মানুষের শরীরে শূকরের কিডনির সফল প্রতিস্থাপন
jugantor
মানুষের শরীরে শূকরের কিডনির সফল প্রতিস্থাপন

  যুগান্তর ডেস্ক  

২১ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৫৪:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

মানুষের শরীরের শূকরের কিডনির সফলভাবে প্রতিস্থাপন করেছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসাশাস্ত্রের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো মানব শরীরে অন্য কোনো প্রাণীর কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়।

তাৎক্ষণিকভাবে মানব শরীরে ওই কিডনি ঠিকমতোই কাজ করেছে বলে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে। চিকিৎসা শাস্ত্রের এই অগ্রগতি প্রতিবছর অঙ্গ প্রতিস্থাপনে ইচ্ছুক হাজারো মানুষকে আশার আলো দেখাচ্ছে।

২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে দুইঘণ্টা ধরে ওই প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। যে ব্যক্তির শরীরে ওই কিডনি স্থাপন করা হয় তিনি ব্রেন ডেড অবস্থায় ছিলেন। তার পরিবারের সম্মতিতে ওই কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। এই কাজে জেনিটিক্যালি মডিফাইড একটি শূকরের কিডনি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিস্থাপন করার পর অবশ্য ৫৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের জন্য কিডনি ওই ব্যক্তির পেটের বাইরের বিশেষ সুরক্ষা শিল্ড দিয়ে ঢেকে রাখা হয়।

গবেষকরা দেখেছেন, মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপনের পর যে পরিমাণ মূত্র তৈরি হতো, শুকরের কিডনি প্রতিস্থাপনের পরও একই পরিমাণ মূত্র তৈরি হয়েছে। এমনকি ওই ব্যক্তির শরীর শূকরের কিডনি প্রতিস্থাপন করার পর কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

অস্ত্রোপচার দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন ড. রবার্ট মন্টগোমারি। এক বিবৃতিতে তিনি এই ঘটনাকে, অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য একটি পরিবর্তনকারী মুহূর্ত বলে অভিহিত করেছেন।

ওই কিডনি প্রতিস্থাপন প্রত্যাশার চেয়েও বেশি কাজ করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
নি
উইয়র্ক ভিত্তিক একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের প্রধান ক্লিনিক্যাল কর্মকর্তা চ্যাড ইজেল এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে দুর্দান্ত বৈজ্ঞানিক অর্জন করে অভিহিত করেছেন। চ্যাড যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সেই প্রতিষ্ঠানটি মূলত অঙ্গ ও টিস্যু দান সংক্রান্ত কাজ করে।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেছেন, আমরা অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে এক নতুন যুগে পর্দাপন করলাম।

মানুষের শরীরে শূকরের কিডনির সফল প্রতিস্থাপন

 যুগান্তর ডেস্ক 
২১ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মানুষের শরীরের শূকরের কিডনির সফলভাবে প্রতিস্থাপন করেছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসাশাস্ত্রের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো মানব শরীরে অন্য কোনো প্রাণীর কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। 

তাৎক্ষণিকভাবে মানব শরীরে ওই কিডনি ঠিকমতোই কাজ করেছে বলে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে। চিকিৎসা শাস্ত্রের এই অগ্রগতি প্রতিবছর অঙ্গ প্রতিস্থাপনে ইচ্ছুক হাজারো মানুষকে আশার আলো দেখাচ্ছে।

২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে দুইঘণ্টা ধরে ওই প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। যে ব্যক্তির শরীরে ওই কিডনি স্থাপন করা হয় তিনি ব্রেন ডেড অবস্থায় ছিলেন। তার পরিবারের সম্মতিতে ওই কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। এই কাজে জেনিটিক্যালি মডিফাইড একটি শূকরের কিডনি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিস্থাপন করার পর অবশ্য ৫৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের জন্য কিডনি ওই ব্যক্তির পেটের বাইরের বিশেষ সুরক্ষা শিল্ড দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। 

গবেষকরা দেখেছেন, মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপনের পর যে পরিমাণ মূত্র তৈরি হতো, শুকরের কিডনি প্রতিস্থাপনের পরও একই পরিমাণ মূত্র তৈরি হয়েছে। এমনকি ওই ব্যক্তির শরীর শূকরের কিডনি প্রতিস্থাপন করার পর কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

অস্ত্রোপচার দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন ড. রবার্ট মন্টগোমারি। এক বিবৃতিতে তিনি এই ঘটনাকে, অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য একটি পরিবর্তনকারী মুহূর্ত বলে অভিহিত করেছেন।

ওই কিডনি প্রতিস্থাপন প্রত্যাশার চেয়েও বেশি কাজ করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 
নি
উইয়র্ক ভিত্তিক একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের প্রধান ক্লিনিক্যাল কর্মকর্তা চ্যাড ইজেল এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে দুর্দান্ত বৈজ্ঞানিক অর্জন করে অভিহিত করেছেন। চ্যাড যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সেই প্রতিষ্ঠানটি মূলত অঙ্গ ও টিস্যু দান সংক্রান্ত কাজ করে। 

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেছেন, আমরা অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে এক নতুন যুগে পর্দাপন করলাম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন