তুরস্ক এখনও কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিতে আগ্রহী
jugantor
তুরস্ক এখনও কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিতে আগ্রহী

  অনলাইন ডেস্ক  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ১১:০৬:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান আবারও আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

তিনি শনিবার আঙ্কারায় এক বক্তব্যে বলেছেন, অতীতেও তুরস্ক কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করেছে। কাজেই বর্তমানে আবার সেখানে তুর্কি সেনা মোতায়েনে কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়। খবর আনাদোলুর।

এরদোগান বলেন, আফগানিস্তান ও কাতারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার পর এই বিমানবন্দরে সেনা মোতায়েন করতে পারে তুরস্ক।

গত আগস্ট মাসে তালেবানের হাতে কাবুলের পতন হওয়ার কয়েক মাস আগে থেকে কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ তুরস্কের হাতে ছেড়ে দিতে চেয়েছিল আমেরিকা।

মূলত মার্কিন সেনারা আফগানিস্তান ত্যাগ করার পর ওই বিমানবন্দর তালেবানের হামলা থেকে রক্ষা করার কাজে আফগান সেনাবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য এ পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

সেই সময় তালেবান তুর্কি সরকারকে হুশিয়ার করে দিয়ে বলেছিল, আঙ্কারা কাবুল বিমানবন্দরে সেনা মোতায়েন করলে এসব সেনাকে ‘শত্রুসেনা’ বলে গণ্য করা হবে।

কিন্তু ১৫ আগস্ট আকস্মিকভাবে তালেবানের হাতে কাবুলের পতন হওয়ার পর ওই বিমানবন্দর দিয়ে অপমানজনকভাবে মার্কিন সেনারা পালিয়ে যায়। তালেবান সরকার ক্ষমতাগ্রহণের পর কখনও কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য বিদেশি সেনা মোতায়েনের আগ্রহ প্রকাশ করেনি।

এদিকে আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি প্রশ্নে এখনই আঙ্কারা কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বলে জানান তুর্কি প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, তার সরকার আফগান জনগণের সঙ্গে তালেবান সরকারের আচরণ পর্যবেক্ষণের পরই কেবল এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।

তুরস্ক এখনও কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিতে আগ্রহী

 অনলাইন ডেস্ক 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ১১:০৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান আবারও আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

তিনি শনিবার আঙ্কারায় এক বক্তব্যে বলেছেন, অতীতেও তুরস্ক কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করেছে। কাজেই বর্তমানে আবার সেখানে তুর্কি সেনা মোতায়েনে কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়। খবর আনাদোলুর।

এরদোগান বলেন, আফগানিস্তান ও কাতারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার পর এই বিমানবন্দরে সেনা মোতায়েন করতে পারে তুরস্ক।

গত আগস্ট মাসে তালেবানের হাতে কাবুলের পতন হওয়ার কয়েক মাস আগে থেকে কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ তুরস্কের হাতে ছেড়ে দিতে চেয়েছিল আমেরিকা।

মূলত মার্কিন সেনারা আফগানিস্তান ত্যাগ করার পর ওই বিমানবন্দর তালেবানের হামলা থেকে রক্ষা করার কাজে আফগান সেনাবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য এ পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

সেই সময় তালেবান তুর্কি সরকারকে হুশিয়ার করে দিয়ে বলেছিল, আঙ্কারা কাবুল বিমানবন্দরে সেনা মোতায়েন করলে এসব সেনাকে ‘শত্রুসেনা’ বলে গণ্য করা হবে।

কিন্তু ১৫ আগস্ট আকস্মিকভাবে তালেবানের হাতে কাবুলের পতন হওয়ার পর ওই বিমানবন্দর দিয়ে অপমানজনকভাবে মার্কিন সেনারা পালিয়ে যায়। তালেবান সরকার ক্ষমতাগ্রহণের পর কখনও কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য বিদেশি সেনা মোতায়েনের আগ্রহ প্রকাশ করেনি।

এদিকে  আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি প্রশ্নে এখনই আঙ্কারা কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বলে জানান তুর্কি প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, তার সরকার আফগান জনগণের সঙ্গে তালেবান সরকারের আচরণ পর্যবেক্ষণের পরই কেবল এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আফগানিস্তানে তালেবানের পুনরুত্থান