সৌদি জোটের ভয়াবহ বিমান হামলায় হুথিদের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি
jugantor
সৌদি জোটের ভয়াবহ বিমান হামলায় হুথিদের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি

  অনলাইন ডেস্ক  

২৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০৭:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

সৌদি জোটের ভয়াবহ বিমান হামলায় হুথিদের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি

ইয়েমেনে সৌদি জোটের বিমান হামলায় হুথি বিদ্রোহীদের অন্তত ৯২ সদস্য নিহত হয়েছেন।

দেশটির কৌশলগত শহর মারিবের নিকটবর্তী দুই জেলায় এ হামলা চালানো হয়। খবর আরব নিউজের।

সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানে ১৬টি সামরিক যান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। হামলায় ৯২ জনের বেশি সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এতে হুথিদের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রায়ই মারিবের আশপাশের এলাকায় হামলার খবর জানানো হয়েছে জোটের পক্ষ থেকে।

সর্বশেষ হামলা চালানো হয়েছে যে দুই জেলায় সেগুলো হলো— আল-জুবাহ ও আল-কাস্সারাহ। আল-জুবাহ মারিব থেকে ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে ও আল-কাস্সারাহ ৩০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।

২০১৪ সালে সংঘাত শুরুর পর যুদ্ধ থেকে পালিয়ে আসা হাজার হাজার অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল মারিব। এ মারিব দখলে ফেব্রুয়ারি থেকে জোরেশোরে অভিযান শুরু করে হুথিরা। মাঝে হামলা কিছুটা কমলেও আবারও হামলা জোরদার করেছে তারা। মারিবে সংঘাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে যাওয়া ইয়েমেনের অসংখ্য নাগরিক সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করছেন।

জাতিসংঘ বলছে, মারিবে সংঘটিত সংঘাতের কারণে গত মাসে ১০ হাজারের মতো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

সৌদি জোটের ভয়াবহ বিমান হামলায় হুথিদের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি

 অনলাইন ডেস্ক 
২৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সৌদি জোটের ভয়াবহ বিমান হামলায় হুথিদের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি
ফাইল ছবি

ইয়েমেনে সৌদি জোটের বিমান হামলায় হুথি বিদ্রোহীদের অন্তত ৯২ সদস্য নিহত হয়েছেন।

দেশটির কৌশলগত শহর মারিবের নিকটবর্তী দুই জেলায় এ হামলা চালানো হয়। খবর আরব নিউজের।

সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানে ১৬টি সামরিক যান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। হামলায় ৯২ জনের বেশি সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এতে হুথিদের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রায়ই মারিবের আশপাশের এলাকায় হামলার খবর জানানো হয়েছে জোটের পক্ষ থেকে।

সর্বশেষ হামলা চালানো হয়েছে যে দুই জেলায় সেগুলো হলো— আল-জুবাহ ও আল-কাস্সারাহ। আল-জুবাহ মারিব থেকে ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে ও আল-কাস্সারাহ ৩০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।

২০১৪ সালে সংঘাত শুরুর পর যুদ্ধ থেকে পালিয়ে আসা হাজার হাজার অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল মারিব।  এ মারিব দখলে ফেব্রুয়ারি থেকে জোরেশোরে অভিযান শুরু করে হুথিরা। মাঝে হামলা কিছুটা কমলেও আবারও হামলা জোরদার করেছে তারা। মারিবে সংঘাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে যাওয়া ইয়েমেনের অসংখ্য নাগরিক সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করছেন।

জাতিসংঘ বলছে, মারিবে সংঘটিত সংঘাতের কারণে গত মাসে ১০ হাজারের মতো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন