যে কারণে গেরিলা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তালেবান (ভিডিও)
jugantor
যে কারণে গেরিলা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তালেবান (ভিডিও)

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৮:২৫:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

তালেবান

দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের পর প্রায় আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও তালেবানের অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি। তারপরও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে যতটা সম্ভব পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছে তালেবান। এরই অংশ হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সংগঠনের গেরিলা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তালেবান।

এছাড়া আফগানিস্তানের বেশকিছু সীমান্ত রক্ষার জন্যও এসব গেরিলা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলে সাউথ চীনা মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে। এসব গেরিলা যোদ্ধারা মার্কিন ও সাবেক আফগান সরকারের সেনাবাহিনীর ওপর হামলা চালাত।

এরই মধ্যে অন্তত ৫০ জন তালেবান যোদ্ধা তিন সপ্তাহের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন বলে সাউথ চীনা মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে।

ওই প্রশিক্ষণের ব্যাপারে তালেবানের রিক্রুটমেন্ট ডিরেক্টর শেখ আহমাদুল্লাহ জানান, আফগানিস্তান এখন দখলদার মুক্ত। এখন সমগ্র আফগানিস্তানই ইসলামী আমিরাতের দখলে। তাই আমরা আফগানিস্তানের যেকোনো জায়গায় যত সেনা প্রয়োজন পাঠাতে পারব।

তবে ক্ষমতা দখলের পর তালেবানের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইসলাসিক স্টেট বা আইএসের হামলা প্রতিহত করা। চলতি বছরের আগস্টের ১৫ তারিখে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তানে বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে আইএস।

যে কারণে গেরিলা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তালেবান (ভিডিও)

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৬:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
তালেবান
ছবি : প্রতীকী

দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের পর প্রায় আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও তালেবানের অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি। তারপরও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে যতটা সম্ভব পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছে তালেবান। এরই অংশ হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সংগঠনের গেরিলা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তালেবান।

এছাড়া আফগানিস্তানের বেশকিছু সীমান্ত রক্ষার জন্যও এসব গেরিলা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলে সাউথ চীনা মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।  এসব গেরিলা যোদ্ধারা মার্কিন ও সাবেক আফগান সরকারের সেনাবাহিনীর ওপর হামলা চালাত।

এরই মধ্যে অন্তত ৫০ জন তালেবান যোদ্ধা তিন সপ্তাহের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন বলে সাউথ চীনা মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে।

ওই প্রশিক্ষণের ব্যাপারে তালেবানের রিক্রুটমেন্ট ডিরেক্টর শেখ আহমাদুল্লাহ জানান, আফগানিস্তান এখন দখলদার মুক্ত। এখন সমগ্র আফগানিস্তানই ইসলামী আমিরাতের দখলে। তাই আমরা আফগানিস্তানের যেকোনো জায়গায় যত সেনা প্রয়োজন পাঠাতে পারব।

তবে ক্ষমতা দখলের পর তালেবানের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইসলাসিক স্টেট বা আইএসের হামলা প্রতিহত করা। চলতি বছরের আগস্টের ১৫ তারিখে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তানে বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে আইএস।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন