যেভাবে বিমানে সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিল বিষাক্ত সাপ
jugantor
যেভাবে বিমানে সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিল বিষাক্ত সাপ

  যুগান্তর ডেস্ক  

২১ অক্টোবর ২০২১, ২১:৩৪:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বিমানে প্রায় সাড়ে সাত হাজার পথ পাড়ি দিয়েছে বিশ্বের অন্যতম বিষাক্ত প্রজাতির একটি সাপ। একটি পাথর বোঝাই কন্টেইনারে লুকিয়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয় সাপটি।

বৃহস্পতিবার একটি অন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডের এক ব্যক্তি ভারত থেকে কিছু পাথর অর্ডার করেন। ওই পাথরবোঝাই কন্টেইনার খোলার পর সেখানে সাপটিকে দেখাতে পান ওই ব্যক্তি। সঙ্গে সঙ্গে তিনি স্থানীয় সাউথ এসেক্স বন্যপ্রাণী হাসপাতালে ফোন দেন। খুব সতর্কতার সঙ্গে সাপটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সাউথ এসেক্স বন্যপ্রাণী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি তাদের ফেসবুকে শেয়ার করেছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ভারত থেকে আসা একটি কন্টেইনারে সাপ পাওয়ার বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে তারা একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে পাঠান। সাপটি দেখার পর তারা বুঝতে পারেন ওই প্রজাতির সাপ ইংল্যান্ডে দেখা যায় না।

পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন সাপটির বিশ্বের অন্যতম বিষধর সাপ।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও জানান, যারা কন্টেইটার খুলেছিলেন তারা আসলেই ভীষণ ভাগ্যবান যে সাপটি তাদের কামড়ায়নি।

দীর্ঘযাত্রার কারণে সাপটি কিছুটা নিস্তেজ হয়ে পড়েছিল। কার্পেট ভাইপার নামে পরিচিত সাপটি বর্তমানে হাসপাতালের একটি বদ্ধ কক্ষের বাক্সের মধ্যে রাখা হয়েছে।

এই প্রজাতির সাপের বিষে রয়েছে মেটালোপোটিনেস নামের এক ধরনের এনজাইম। এর ফলে এই সাপের কামড়ের কারণে রক্তক্ষরণেই আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হতেপারে।

যেভাবে বিমানে সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিল বিষাক্ত সাপ

 যুগান্তর ডেস্ক 
২১ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিমানে প্রায় সাড়ে সাত হাজার পথ পাড়ি দিয়েছে বিশ্বের অন্যতম বিষাক্ত প্রজাতির একটি সাপ।  একটি পাথর বোঝাই কন্টেইনারে লুকিয়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয় সাপটি।

বৃহস্পতিবার একটি অন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডের এক ব্যক্তি ভারত থেকে কিছু পাথর অর্ডার করেন। ওই পাথরবোঝাই কন্টেইনার খোলার পর সেখানে সাপটিকে দেখাতে পান ওই ব্যক্তি। সঙ্গে সঙ্গে তিনি স্থানীয় সাউথ এসেক্স বন্যপ্রাণী হাসপাতালে ফোন দেন। খুব সতর্কতার সঙ্গে সাপটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সাউথ এসেক্স বন্যপ্রাণী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি তাদের ফেসবুকে শেয়ার করেছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ভারত থেকে আসা একটি কন্টেইনারে সাপ পাওয়ার বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে তারা একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে পাঠান। সাপটি দেখার পর তারা বুঝতে পারেন ওই প্রজাতির সাপ ইংল্যান্ডে দেখা যায় না। 

পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন সাপটির বিশ্বের অন্যতম বিষধর সাপ। 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও জানান, যারা কন্টেইটার খুলেছিলেন তারা আসলেই ভীষণ ভাগ্যবান যে সাপটি তাদের কামড়ায়নি। 

দীর্ঘযাত্রার কারণে সাপটি কিছুটা নিস্তেজ হয়ে পড়েছিল। কার্পেট ভাইপার নামে পরিচিত সাপটি বর্তমানে হাসপাতালের একটি বদ্ধ কক্ষের বাক্সের মধ্যে রাখা হয়েছে।

এই প্রজাতির সাপের বিষে রয়েছে মেটালোপোটিনেস নামের এক ধরনের এনজাইম। এর ফলে এই সাপের কামড়ের কারণে রক্তক্ষরণেই আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন