যে কারণে আফগান চাষিদের মাথায় হাত (ভিডিও)
jugantor
যে কারণে আফগান চাষিদের মাথায় হাত (ভিডিও)

  অনলাইন ডেস্ক  

২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৬:১১:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

যে কারণে আফগান চাষিদের মাথায় হাত

তালেবানের পুনরুত্থানের পর থেকেই নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে আফগানিস্তান। দেশটিতে উৎপাদিত ফসল রপ্তানি করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন বহু কৃষক।

আফগানিস্তানের কান্দাহারের ডালিম চাষিদের দাবি, চলতি বছর উৎপাদিত ডালিমের বড় অংশ পচে গেছে। ওয়েশ চামান ও স্পিন বুলদাক সীমান্ত বন্ধ থাকার কারণে এমনটি হয়েছে। খবর টোলো নিউজের।

কান্দাহার প্রদেশের আরগিস্তান জেলার চাষি মুহাম্মাদুল্লাহ বলেন, চাষিরা ডালিম রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করেছিলেন। তবে জেলার অধিকাংশ ডালিম নষ্ট হয়ে গেছে।

‘শত শত টন ডালিম বাগানে নষ্ট হয়ে গেছে। এটি চাষিদের জন্য অত্যন্ত বাজে পরিস্থিতি। সরকারকে চ্যালেঞ্জটি দূর করতে হবে’, যোগ করেন এ চাষি।

আঘা জান নামে অপর এক চাষি বলেন, আমাদের ডালিম প্রতিদিন নষ্ট হচ্ছে। আমাদের ফসলের বাজার থাকা উচিত। একই সঙ্গে ওয়েশ-চামান সীমান্ত খুলে দেওয়া হোক।
চাষিরা শঙ্কা প্রকাশ করে জানান, যদি সীমান্ত বন্দরগুলো বন্ধ থাকে তবে তারা লাখ লাখ আফগানি ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

ফল রপ্তানি করেন এমন বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, তারা তুরখাম সীমান্ত ব্যবহার করে পাকিস্তানে ডালিম রপ্তানি করেছেন। কিন্তু এ পথ অনেক দূরে। তুরখাম সীমান্ত হয়ে রপ্তানি করতে ১৫দিন সময় লাগে। অপরদিকে ওয়েশ চামান এবং স্পিন বুলদাক হয়ে রপ্তানির জন্য সময় লাগে মাত্র তিন দিন।

আফগানিস্তানের চেম্বার অব অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড লাইভস্টক জানিয়েছে, সীমান্তে প্রতিবছরই এ ধরনের সমস্যা হয়। বিশেষ করে যখন ফল এবং সবজি বাগান ও মাঠ থেকে সংগ্রহ করা হয় তখন এ সমস্যা বেশি হয়।

আফগানিস্তানের চেম্বার অব অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড লাইভস্টকের সদস্য মীরওয়াইস হাজিজাদা বলেন, প্রতিবছর আমাদের পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্তে সমস্যা হয়। কোনো কোনো সময় শুল্ক বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এগুলো মূলত অজুহাত। এসব কারণে আমাদের উৎপাদিত ফল প্রতিবছর নষ্ট হয়।

যে কারণে আফগান চাষিদের মাথায় হাত (ভিডিও)

 অনলাইন ডেস্ক 
২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যে কারণে আফগান চাষিদের মাথায় হাত
ছবি: সংগৃহীত

তালেবানের পুনরুত্থানের পর থেকেই নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে আফগানিস্তান। দেশটিতে উৎপাদিত ফসল রপ্তানি করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন বহু কৃষক। 

আফগানিস্তানের কান্দাহারের ডালিম চাষিদের দাবি, চলতি বছর উৎপাদিত ডালিমের বড় অংশ পচে গেছে।  ওয়েশ চামান ও স্পিন বুলদাক সীমান্ত বন্ধ থাকার কারণে এমনটি হয়েছে। খবর টোলো নিউজের।

কান্দাহার প্রদেশের আরগিস্তান জেলার চাষি মুহাম্মাদুল্লাহ বলেন, চাষিরা ডালিম রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করেছিলেন। তবে জেলার অধিকাংশ ডালিম নষ্ট হয়ে গেছে। 

‘শত শত টন ডালিম বাগানে নষ্ট হয়ে গেছে। এটি চাষিদের জন্য অত্যন্ত বাজে পরিস্থিতি। সরকারকে চ্যালেঞ্জটি দূর করতে হবে’, যোগ করেন এ চাষি।

আঘা জান নামে অপর এক চাষি বলেন, আমাদের ডালিম প্রতিদিন নষ্ট হচ্ছে। আমাদের ফসলের বাজার থাকা উচিত। একই সঙ্গে ওয়েশ-চামান সীমান্ত খুলে দেওয়া হোক।
চাষিরা শঙ্কা প্রকাশ করে জানান, যদি সীমান্ত বন্দরগুলো বন্ধ থাকে তবে তারা লাখ লাখ আফগানি ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

ফল রপ্তানি করেন এমন বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, তারা তুরখাম সীমান্ত ব্যবহার করে পাকিস্তানে ডালিম রপ্তানি করেছেন। কিন্তু এ পথ অনেক দূরে। তুরখাম সীমান্ত হয়ে রপ্তানি করতে ১৫দিন সময় লাগে।  অপরদিকে ওয়েশ চামান এবং স্পিন বুলদাক হয়ে রপ্তানির জন্য সময় লাগে মাত্র তিন দিন।

আফগানিস্তানের চেম্বার অব অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড লাইভস্টক জানিয়েছে, সীমান্তে প্রতিবছরই এ ধরনের সমস্যা হয়। বিশেষ করে যখন ফল এবং সবজি বাগান ও মাঠ  থেকে সংগ্রহ করা হয় তখন এ সমস্যা বেশি হয়।

আফগানিস্তানের চেম্বার অব অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড লাইভস্টকের সদস্য মীরওয়াইস হাজিজাদা বলেন, প্রতিবছর আমাদের পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্তে সমস্যা হয়।  কোনো কোনো সময় শুল্ক বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এগুলো মূলত অজুহাত। এসব কারণে আমাদের উৎপাদিত ফল প্রতিবছর নষ্ট হয়।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন