আফগানিস্তান নিয়ে সুইডেন ও পাকিস্তানের সতর্কতা
jugantor
আফগানিস্তান নিয়ে সুইডেন ও পাকিস্তানের সতর্কতা

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৭:১৬:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

আফগানিস্তান নিয়ে সুইডেন ও পাকিস্তানের সতর্কতা

আফগানিস্তানে শিগগিরই বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে বলে সতর্ক করেছেন সুইডেন ও পাকিস্তানের দুই মন্ত্রী। এ জন্য আন্তর্জাতিক মহলকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

শনিবার সুইডেনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী মন্ত্রী পার ওলসন ফ্রিদ রয়টার্সকে বলেন, দেশটি পতনের দ্বারপ্রান্তে এবং এই পতন আমাদের ধারণার চেয়েও দ্রুত ধেয়ে আসছে।

আফগানিস্তানের অর্থনীতির দ্রুত পতন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে মাথাচাড়া দেওয়ার সুযোগ করে দিতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।

ফ্রিদ বলেন, সুইডেন তালেবানের হাত দিয়ে দেশটিতে টাকা পাঠাবে না; আফগান নাগরিক সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাধ্যমেই সেখানে মানবিক সাহায্য কার্যক্রম বাড়াবে।

এদিকে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী পরে রয়টার্সকে বলেন, তালেবানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনই আফগানিস্তানের মানবিক বিপর্যয় ঠেকানোর একমাত্র উপায়।

বিভিন্ন দেশ আফগানিস্তানের যে কয়েক বিলিয়ন ডলার আটকে রেখেছে, তা ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

দুবাইয়ে রয়টার্সকে ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, আমরা কি আফগানিস্তানকে বিশৃঙ্খলায় ঠেলে দিতে যাচ্ছি, নাকি দেশটিকে স্থিতিশীল বা তা করার চেষ্টা করতে যাচ্ছি?

আফগানিস্তানের নতুন শাসকদেরকে স্বীকৃতি এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যসহ তালেবান সদস্যদের ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও অন্যান্য বিশ্বশক্তির একটি ‘ফ্রেমওয়ার্ক’ ঠিক করার এখনই সময়।

এই কাঠামো এবং সরাসরি অর্থনৈতিক সহায়তাই দেশটির অস্থিতিশীলতা দূর করতে পারে- যোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে ফ্রিদ বলছেন, তালেবান এখন পর্যন্ত প্রমাণ দিতে পারেনি যে তারা তাদের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের নিপীড়নমূলক নীতিগুলো থেকে বেরিয়ে এসেছে।

আফগানিস্তান নিয়ে সুইডেন ও পাকিস্তানের সতর্কতা

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৫:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আফগানিস্তান নিয়ে সুইডেন ও পাকিস্তানের সতর্কতা
ফাইল ছবি

আফগানিস্তানে শিগগিরই বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে বলে সতর্ক করেছেন সুইডেন ও পাকিস্তানের দুই মন্ত্রী। এ জন্য আন্তর্জাতিক মহলকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।  

শনিবার সুইডেনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী মন্ত্রী পার ওলসন ফ্রিদ রয়টার্সকে বলেন, দেশটি পতনের দ্বারপ্রান্তে এবং এই পতন আমাদের ধারণার চেয়েও দ্রুত ধেয়ে আসছে। 

আফগানিস্তানের অর্থনীতির দ্রুত পতন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে মাথাচাড়া দেওয়ার সুযোগ করে দিতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।

ফ্রিদ বলেন, সুইডেন তালেবানের হাত দিয়ে দেশটিতে টাকা পাঠাবে না; আফগান নাগরিক সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাধ্যমেই সেখানে মানবিক সাহায্য কার্যক্রম বাড়াবে। 

এদিকে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী পরে রয়টার্সকে বলেন, তালেবানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনই আফগানিস্তানের মানবিক বিপর্যয় ঠেকানোর একমাত্র উপায়।

বিভিন্ন দেশ আফগানিস্তানের যে কয়েক বিলিয়ন ডলার আটকে রেখেছে, তা ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

দুবাইয়ে রয়টার্সকে ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, আমরা কি আফগানিস্তানকে বিশৃঙ্খলায় ঠেলে দিতে যাচ্ছি, নাকি দেশটিকে স্থিতিশীল বা তা করার চেষ্টা করতে যাচ্ছি?

আফগানিস্তানের নতুন শাসকদেরকে স্বীকৃতি এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যসহ তালেবান সদস্যদের ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও অন্যান্য বিশ্বশক্তির একটি ‘ফ্রেমওয়ার্ক’ ঠিক করার এখনই সময়।

এই কাঠামো এবং সরাসরি অর্থনৈতিক সহায়তাই দেশটির অস্থিতিশীলতা দূর করতে পারে- যোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে ফ্রিদ বলছেন, তালেবান এখন পর্যন্ত প্রমাণ দিতে পারেনি যে তারা তাদের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের নিপীড়নমূলক নীতিগুলো থেকে বেরিয়ে এসেছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আফগানিস্তানে তালেবানের পুনরুত্থান