স্ত্রীর কবল থেকে বাঁচতে কারাগারকেই বেছে নিলেন যুবক
jugantor
স্ত্রীর কবল থেকে বাঁচতে কারাগারকেই বেছে নিলেন যুবক

  অনলাইন ডেস্ক  

২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৩:২৩:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

কারাগার মানেই সব স্বাধীনতার অবসান ঘটিয়ে বন্দি জীবন কাটানো। তাই তো সব অপরাধীকেই ঠাঁই হয় কারাগারে। কিন্তু বউ বেশি ভয়ংকর নাকি কারাগার, এই নিয়ে নানা কৌতুকের প্রচলন থাকলেও স্ত্রীকে ছেড়ে কিন্তু কারাগারকেই বেছে নিয়েছেন এক যুবক।

বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে আরব নিউজ সোমবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গৃহবন্দি ওই যুবক বাড়িতে স্ত্রীর সঙ্গে বসবাস করতে গিয়ে একদম বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। তাই ওই যুবক সোজা পুলিশের কাছে গিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর অনুরোধ করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আলবেনিয়ান নাগরিক ওই যুবক ইতালির রাজধানী রোমের উপকন্ঠে গুইডোনিয়া মন্টেসেলিওতে বাস করেন। কয়েকমাস আগে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে গৃহবন্দি রাখার রায় দেন আদালত। এখনো কয়েকবছর সাজা বাকি আছে তার।

কিন্তু গৃহবন্দি হওয়ার কয়েক মাসের মাথায় স্ত্রীর ওপর ভীষণ বিরক্ত হয়ে যান তিনি। বাড়ির পরিবেশ তার অসহ্য লাগতে শুরু করে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গৃহবন্দি অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে এক বাড়িতে তিনি আর থাকতে পারছিলেন না। পরে তিনি পুলিশের কাছে দিয়ে বলেন, আমার এই গৃহবন্দি জীবন একদম নরক হয়ে গেছে। আমি আর পারছি না, আমি জেলে যেতে চাই।

অবশ্য বাড়ি থেকে পুলিশের কাছে যাওয়ায়, গৃহবন্দিত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়। বিচারকরা তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

স্ত্রীর কবল থেকে বাঁচতে কারাগারকেই বেছে নিলেন যুবক

 অনলাইন ডেস্ক 
২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৩:২৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কারাগার মানেই সব স্বাধীনতার অবসান ঘটিয়ে বন্দি জীবন কাটানো।  তাই তো সব অপরাধীকেই ঠাঁই হয় কারাগারে। কিন্তু বউ বেশি ভয়ংকর নাকি কারাগার, এই নিয়ে নানা কৌতুকের প্রচলন থাকলেও স্ত্রীকে ছেড়ে কিন্তু কারাগারকেই বেছে নিয়েছেন এক যুবক।

বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে আরব নিউজ সোমবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গৃহবন্দি ওই যুবক বাড়িতে স্ত্রীর সঙ্গে বসবাস করতে গিয়ে একদম বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। তাই ওই যুবক সোজা পুলিশের কাছে গিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর অনুরোধ করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আলবেনিয়ান নাগরিক ওই যুবক ইতালির রাজধানী রোমের উপকন্ঠে গুইডোনিয়া মন্টেসেলিওতে বাস করেন।  কয়েকমাস আগে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে গৃহবন্দি রাখার রায় দেন আদালত। এখনো কয়েকবছর সাজা বাকি আছে তার। 

কিন্তু গৃহবন্দি হওয়ার কয়েক মাসের মাথায় স্ত্রীর ওপর ভীষণ বিরক্ত হয়ে যান তিনি। বাড়ির পরিবেশ তার অসহ্য লাগতে শুরু করে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গৃহবন্দি অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে এক বাড়িতে তিনি আর থাকতে পারছিলেন না।  পরে তিনি পুলিশের কাছে দিয়ে বলেন, আমার এই গৃহবন্দি জীবন একদম নরক হয়ে গেছে। আমি আর পারছি না, আমি জেলে যেতে চাই। 

অবশ্য বাড়ি থেকে পুলিশের কাছে যাওয়ায়, গৃহবন্দিত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়।  বিচারকরা তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন