহযোগিতা পেয়েছেন এবং সক্রিয় কর্মী হিসেবে তিনি মহানগর কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

অপরদিকে রাজধানীর লিসবনের মিউনিসিপ্যালিটি সিটি নির্বাচনে অ্যাসেম্বলির সদস্য পদে সোশ্যালিস্ট পার্টির পক্ষে প্রবাসী কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব রানা তাসলিম উদ্দিন প্রার্থী হয়েছিলেন কিন্তু দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তিনি বিজয়ী হতে পারেননি।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে শাহ আলম কাজল জানান, বর্তমানে আমি আমার নতুন দায়িত্ব যথাযথ পালনের ওপর বেশি জোর দিয়েছি। আমি যদি তা সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারি তাহলে পরবর্তী নির্বাচনে আমি সংশ্লিষ্ট মিউনিসিপ্যালিটির ভেরিয়াদোর বা কার্যনির্বাহী কমিটিতে প্রার্থিতা উপস্থাপন করব। তিনি স্থানীয় নাগরিকসহ সব প্রবাসীকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সামনের দিনগুলোতে যথাযথ দায়িত্ব পালন করার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

পর্তুগালের সিটি নির্বাচনে বিজয়ী বাংলাদেশি শাহ আলম কাজল

 ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৩৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পর্তুগালে প্রথমবারের মতো যে কোনো নির্বাচনে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শাহ আলম কাজল মিউনিসিপ্যালিটি নির্বাচন-২০২১-এ বন্দরনগরী পোর্তো শহরের ফ্রেগজিয়া বনফিমের অ্যাসেম্বলি প্যানেলে কাউন্সিলর পদে ক্ষমতাসীন সোস্যালিস্ট পার্টির পক্ষে নির্বাচনে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন।

তার বিজয়ের মাধ্যমে পর্তুগালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের শক্ত অবস্থানের একটি ভিত্তি স্থাপিত হলো। তিন দশক ধরে পর্তুগাল বাংলাদেশিদের পদচারণায় মুখরিত হলেও পর্তুগালের জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশিদের তেমন কোনো অর্জন চোখে পড়েনি; তাই তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে উদাহরণ স্থাপনের মতো একটি কীর্তি গড়েন।

বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার পালপাড়া গ্রামে ১৯৭১ সালের ৪ নভেম্বর  জন্মগ্রহণ করেন শাহ আলম কাজল। পিতা মোহাম্মদ আলী এবং মাতা হালিমা বেগমের তৃতীয় সন্তান তিনি। বর্তমানে দুই কন্যা এবং এক পুত্রসন্তান নিয়ে পর্তুগালে বসবাস করছেন।

আমিশাপাড়া খলিলুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্নাতকে অধ্যায়নরত অবস্থায় স্পেনে পাড়ি জমান তিনি। পরবর্তীতে  ১৯৯২ সালে তিনি পর্তুগালে পদার্পণ করেন এবং ২০০৪ সালে তিনি পর্তুগিজ নাগরিকত্ব লাভ করেন। পেশাগত জীবনে পর্তুগালে তিনি ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতির সাথে যুক্ত হন।

শাহ আলম কাজল জানান, তৎকালীন সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুযোগ সুবিধা আদায়ে এবং বাংলাদেশকে এ দেশের মাটিতে তুলে ধরার জন্য তিনি ২০১১ সালে বর্তমান ক্ষমতাসীন সোস্যালিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। স্থানীয় রাজনীতিতে একজন বিদেশি নাগরিকের অংশগ্রহণ অনেক চ্যালেঞ্জিং হলেও তিনি দলের কাছ থেকে সবসময় সহযোগিতা পেয়েছেন এবং সক্রিয় কর্মী হিসেবে তিনি মহানগর কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

অপরদিকে রাজধানীর লিসবনের মিউনিসিপ্যালিটি সিটি নির্বাচনে অ্যাসেম্বলির সদস্য পদে সোশ্যালিস্ট পার্টির পক্ষে প্রবাসী কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব রানা তাসলিম উদ্দিন প্রার্থী হয়েছিলেন কিন্তু দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তিনি বিজয়ী হতে পারেননি।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে শাহ আলম কাজল জানান, বর্তমানে আমি আমার নতুন দায়িত্ব যথাযথ পালনের ওপর বেশি জোর দিয়েছি। আমি যদি তা সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারি তাহলে পরবর্তী নির্বাচনে আমি সংশ্লিষ্ট মিউনিসিপ্যালিটির ভেরিয়াদোর বা কার্যনির্বাহী কমিটিতে প্রার্থিতা উপস্থাপন করব। তিনি স্থানীয় নাগরিকসহ সব প্রবাসীকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সামনের দিনগুলোতে যথাযথ দায়িত্ব পালন করার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন