চার নাতি ও দুই মেয়েসহ ৭ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করল বাবা
jugantor
চার নাতি ও দুই মেয়েসহ ৭ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করল বাবা

  অনলাইন ডেস্ক  

১৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০২:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

পাকিস্তানে প্রেম করে বিয়ে করায় দুই মেয়ে, এক জামাই ও চার নাতিকে পুড়িয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

পাঞ্জাবের মোজাফ্ফরগড় জেলায় এ ঘটনা ঘটে। মঞ্জুর হোসেন নামে এক পাষণ্ড বাবা আগুন ধরিয়ে দিয়ে তাদের পুড়িয়ে হত্যা করে। খবর সাউথ চায়না পোস্টের।

নিহত ওই দুই মেয়ের একজন তার বাবার অর্থাৎ অভিযুক্ত ব্যক্তির মতের বাইরে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন।

পাঞ্জাবের পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন এবং তাকে আটক করতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম মঞ্জুর হোসাইন। পাঞ্জাবের মুজাফফরগড় জেলার একটি গ্রামে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের শিকার দুই মেয়ের নাম ফৌজিয়া বিবি ও খুরশিদ মাই।

দুই বোন তাদের পরিবার নিয়ে ওই গ্রামের একটি বাড়িতে বসবাস করতেন। আগুনে খুরশিদ মাইয়ের স্বামীও মারা গেছেন বলে জানান তিনি।

ওই পুলিশ কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, প্রায় ১৮ মাস আগে বাবার মতের বিরুদ্ধে গিয়ে ভালোবেসে মেহবুব আহমেদকে বিয়ে করেন ফৌজিয়া বিবি। এর পর থেকেই মেয়ের ও বাবার পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। ফৌজিয়ার বাবা মনজুর হোসাইনও পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামে বসবাস করতেন।

তবে বাড়ির বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান ফৌজিয়ার স্বামী মেহবুব আহমেদ। পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি জানান, বাড়িতে আগুন লাগার সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। খুব সকালে কাজ থেকে ফিরে বাড়িতে আগুন দেখতে পান তিনি।

মেহবুব আহমেদ জানান, আগুনে পুড়ে ফৌজিয়ার পাশাপাশি তার চার মাস বয়সি ছেলেসন্তানও মারা গেছেন। এ ছাড়া ২, ৬ ও ১৩ বছর বয়সি খুরশিদ মাইয়ের তিন শিশুসন্তানও মারা গেছেন আগুনে পুড়ে।

চার নাতি ও দুই মেয়েসহ ৭ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করল বাবা

 অনলাইন ডেস্ক 
১৮ অক্টোবর ২০২১, ০১:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাকিস্তানে প্রেম করে বিয়ে করায় দুই মেয়ে, এক জামাই ও চার নাতিকে পুড়িয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

পাঞ্জাবের মোজাফ্ফরগড় জেলায় এ ঘটনা ঘটে। মঞ্জুর হোসেন নামে এক পাষণ্ড বাবা আগুন ধরিয়ে দিয়ে তাদের পুড়িয়ে হত্যা করে।  খবর সাউথ চায়না পোস্টের।

নিহত ওই দুই মেয়ের একজন তার বাবার অর্থাৎ অভিযুক্ত ব্যক্তির মতের বাইরে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন।

পাঞ্জাবের পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন এবং তাকে আটক করতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম মঞ্জুর হোসাইন। পাঞ্জাবের মুজাফফরগড় জেলার একটি গ্রামে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের শিকার দুই মেয়ের নাম ফৌজিয়া বিবি ও খুরশিদ মাই।

দুই বোন তাদের পরিবার নিয়ে ওই গ্রামের একটি বাড়িতে বসবাস করতেন। আগুনে খুরশিদ মাইয়ের স্বামীও মারা গেছেন বলে জানান তিনি।

ওই পুলিশ কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, প্রায় ১৮ মাস আগে বাবার মতের বিরুদ্ধে গিয়ে ভালোবেসে মেহবুব আহমেদকে বিয়ে করেন ফৌজিয়া বিবি। এর পর থেকেই মেয়ের ও বাবার পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। ফৌজিয়ার বাবা মনজুর হোসাইনও পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামে বসবাস করতেন।

তবে বাড়ির বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান ফৌজিয়ার স্বামী মেহবুব আহমেদ। পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি জানান, বাড়িতে আগুন লাগার সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। খুব সকালে কাজ থেকে ফিরে বাড়িতে আগুন দেখতে পান তিনি।

মেহবুব আহমেদ জানান, আগুনে পুড়ে ফৌজিয়ার পাশাপাশি তার চার মাস বয়সি ছেলেসন্তানও মারা গেছেন। এ ছাড়া ২, ৬ ও ১৩ বছর বয়সি খুরশিদ মাইয়ের তিন শিশুসন্তানও মারা গেছেন আগুনে পুড়ে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন