আকাশছোঁয়া দ্রব্যমূল্যের কারণে যে শঙ্কা ঘিরে ধরেছে আফগানদের
jugantor
আকাশছোঁয়া দ্রব্যমূল্যের কারণে যে শঙ্কা ঘিরে ধরেছে আফগানদের

  অনলাইন ডেস্ক  

২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৬:১৪:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

আকাশছোঁয়া দ্রব্যমূল্যের কারণে যে শঙ্কা ঘিরে ধরেছে আফগানদের

আফগানিস্তানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম আকাশচুম্বী। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন দেশটির নাগরিকরা। বাজার এমন থাকলে সামনের দিনগুলোতে পরিবারের সদস্যদের মুখে খাবার তুলে দিতে পারবেন কিনা তা নিয়ে এখন শঙ্কার মধ্যে দিন পার করছেন আফগানরা।

আফগানিস্তানের গণমাধ্যম টোলো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে দেশটির বেশ কয়েকজন নাগরিক নিজেদের উদ্বেগের কথা জানান।

তারা জানান, শীতের আগে অর্থনৈতিক মন্দা এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি তাদের চিন্তিত করে তুলেছে।

একটি দোকানের মালিক আব্দুল মারুফ বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে যে পরিমাণ পণ্যের উৎপাদন হচ্ছে তা যথেষ্ট নয়। দ্রব্যমূল্য বেশি হওয়ার কারণ হচ্ছে পণ্যগুলো আমদানি করা।

এদিকে বেশ কিছু কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি খরার কারণে ফসল উৎপাদন গত বছরের চেয়ে কম হয়েছে। গত বছরের খরার চেয়ে এ বছরের খরা আরও বেশি মারাত্মক। যে কূপগুলো কৃষি জমিতে সেচের জন্য ব্যবহার করা হতো সেগুলো শুকিয়ে গেছে।

নাসরাতুল্লাহ নামের এক কৃষক বলেন, পাহাড় থেকে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহিত হতো বলে পাঁচ বছর আগে পরিস্থিতি ভালো ছিল। এখন কূপ আর ঝরনাগুলো শুকিয়ে গেছে।

খরা এবং দেশে রাজনৈতিক সংকটের কারণেই মূলত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিশেষ করে খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ।

দেশটির কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে, আফগানিস্তানের অধিকাংশ পণ্য প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আমদানি করা।

মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী আব্দুর রহমান রাশিদ বলেন, গম ও চাল আমদানি করা হয় তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, কাজাখস্তান ও পাকিস্তান থেকে। আমাদের এসব পণ্য আমদানি করতে হয়। কেননা, আফগানিস্তান খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।

কৃষি দেশটিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত হওয়ার পরও অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে আফগানিস্তানকে আমদানি পণ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়।

আকাশছোঁয়া দ্রব্যমূল্যের কারণে যে শঙ্কা ঘিরে ধরেছে আফগানদের

 অনলাইন ডেস্ক 
২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আকাশছোঁয়া দ্রব্যমূল্যের কারণে যে শঙ্কা ঘিরে ধরেছে আফগানদের
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম আকাশচুম্বী।  এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন দেশটির নাগরিকরা। বাজার এমন থাকলে সামনের দিনগুলোতে পরিবারের সদস্যদের মুখে খাবার তুলে দিতে পারবেন কিনা তা নিয়ে এখন শঙ্কার মধ্যে দিন পার করছেন আফগানরা।

আফগানিস্তানের গণমাধ্যম টোলো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে দেশটির বেশ কয়েকজন নাগরিক নিজেদের উদ্বেগের কথা জানান।

তারা জানান, শীতের আগে অর্থনৈতিক মন্দা এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি তাদের চিন্তিত করে তুলেছে।

একটি দোকানের মালিক আব্দুল মারুফ বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে যে পরিমাণ পণ্যের উৎপাদন হচ্ছে তা যথেষ্ট নয়।  দ্রব্যমূল্য বেশি হওয়ার কারণ হচ্ছে পণ্যগুলো আমদানি করা।

এদিকে বেশ কিছু কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি খরার কারণে ফসল উৎপাদন গত বছরের চেয়ে কম হয়েছে। গত বছরের খরার চেয়ে এ বছরের খরা আরও বেশি মারাত্মক। যে কূপগুলো কৃষি জমিতে সেচের জন্য ব্যবহার করা হতো সেগুলো শুকিয়ে গেছে।

নাসরাতুল্লাহ নামের এক কৃষক বলেন, পাহাড় থেকে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহিত হতো বলে পাঁচ বছর আগে পরিস্থিতি ভালো ছিল। এখন কূপ আর ঝরনাগুলো শুকিয়ে গেছে।

খরা এবং দেশে রাজনৈতিক সংকটের কারণেই মূলত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিশেষ করে খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ।

দেশটির কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে, আফগানিস্তানের অধিকাংশ পণ্য প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আমদানি করা।

মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী আব্দুর রহমান রাশিদ বলেন, গম ও চাল আমদানি করা হয় তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, কাজাখস্তান ও পাকিস্তান থেকে। আমাদের এসব পণ্য আমদানি করতে হয়। কেননা, আফগানিস্তান খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।

কৃষি দেশটিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত হওয়ার পরও অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে আফগানিস্তানকে আমদানি পণ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আফগানিস্তানে তালেবানের পুনরুত্থান