গভীর সমুদ্রে ‘অত্যাধুনিক বিনোদন কেন্দ্র’ বানাচ্ছে সৌদি আরব (ভিডিও)
jugantor
গভীর সমুদ্রে ‘অত্যাধুনিক বিনোদন কেন্দ্র’ বানাচ্ছে সৌদি আরব (ভিডিও)

  যুগান্তর ডেস্ক  

২১ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৫৬:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

তেলের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নির্ভশীলতা কমানোর চেষ্টা করছে সৌদি আরব। অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সৌদি সরকার নজর দিয়েছে দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে। অবশ্য তেল ক্ষেত্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই দেশের নতুন পর্যটন আর্কষণ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে সৌদি সরকার।

সৌদি সরকার আরব উপসাগরের মাঝে দেড় লাখ স্কয়ার মিটার আয়তনের একটি ‘এক্সট্রিম পার্ক’ নিমার্ণের পরিকল্পনা নিয়েছে।

সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) অর্থায়নে দ্য রিগ নামে ওই পার্কে তিনটি হোটেল ও ১১টি রেস্টুরেন্ট ছাড়াও থাকবে রোলার কোস্টার ও স্কাই ড্রাইভিংসহ বিনোদনের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা।

এই পার্কের ব্যাপারে পিএফআই এক বিবৃতিতে জানায়, এই প্রকল্প একটি অনন্য পর্যটন আর্কষণে পরিণত হবে। সারা বিশ্বের পর্যটকরা এখানে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

তবে কবে নাগাদ এই প্রকল্প শেষ হবে তা জানা যায়নি।

কয়েকমাস আগেই রিয়াদের উপকণ্ঠে নির্মাণাধীন নতুন শহরে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী রোলার কোস্টার নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিল সৌদি আরব। ২০২৩ সালে দর্শণার্থীদের জন্য এই রোলার কোস্টার উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসেবে ধর্ম নিরপেক্ষ পর্যটন চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে সৌদি আরব। বিদেশি, বিশেষ করে পশ্চিমা পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বড় বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে রিয়াদ।
এক হাজার বছরের বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের পর্যটন মূলত হজ ও উমরাহকেন্দ্রিক। এবার তেলের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে এই পর্যটন খাতকেই আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সৌদি সরকার।

সৌদিতে বিদেশি নাগরিক টানার পাশাপাশি দেশটির নাগরিকদের আগ্রহও দেশীয় পর্যটনেই ধরে রাখতে চায় রিয়াদ। ২০১৯ সালে বিদেশে পর্যটনে দুই হাজার ২০০ কোটি ডলার খরচ করেছে সৌদি নাগরিকরা। সৌদি আরবের মোট জনগোষ্ঠীর অর্ধেকের বয়স ৩০ বছরের কম। এই বিশাল তরুণ প্রজন্মের বেশিরভাগই বিনোদনের জন্য দেশের বাইরে যেতে আগ্রহী।

এছাড়া, অমুসলিম পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ই-ভিসা চালু করে রিয়াদ। কিন্তু ২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে সেই উদ্যোগ সাফল্যের মুখ দেখেনি। উল্টো ধর্মভিত্তিক পর্যটনও বড় ধাক্কা খেয়েছে।

গভীর সমুদ্রে ‘অত্যাধুনিক বিনোদন কেন্দ্র’ বানাচ্ছে সৌদি আরব (ভিডিও)

 যুগান্তর ডেস্ক 
২১ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তেলের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নির্ভশীলতা কমানোর চেষ্টা করছে সৌদি আরব। অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সৌদি সরকার নজর দিয়েছে দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে। অবশ্য তেল ক্ষেত্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই দেশের নতুন পর্যটন আর্কষণ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে সৌদি সরকার। 

সৌদি সরকার  আরব উপসাগরের মাঝে দেড় লাখ স্কয়ার মিটার আয়তনের একটি ‘এক্সট্রিম পার্ক’ নিমার্ণের পরিকল্পনা নিয়েছে।

সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) অর্থায়নে দ্য রিগ নামে ওই পার্কে তিনটি হোটেল ও ১১টি রেস্টুরেন্ট ছাড়াও থাকবে রোলার কোস্টার ও স্কাই ড্রাইভিংসহ বিনোদনের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা। 

এই পার্কের ব্যাপারে পিএফআই এক বিবৃতিতে জানায়, এই প্রকল্প একটি অনন্য পর্যটন আর্কষণে পরিণত হবে। সারা বিশ্বের পর্যটকরা এখানে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

তবে কবে নাগাদ এই প্রকল্প শেষ হবে তা জানা যায়নি।

কয়েকমাস আগেই রিয়াদের উপকণ্ঠে নির্মাণাধীন নতুন শহরে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী রোলার কোস্টার নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিল  সৌদি আরব। ২০২৩ সালে দর্শণার্থীদের জন্য এই রোলার কোস্টার উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসেবে ধর্ম নিরপেক্ষ পর্যটন চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে সৌদি আরব। বিদেশি, বিশেষ করে পশ্চিমা পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বড় বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে রিয়াদ।
এক হাজার বছরের বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের পর্যটন মূলত হজ ও উমরাহকেন্দ্রিক। এবার তেলের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে এই পর্যটন খাতকেই আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সৌদি সরকার।

সৌদিতে বিদেশি নাগরিক টানার পাশাপাশি দেশটির নাগরিকদের আগ্রহও দেশীয় পর্যটনেই ধরে রাখতে চায় রিয়াদ। ২০১৯ সালে বিদেশে পর্যটনে দুই হাজার ২০০ কোটি ডলার খরচ করেছে সৌদি নাগরিকরা। সৌদি আরবের মোট জনগোষ্ঠীর অর্ধেকের বয়স ৩০ বছরের কম। এই বিশাল তরুণ প্রজন্মের বেশিরভাগই বিনোদনের জন্য দেশের বাইরে যেতে আগ্রহী।

এছাড়া, অমুসলিম পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ই-ভিসা চালু করে রিয়াদ। কিন্তু ২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে সেই উদ্যোগ সাফল্যের মুখ দেখেনি। উল্টো ধর্মভিত্তিক পর্যটনও বড় ধাক্কা খেয়েছে। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন