চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরে যুক্তরাষ্ট্রের নাশকতার ছক!
jugantor
চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরে যুক্তরাষ্ট্রের নাশকতার ছক!

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ২০:২৭:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

চীন

চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের (সিপিইসি) বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছে সিপিইসি কর্তৃপক্ষ।

পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচিতে শনিবার অনুষ্ঠিত সিপিইসি সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় ইমরান খানের বিশেষ সহকারী ও সিপিইসি কমিটির প্রধান খালিদ মনসুর এই অভিযোগ করেন বলে প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৫ সালে পাকিস্তান সফরকালে এই উচ্চাভিলাষী প্রকল্পটি চালু করেন। বহু বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পকে বলা হয় পাকিস্তানের অর্থনীতির লাইফ লাইন।

এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো চীনের পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে পাকিস্তানের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের সংযোগের জন্য সড়ক ও রেলপথ স্থাপন। এছাড়া এই প্রকল্পের আওতায় পাকিস্তানের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নও রয়েছে।

দ্বিপাক্ষিক এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে মার্কিন নাকশকতার ছকের অভিযোগ তুলে খালিদ মনসুর বলেন, ‘উদীয়মান ভূ-কৌশলগত পরিস্থিতির দৃষ্টিকোণ থেকে, একটি বিষয় পরিষ্কার: ভারত সমর্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিপিইসি প্রকল্পের প্রতি বিরূপ মনোভাব রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এই প্রকল্পের সফলতা চায় না। এ ব্যাপারে পাকিস্তানের একটা অবস্থান নিতে হবে বলেও জানান তিনি।

চীনের বৈদেশিক উন্নয়ন অর্থায়নের সপ্তম বৃহত্তম গ্রাহক ইসলামাবাদ। সিপিইসির আওতায় পাকিস্তানে চীনের ২ হাজার ৭৩০ কোটি ডলারের ৭১টি প্রকল্প চলমান রয়েছে।

অবশ্য সিপিইসিকে একটি অর্থনৈতিক ফাঁদ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন অনেক পশ্চিমা থিংক ট্যাঙ্ক এবং সমালোচকরা। তাদের মতে এই প্রকল্পের ফলে পাকিস্তানের জনসাধারণের ঋণের পরিমাণ বেড়েছে। এমনকি পাকিস্তানি অর্থনীতিতে চীনের প্রভাবের মাত্রাও বেড়ে গেছে।

চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরে যুক্তরাষ্ট্রের নাশকতার ছক!

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৮:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চীন
ছবি : প্রতীকী

চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের (সিপিইসি) বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছে সিপিইসি কর্তৃপক্ষ। 

পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচিতে শনিবার অনুষ্ঠিত সিপিইসি সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় ইমরান খানের বিশেষ সহকারী ও সিপিইসি কমিটির প্রধান খালিদ মনসুর এই অভিযোগ করেন বলে প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৫ সালে পাকিস্তান সফরকালে এই উচ্চাভিলাষী প্রকল্পটি চালু করেন।  বহু বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পকে বলা হয় পাকিস্তানের অর্থনীতির লাইফ লাইন। 

এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো চীনের পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে পাকিস্তানের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের সংযোগের জন্য সড়ক ও রেলপথ স্থাপন। এছাড়া এই প্রকল্পের আওতায় পাকিস্তানের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নও রয়েছে। 

দ্বিপাক্ষিক এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে মার্কিন নাকশকতার ছকের অভিযোগ তুলে খালিদ মনসুর বলেন, ‘উদীয়মান ভূ-কৌশলগত পরিস্থিতির দৃষ্টিকোণ থেকে, একটি বিষয় পরিষ্কার: ভারত সমর্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিপিইসি প্রকল্পের প্রতি বিরূপ মনোভাব রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এই প্রকল্পের সফলতা চায় না। এ ব্যাপারে পাকিস্তানের একটা অবস্থান নিতে হবে বলেও জানান তিনি।

চীনের বৈদেশিক উন্নয়ন অর্থায়নের সপ্তম বৃহত্তম গ্রাহক ইসলামাবাদ। সিপিইসির আওতায় পাকিস্তানে চীনের ২ হাজার ৭৩০ কোটি ডলারের ৭১টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। 

অবশ্য সিপিইসিকে একটি অর্থনৈতিক ফাঁদ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন অনেক পশ্চিমা থিংক ট্যাঙ্ক এবং সমালোচকরা। তাদের মতে এই প্রকল্পের ফলে  পাকিস্তানের জনসাধারণের ঋণের পরিমাণ বেড়েছে। এমনকি পাকিস্তানি অর্থনীতিতে চীনের প্রভাবের মাত্রাও বেড়ে গেছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন