কঙ্গোতে নৌকাডুবিতে শতাধিক নিহত
jugantor
কঙ্গোতে নৌকাডুবিতে শতাধিক নিহত

  অনলাইন ডেস্ক  

১০ অক্টোবর ২০২১, ১০:১৯:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

আফ্রিকার দেশ কঙ্গোর কঙ্গো নদীতে নৌকাডুবিতে শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় মঙ্গালা প্রদেশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গত মঙ্গলবার মধ্যরাতের এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটলেও মঙ্গালা প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র নেস্তর মাগবাদোর বরাত দিয়ে শনিবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো এ খবর প্রকাশ করেছে। খবর এএফপি ও এনডিটিভির।

মাগবাদো বলেন, ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌযানটি গত মঙ্গলবার মধ্যরাতের দিকে ডুবে যায়। নৌযানটিতে এ সময় ১৫৯ যাত্রী ছিল। তাদের মধ্যে ৩৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

বাকি ১২০ জনের মধ্যে ৬০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং ৬৯ জন এখন পর্যন্ত নিখোঁজ আছেন।

এএফপিকে মাগবাদো বলেন, ‘বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- ডুবে যাওয়া নৌযানটি ছিল কাঠের তৈরি একটি ইঞ্জিনচালিত পুরনো নড়বড়ে ধরনের নৌযান। বৈরী আবহাওয়া এবং ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহনের জন্যই এটি ডুবেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’

আফ্রিকার খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সমৃদ্ধ দেশ কঙ্গোতে নৌদুর্ঘটনা বেশ নিয়মিত একটি ব্যাপার। নৌযানগুলোর অতিরিক্ত যাত্রী বহনের প্রবণতার কারণেই ঘটে বেশিরভাগ দুর্ঘটনা। অধিকাংশ সময় এসব নৌযানের যাত্রীরা লাইফজ্যাকেট পরার ব্যাপারেও উদাসীন থাকেন।

২০২০ থেকে ২০২১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বেশ কয়েকটি নৌদুর্ঘটনা ঘটেছে দেশটিতে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে নৌকাডুবির কারণে সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১০ সালে।

কঙ্গোতে নৌকাডুবিতে শতাধিক নিহত

 অনলাইন ডেস্ক 
১০ অক্টোবর ২০২১, ১০:১৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আফ্রিকার দেশ কঙ্গোর কঙ্গো নদীতে নৌকাডুবিতে শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় মঙ্গালা প্রদেশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গত মঙ্গলবার মধ্যরাতের এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটলেও মঙ্গালা প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র নেস্তর মাগবাদোর বরাত দিয়ে শনিবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো এ খবর প্রকাশ করেছে। খবর এএফপি ও এনডিটিভির।

মাগবাদো বলেন, ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌযানটি গত মঙ্গলবার মধ্যরাতের দিকে ডুবে যায়। নৌযানটিতে এ সময় ১৫৯ যাত্রী ছিল। তাদের মধ্যে ৩৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

বাকি ১২০ জনের মধ্যে ৬০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং ৬৯ জন এখন পর্যন্ত নিখোঁজ আছেন।

এএফপিকে মাগবাদো বলেন, ‘বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- ডুবে যাওয়া নৌযানটি ছিল কাঠের তৈরি একটি ইঞ্জিনচালিত পুরনো নড়বড়ে ধরনের নৌযান। বৈরী আবহাওয়া এবং ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহনের জন্যই এটি ডুবেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’

আফ্রিকার খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সমৃদ্ধ দেশ কঙ্গোতে নৌদুর্ঘটনা বেশ নিয়মিত একটি ব্যাপার। নৌযানগুলোর অতিরিক্ত যাত্রী বহনের প্রবণতার কারণেই ঘটে বেশিরভাগ দুর্ঘটনা। অধিকাংশ সময় এসব নৌযানের যাত্রীরা লাইফজ্যাকেট পরার ব্যাপারেও উদাসীন থাকেন।

২০২০ থেকে ২০২১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বেশ কয়েকটি নৌদুর্ঘটনা ঘটেছে দেশটিতে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে নৌকাডুবির কারণে সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১০ সালে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন