লাইভ চলাকালে সাবেক স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা!
jugantor
লাইভ চলাকালে সাবেক স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা!

  অনলাইন ডেস্ক  

১৬ অক্টোবর ২০২১, ০১:০০:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

মেয়েটি ছিলেন একজন ব্লগার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অনুসারীদের জন্য অনলাইনে লাইভে ছিলেন তিনি। লাইভ চলাকালেই সাবেক স্বামী মেয়েটির গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। মারাত্মক দগ্ধ মেয়েটি দুই সপ্তাহ পর মারা যান।

চীনের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চেলর সিচুয়ার প্রদেশের গত বছরের সেপ্টেম্বরে এই ঘটনা ঘটে বলে শুক্রবার সিএনএনের প্রতিবেদনে জানা গেছে। এই ঘটনায় ওই ব্যক্তিকে বৃহস্পতিবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সিএনএন জানায়, লামো নামের ওই মেয়েটি ছিল পেশায় একজন কৃষক। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরব পদচারণা ছিল তার। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় একজন ব্লগার।

২০২০ সালের জুনে ট্যাঙ লুর সঙ্গে লামোর বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের আগে প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন ট্যাঙ লু। বিচ্ছেদের পর থেকেই লামোকে ফের বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন ট্যাঙ লু। কিন্তু বার বার তাকে ফিরিয়ে দিচ্ছিলেন লামো। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ট্যাঙ লু লাইভ চলাকালেই স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেন।

ঘটনার পর ট্যাঙ লুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তার বিরুদ্ধে আনা হত্যার অভিযোগ প্রমাণ হওয়ার ট্যাঙ লুকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। একই সঙ্গে আদালত মোটা অংকের জরিমানা করে বলেও চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

লামোর মৃত্যুর ভয়াবহতায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল সারা বিশ্ব। এই ঘটনায় তখন দেশে-বিদেশে ভীষণ আলোড়ন তুলেছিল। চীনে নারীদের ওপর সহিংসতার ঘটনাও সামনে এসেছিল।

লাইভ চলাকালে সাবেক স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা!

 অনলাইন ডেস্ক 
১৬ অক্টোবর ২০২১, ০১:০০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মেয়েটি ছিলেন একজন ব্লগার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অনুসারীদের জন্য অনলাইনে লাইভে ছিলেন তিনি। লাইভ চলাকালেই সাবেক স্বামী মেয়েটির গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। মারাত্মক দগ্ধ মেয়েটি দুই সপ্তাহ পর মারা যান।

চীনের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চেলর সিচুয়ার প্রদেশের গত বছরের সেপ্টেম্বরে এই ঘটনা ঘটে বলে শুক্রবার সিএনএনের প্রতিবেদনে জানা গেছে। এই ঘটনায় ওই ব্যক্তিকে বৃহস্পতিবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সিএনএন জানায়, লামো নামের ওই মেয়েটি ছিল পেশায় একজন কৃষক। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরব পদচারণা ছিল তার। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় একজন ব্লগার।

২০২০ সালের জুনে ট্যাঙ লুর সঙ্গে লামোর বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের আগে প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন ট্যাঙ লু। বিচ্ছেদের পর থেকেই লামোকে ফের বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন ট্যাঙ লু। কিন্তু বার বার তাকে ফিরিয়ে দিচ্ছিলেন লামো। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ট্যাঙ লু লাইভ চলাকালেই স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেন।

ঘটনার পর ট্যাঙ লুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তার বিরুদ্ধে আনা হত্যার অভিযোগ প্রমাণ হওয়ার ট্যাঙ লুকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। একই সঙ্গে আদালত মোটা অংকের জরিমানা করে বলেও চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

লামোর মৃত্যুর ভয়াবহতায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল সারা বিশ্ব। এই ঘটনায় তখন দেশে-বিদেশে ভীষণ আলোড়ন তুলেছিল।  চীনে নারীদের ওপর সহিংসতার ঘটনাও সামনে এসেছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন