যৌবনে পাহাড়-পর্বত, শেষ বয়স সাগরে
jugantor
যৌবনে পাহাড়-পর্বত, শেষ বয়স সাগরে

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৬ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

ক্রিস আইরেস

ছিলেন পুরোদস্তুর পর্বতারোহী। পুরো যৌবনকালই কাটিয়েছেন পাহাড়-পর্বতে। কখনো একাকী আবার কখনো দলের পথপ্রদর্শক হিসাবে। কিন্তু সাগর তাকে বরাবরই টানত। ৫০-এর কোঠা পেরোতেই সেই টান আর উপেক্ষা করতে পারলেন না। নেমে পড়লেন সমুদ্র অভিযানে। সেই থেকে ভেসে চলেছেন সাগর থেকে মহাসাগরে। তিনি ব্রিটিশ নাগরিক ক্রিস আইরেস।

সম্প্রতি দ্য গার্ডিয়ানকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন পর্বতারোহী থেকে সমুদ্র অভিযাত্রী হয়ে ওঠার গল্প। ভাগাভাগি করেছেন সমুদ্র জীবনের নতুন নতুন অভিজ্ঞতার কথা। লন্ডনের উপকণ্ঠে সাউথ ইয়র্কশায়ারের শেফিল্ডে বাস করেন বর্তমানে ৭৩ বছর বয়সি ক্রিস। এখানেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা তার। কিশোর বয়সে একবার বেড়াতে গিয়ে পর্বতের প্রেমে পড়েন।

সেই সময়কার কথা স্মরণ করে ক্রিস বলেন, ‘সহজেই উঁচুতে চড়তে পারতাম। কঠিন মনে হতো না।’ প্রায়ই পর্বত জয়ের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়তেন। এভাবে একসময় হয়ে ওঠেন পবর্তারোহী এমনকি গাইড হিসাবে অন্যদেরও সহযোগিতা করতেন। বয়স ৫০ হওয়ার পর প্রথমবার সমুদ্রে অভিযানে যান ক্রিস।

তিনি জানান, এক বন্ধুর হাত ধরে প্রথম নৌভ্রমণের অভিজ্ঞতা হয় তার। পবর্ত আরোহণের সময় পরিচয় হয় ডন ব্রাউন নামে তরুণ পর্বতারোহীর সঙ্গে। একদিন তিনি একটি নৌকা ভাড়া করেন এবং তার সঙ্গে যোগ দিতে ডাকেন ক্রিসকেও। তিনি বলেন, বিভিন্নজনের কাছে সমুদ্র অভিযানের গল্প শুনতেন তিনি। তার ভাষায়, আমি ভাবলাম, দেখি একবার চেষ্টা করে।’

এরপর আরও কয়েকবার নৌভ্রমণ করেছেন। কিন্তু এসব ভ্রমণ ছিল মাত্র এক দিন কিংবা দুদিনের। কিন্তু এতে পোষাচ্ছিল তার। একজন আগাগোড়া নাবিক হওয়ার জন্য মনস্থির করলেন। যেই ভাবা, সেই কাজ। প্রথমে একটা ছোট নৌকা কিনলেন। এরপর একাই বের হলেই সমুদ্র অভিযানে। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর কিনলেন বড় একটি ইয়ট। ৬৬ বছর বয়সে পুরো বিশ্ব ঘুরে দেখার ইচ্ছে নিয়ে প্রথমবারের মতো নিজের ইয়টে চড়ে বসেন ক্রিস। পরিকল্পনা ছিল কয়েক বছর একটানা পানিতেই থাকবেন।

ক্রিস বলেন, ৬৬ বছর বয়সে পৃথিবীর পথে বের হই এবং টানা ছয় বছর কাটিয়ে দেই।’

যৌবনে পাহাড়-পর্বত, শেষ বয়স সাগরে

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ক্রিস আইরেস
ক্রিস আইরেস

ছিলেন পুরোদস্তুর পর্বতারোহী। পুরো যৌবনকালই কাটিয়েছেন পাহাড়-পর্বতে। কখনো একাকী আবার কখনো দলের পথপ্রদর্শক হিসাবে। কিন্তু সাগর তাকে বরাবরই টানত। ৫০-এর কোঠা পেরোতেই সেই টান আর উপেক্ষা করতে পারলেন না। নেমে পড়লেন সমুদ্র অভিযানে। সেই থেকে ভেসে চলেছেন সাগর থেকে মহাসাগরে। তিনি ব্রিটিশ নাগরিক ক্রিস আইরেস।

সম্প্রতি দ্য গার্ডিয়ানকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন পর্বতারোহী থেকে সমুদ্র অভিযাত্রী হয়ে ওঠার গল্প। ভাগাভাগি করেছেন সমুদ্র জীবনের নতুন নতুন অভিজ্ঞতার কথা। লন্ডনের উপকণ্ঠে সাউথ ইয়র্কশায়ারের শেফিল্ডে বাস করেন বর্তমানে ৭৩ বছর বয়সি ক্রিস। এখানেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা তার। কিশোর বয়সে একবার বেড়াতে গিয়ে পর্বতের প্রেমে পড়েন।

সেই সময়কার কথা স্মরণ করে ক্রিস বলেন, ‘সহজেই উঁচুতে চড়তে পারতাম। কঠিন মনে হতো না।’ প্রায়ই পর্বত জয়ের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়তেন। এভাবে একসময় হয়ে ওঠেন পবর্তারোহী এমনকি গাইড হিসাবে অন্যদেরও সহযোগিতা করতেন। বয়স ৫০ হওয়ার পর প্রথমবার সমুদ্রে অভিযানে যান ক্রিস।

তিনি জানান, এক বন্ধুর হাত ধরে প্রথম নৌভ্রমণের অভিজ্ঞতা হয় তার। পবর্ত আরোহণের সময় পরিচয় হয় ডন ব্রাউন নামে তরুণ পর্বতারোহীর সঙ্গে। একদিন তিনি একটি নৌকা ভাড়া করেন এবং তার সঙ্গে যোগ দিতে ডাকেন ক্রিসকেও। তিনি বলেন, বিভিন্নজনের কাছে সমুদ্র অভিযানের গল্প শুনতেন তিনি। তার ভাষায়, আমি ভাবলাম, দেখি একবার চেষ্টা করে।’

এরপর আরও কয়েকবার নৌভ্রমণ করেছেন। কিন্তু এসব ভ্রমণ ছিল মাত্র এক দিন কিংবা দুদিনের। কিন্তু এতে পোষাচ্ছিল তার। একজন আগাগোড়া নাবিক হওয়ার জন্য মনস্থির করলেন। যেই ভাবা, সেই কাজ। প্রথমে একটা ছোট নৌকা কিনলেন। এরপর একাই বের হলেই সমুদ্র অভিযানে। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর কিনলেন বড় একটি ইয়ট। ৬৬ বছর বয়সে পুরো বিশ্ব ঘুরে দেখার ইচ্ছে নিয়ে প্রথমবারের মতো নিজের ইয়টে চড়ে বসেন ক্রিস। পরিকল্পনা ছিল কয়েক বছর একটানা পানিতেই থাকবেন।

ক্রিস বলেন, ৬৬ বছর বয়সে পৃথিবীর পথে বের হই এবং টানা ছয় বছর কাটিয়ে দেই।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন