সৌরজগতের রহস্য উদ্ধারে বৃহস্পতির পথে ‘লুসি’
jugantor
সৌরজগতের রহস্য উদ্ধারে বৃহস্পতির পথে ‘লুসি’

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:১৮:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

সৌরজগতের রহস্য উদ্ধারে বৃহস্পতির পথে ‘লুসি’

জুপিটার বা বৃহস্পতি গ্রহের কাছে যেসব গ্রহাণু ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে একটি মহাকাশযান পাঠিয়েছে নাসা। কীভাবে সৌরজগৎ তৈরি হয়েছে, এই অভিযান সেই রহস্য উম্মোচনে সহায়তা করবে বলে আশা করছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি।

স্থানীয় সময় শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরাল থেকে ‘লুসি’ নামের এই মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এই অভিযানকে বলা হচ্ছে, সৌরজগতের ‘জীবাশ্ম’ খোঁজার অভিযান।

বৃহস্পতিগ্রহের কক্ষপথে গ্যাসের যে বিশাল আস্তরণ আছে, সেখানে গ্রহাণুর যে ঝাঁক বেধে ঘুরতে থাকে, সেই গ্রহাণুগুলো পর্যবেক্ষণ করবে মহাকাশ প্রোব লুসি।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রহগুলোর গঠন হওয়ার সময় এসব বস্তু অবশিষ্টাংশ হিসাবে রয়ে গেছে।

ফলে ট্রোজান নামে পরিচিত এসব গ্রহাণুর ভেতরে সৌরজগতের গঠন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র থাকতে পারে বলে মনে করা হয়।

আগামী ১২ বছর ধরে এই মিশনের পেছনে ৯৮ কোটি ১০ লাখ ডলার খরচ করার পরিকল্পনা করেছে নাসা। এর আগেও গ্রহাণু পর্যবেক্ষণে মহাকাশযান পাঠিয়েছে নাসা। এই সময় ধরে লুসি সাতটি ট্রোজান (গ্রহাণু) পর্যবেক্ষণ করবে।

আফ্রিকা থেকে পাওয়া মানবদেহের একটি সুপরিচিত ফসিলের নাম ‘লুসি’। যার মাধ্যমে পূর্বপুরুষদের সম্পর্কে অনেক তথ্য জানতে সক্ষম হয় বিজ্ঞানীরা। ওই নাম থেকেই নাসার এই মিশন অনুপ্রেরণা নিয়েছে এবং নিয়েছে নামটিও।

পার্থক্য হলো এই মহাকাশযানটি ইতিহাস খুঁজবে পৃথিবী থেকে লাখ লাখ কিলোমিটার দূরের একটি গ্রহে এবং বৃহস্পতিগ্রহের সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের চারদিকে ঘুরবে।

কলোরাডোর সাউথওয়েস্ট রিসার্চ ইন্সটিটিউটের পক্ষে লুসির প্রধান পরীক্ষক হ্যাল লেভিশন বলছেন, ট্রোজান গ্রহাণুগুলো বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথে ৬০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ঘুরতে থাকে। তারা বৃহস্পতি আর সূর্যের মহাকর্ষীয় প্রভাবে আটকে আছে।

সৌরজগতের শুরুতে যদি সেখানে কোনো বস্তু রাখা হয়, তাহলে সেটা চিরদিন সেভাবেই থাকবে। সুতরাং এটা বলা যায়, এগুলো আসলে কোন গ্রহ থেকে গঠিত জীবাশ্ম।

সূত্র: বিবিসি বাংলা


সৌরজগতের রহস্য উদ্ধারে বৃহস্পতির পথে ‘লুসি’

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সৌরজগতের রহস্য উদ্ধারে বৃহস্পতির পথে ‘লুসি’
পৃথিবী ছেড়ে বৃহস্পতির দিকে রওনা হয়েছে ‘লুসি’। ছবি: বিবিসি

জুপিটার বা বৃহস্পতি গ্রহের কাছে যেসব গ্রহাণু ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে একটি মহাকাশযান পাঠিয়েছে নাসা। কীভাবে সৌরজগৎ তৈরি হয়েছে, এই অভিযান সেই রহস্য উম্মোচনে সহায়তা করবে বলে আশা করছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি। 

স্থানীয় সময় শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরাল থেকে ‘লুসি’ নামের এই মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এই অভিযানকে বলা হচ্ছে, সৌরজগতের ‘জীবাশ্ম’ খোঁজার অভিযান। 

বৃহস্পতিগ্রহের কক্ষপথে গ্যাসের যে বিশাল আস্তরণ আছে, সেখানে গ্রহাণুর যে ঝাঁক বেধে ঘুরতে থাকে, সেই গ্রহাণুগুলো পর্যবেক্ষণ করবে মহাকাশ প্রোব লুসি।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রহগুলোর গঠন হওয়ার সময় এসব বস্তু অবশিষ্টাংশ হিসাবে রয়ে গেছে।

ফলে ট্রোজান নামে পরিচিত এসব গ্রহাণুর ভেতরে সৌরজগতের গঠন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র থাকতে পারে বলে মনে করা হয়।

আগামী ১২ বছর ধরে এই মিশনের পেছনে ৯৮ কোটি ১০ লাখ ডলার খরচ করার পরিকল্পনা করেছে নাসা। এর আগেও গ্রহাণু পর্যবেক্ষণে মহাকাশযান পাঠিয়েছে নাসা। এই সময় ধরে লুসি সাতটি ট্রোজান (গ্রহাণু) পর্যবেক্ষণ করবে।

আফ্রিকা থেকে পাওয়া মানবদেহের একটি সুপরিচিত ফসিলের নাম ‘লুসি’। যার মাধ্যমে পূর্বপুরুষদের সম্পর্কে অনেক তথ্য জানতে সক্ষম হয় বিজ্ঞানীরা। ওই নাম থেকেই নাসার এই মিশন অনুপ্রেরণা নিয়েছে এবং নিয়েছে নামটিও। 

পার্থক্য হলো এই মহাকাশযানটি ইতিহাস খুঁজবে পৃথিবী থেকে লাখ লাখ কিলোমিটার দূরের একটি গ্রহে এবং বৃহস্পতিগ্রহের সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের চারদিকে ঘুরবে।

কলোরাডোর সাউথওয়েস্ট রিসার্চ ইন্সটিটিউটের পক্ষে লুসির প্রধান পরীক্ষক হ্যাল লেভিশন বলছেন, ট্রোজান গ্রহাণুগুলো বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথে ৬০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ঘুরতে থাকে। তারা বৃহস্পতি আর সূর্যের মহাকর্ষীয় প্রভাবে আটকে আছে। 

সৌরজগতের শুরুতে যদি সেখানে কোনো বস্তু রাখা হয়, তাহলে সেটা চিরদিন সেভাবেই থাকবে। সুতরাং এটা বলা যায়, এগুলো আসলে কোন গ্রহ থেকে গঠিত জীবাশ্ম।

সূত্র: বিবিসি বাংলা


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন