পাকিস্তান রাষ্ট্রদূতের মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যার বিচার শুরু
jugantor
পাকিস্তান রাষ্ট্রদূতের মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যার বিচার শুরু

  অনলাইন ডেস্ক  

২১ অক্টোবর ২০২১, ০২:৫৬:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

পাকিস্তানের সাবেক দক্ষিণ কোরিয়া ও কাজাখস্তানের রাষ্ট্রদূতের মেয়েকে ‘ধর্ষণের পর শিরশ্ছেদ’ করে হত্যার বিচার শুরু হয়েছে। বুধবার ইসলামাবাদে এ বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়।

চলতি বছরের জুলাইয়ে রাষ্ট্রদূত শওকত মুকাদ্দামের ২৭ বছরের মেয়ে নূর মুকাদ্দামকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে তখন দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়।

অভিযুক্ত আসামি জহির জাফর এক শিল্পপতির ছেলে। তিনি এ হত্যার দায় অস্বীকার করেছেন।

আদালতের বাইরে আইনজীবী শাহ খাওয়ার এএফপিকে বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়েছে। প্রথম সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। পরবর্তী শুনানিতে আরও পাঁচজন সাক্ষ্য দেবেন।

এ হত্যাকাণ্ডে দেওয়া পুলিশি প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মুকাদ্দামের ওপর হামলা করা হয়। তিনি বেশ কয়েকবার জাফরের বাড়ি থেকে পালাতে চেষ্টা করেও পারেননি। বারবারই জাফরের বাড়ির কর্মীরা তাকে বাধা দিয়েছেন। জাফর তাকে ধর্ষণ করেন এবং লোহার মুষ্টি দিয়ে আঘাত করেন। এরপর তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিরশ্ছেদ করেন।

এ মামলায় অন্য অভিযুক্ত ১১ জনের মধ্যে রয়েছেন জাফরের মা–বাবা, বাড়ির কাজের লোকজন এবং প্রমাণ নষ্ট করে ফেলতে চেয়েছিলেন এমন ব্যক্তিরা।

পাকিস্তান রাষ্ট্রদূতের মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যার বিচার শুরু

 অনলাইন ডেস্ক 
২১ অক্টোবর ২০২১, ০২:৫৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাকিস্তানের সাবেক দক্ষিণ কোরিয়া ও কাজাখস্তানের রাষ্ট্রদূতের মেয়েকে ‘ধর্ষণের পর শিরশ্ছেদ’ করে হত্যার বিচার শুরু হয়েছে। বুধবার ইসলামাবাদে এ বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়।

চলতি বছরের জুলাইয়ে রাষ্ট্রদূত শওকত মুকাদ্দামের ২৭ বছরের মেয়ে নূর মুকাদ্দামকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে তখন দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়।

অভিযুক্ত আসামি জহির জাফর এক শিল্পপতির ছেলে। তিনি এ হত্যার দায় অস্বীকার করেছেন।

আদালতের বাইরে আইনজীবী শাহ খাওয়ার এএফপিকে বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়েছে। প্রথম সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। পরবর্তী শুনানিতে আরও পাঁচজন সাক্ষ্য দেবেন।

এ হত্যাকাণ্ডে দেওয়া পুলিশি প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মুকাদ্দামের ওপর হামলা করা হয়। তিনি বেশ কয়েকবার জাফরের বাড়ি থেকে পালাতে চেষ্টা করেও পারেননি। বারবারই জাফরের বাড়ির কর্মীরা তাকে বাধা দিয়েছেন। জাফর তাকে ধর্ষণ করেন এবং লোহার মুষ্টি দিয়ে আঘাত করেন। এরপর তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিরশ্ছেদ করেন।

এ মামলায় অন্য অভিযুক্ত ১১ জনের মধ্যে রয়েছেন জাফরের মা–বাবা, বাড়ির কাজের লোকজন এবং প্রমাণ নষ্ট করে ফেলতে চেয়েছিলেন এমন ব্যক্তিরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন