সুখের আশায় লন্ডনে, ছুরিকাঘাতে শেষ আফগান তরুণের জীবন
jugantor
সুখের আশায় লন্ডনে, ছুরিকাঘাতে শেষ আফগান তরুণের জীবন

  অনলাইন ডেস্ক  

১৪ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৫৬:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

আফগান তরুণ

লন্ডনে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেওয়া এক তরুণকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। দক্ষিণ লন্ডনে এই ঘটনা ঘটেছে বলে যুক্তরাজ্যের স্থানীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

নিহত তরুণের নাম হযরত ওয়ালি (১৮)। তিনি রিচমন্ড আপন থমস কলেজের ছাত্র ছিলেন।

খবরে বলা হয়েছে, টুইকেনহামে কলেজে যাওয়ার পথে আফগান কিশোর হযরত ওয়ালির ওপর অজ্ঞাত দুর্বত্ত আক্রমণ করে। আক্রমণকারীর সঙ্গে লড়াইয়ের একপর্যায়ে তার মৃত্যু হয়।

হযরত ওয়ালির একজন বন্ধু বলেন, দুই বছর আগে উন্নত জীবনের আশায় হযরত ওয়ালি যুক্তরাজ্যে আসে। সে খুব ভালো ছেলে। কারও সহায়তা ছাড়াই লন্ডনে সে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছিল। কখনো সে কারও প্রতি ঘৃণা পোষণ করত না। তাকে কেউ আক্রমণ করতে পারে এটা তিনি ভাবতেই পারছেন না।

হযরত আলির এই বন্ধুআরও জানান, ওয়ালির পরিবারের সকল সদস্য আফগানিস্তানে রয়েছে। তিনি তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। হামলাকারীর সঙ্গে লড়াই করে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন।

তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, পথচারী সেতু দিয়ে যাওয়ার সময় হযরত আলির ওপর আক্রমণ করা হয়। আক্রমণকারীর সঙ্গে লড়াইয়ের একপর্যায়ে তিনি খেলার মাঠে পড়ে যান। খেলার মাঠে উপস্থিত থাকা একজন শিক্ষক ছাত্রদের সহায়তায় তাকে হাসপাতালে নেন। কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি।

লন্ডন পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান ভিকি টানস্টল বলেন, তারা হত্যার রহস্য উদঘাটনেকাজ করে যাচ্ছেন।

এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, তারা ঘটনাস্থলের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করা ছাড়াও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। যারা ঘটনাস্থলে ছিলেন এবং পুলিশের সঙ্গে এখনো ঘটনার বিষয়ে কথা বলেননি তাদেরকে তথ্য জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

সুখের আশায় লন্ডনে, ছুরিকাঘাতে শেষ আফগান তরুণের জীবন

 অনলাইন ডেস্ক 
১৪ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আফগান তরুণ
নিহত আফগান তরুণ হযরত ওয়ালি

লন্ডনে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেওয়া এক তরুণকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। দক্ষিণ লন্ডনে এই ঘটনা ঘটেছে বলে যুক্তরাজ্যের স্থানীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

নিহত তরুণের নাম হযরত ওয়ালি (১৮)। তিনি রিচমন্ড আপন থমস কলেজের ছাত্র ছিলেন।

খবরে বলা হয়েছে, টুইকেনহামে কলেজে যাওয়ার পথে আফগান কিশোর হযরত ওয়ালির ওপর অজ্ঞাত দুর্বত্ত আক্রমণ করে। আক্রমণকারীর সঙ্গে লড়াইয়ের একপর্যায়ে তার মৃত্যু হয়।

হযরত ওয়ালির একজন বন্ধু বলেন, দুই বছর আগে উন্নত জীবনের আশায় হযরত ওয়ালি যুক্তরাজ্যে আসে। সে খুব ভালো ছেলে। কারও সহায়তা ছাড়াই লন্ডনে সে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছিল। কখনো সে কারও প্রতি ঘৃণা পোষণ করত না। তাকে কেউ আক্রমণ করতে পারে এটা তিনি ভাবতেই পারছেন না।

হযরত আলির এই বন্ধু আরও জানান, ওয়ালির পরিবারের সকল সদস্য আফগানিস্তানে রয়েছে। তিনি তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। হামলাকারীর সঙ্গে লড়াই করে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন।

তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, পথচারী সেতু দিয়ে যাওয়ার সময় হযরত আলির ওপর আক্রমণ করা হয়। আক্রমণকারীর সঙ্গে লড়াইয়ের একপর্যায়ে তিনি খেলার মাঠে পড়ে যান। খেলার মাঠে উপস্থিত থাকা একজন শিক্ষক ছাত্রদের সহায়তায় তাকে হাসপাতালে নেন। কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি।

লন্ডন পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান ভিকি টানস্টল বলেন, তারা হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ করে যাচ্ছেন।

এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, তারা ঘটনাস্থলের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করা ছাড়াও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। যারা ঘটনাস্থলে ছিলেন এবং পুলিশের সঙ্গে এখনো ঘটনার বিষয়ে কথা বলেননি তাদেরকে তথ্য জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন