কূটনীতিক ইস্যুতে যে কারণে পিছু হটলেন এরদোগান
jugantor
কূটনীতিক ইস্যুতে যে কারণে পিছু হটলেন এরদোগান

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:১৯:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান তার দেশে নিযুক্ত ১০টি পশ্চিমা দেশের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। গত সপ্তাহে সে দেশে নিযুক্ত ১০ রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এরপর সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর তার সুর নরম শোনা গেছে।

তুরস্কের ব্যবসায়ী ও দাতা ওসমান কাভালাকে দোষী সাব্যস্ত না করে গত চার বছর ধরে জেলে রাখা হয়েছে। তাকে মুক্তি দিতে সম্প্রতি জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূত তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল। সে কারণে এরদোগান তাদের অবাঞ্ছিত করতে চেয়েছিলেন।

তবে সোমবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকের পর এরদোগান বলেন, দূতাবাসগুলো আমাদের দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর প্রক্রিয়া থেকে সরে এসেছে। আমার বিশ্বাস ওই রাষ্ট্রদূতেরা তুরস্কের সার্বভৌমত্ব নিয়ে বিবৃতি দিতে ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন।

এরদোগানের এই বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস টুইটারে জানায়, কূটনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ে ভিয়েনা কনভেনশনের ৪১ ধারায় কোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এই ধারার প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ বলেও টুইটে জানানো হয়।

অবশ্য তুরস্কের অভ্যন্তরীণ সমস্যা থেকে সাধারণ নাগরিকদের নজর সরানোর জন্য এরদোগান এই কূটনীতিক ইস্যু সামনে এনেছিলেন বলে জার্মানির হামবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের তুর্কি রাজনীতি বিষয়ের বিশেষজ্ঞ শার্লট ইওপিয়েন বলেছেন।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,গত কয়েকমাস ধরে এরদোগানের জনপ্রিয়তা কমছে দেশটির জরিপ সংস্থা আভরাসিয়া জানিয়েছে, এরদোগানের একেপি পার্টির সমর্থন এখন ৩০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে।

এছাড়া এরদোগানের বিরোধী দল সিএইচপি ও আইওয়াইআই পার্টির প্রতি সমর্থন এখন ৪০ শতাংশের বেশি বলে জরিপে দেখা গেছে। এমনকি এরদোগানের বিরোধীদের মধ্যে এর আগে খুব একটা মিল না থাকলে বর্তমানে তাদের এক ছাতার তলার আসতে দেখা যাচ্ছে।

কূটনীতিক ইস্যুতে যে কারণে পিছু হটলেন এরদোগান

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৭ অক্টোবর ২০২১, ১০:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান তার দেশে নিযুক্ত ১০টি পশ্চিমা দেশের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। গত সপ্তাহে সে দেশে নিযুক্ত ১০ রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এরপর সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর তার সুর নরম শোনা গেছে।

তুরস্কের ব্যবসায়ী ও দাতা ওসমান কাভালাকে দোষী সাব্যস্ত না করে গত চার বছর ধরে জেলে রাখা হয়েছে। তাকে মুক্তি দিতে সম্প্রতি জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূত তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল। সে কারণে এরদোগান তাদের অবাঞ্ছিত করতে চেয়েছিলেন। 

তবে সোমবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকের পর এরদোগান বলেন, দূতাবাসগুলো আমাদের দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর প্রক্রিয়া থেকে সরে এসেছে। আমার বিশ্বাস ওই রাষ্ট্রদূতেরা তুরস্কের সার্বভৌমত্ব নিয়ে বিবৃতি দিতে ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন।

এরদোগানের এই বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস টুইটারে জানায়, কূটনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ে ভিয়েনা কনভেনশনের ৪১ ধারায় কোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এই ধারার প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ বলেও টুইটে জানানো হয়।

অবশ্য তুরস্কের অভ্যন্তরীণ সমস্যা থেকে সাধারণ নাগরিকদের নজর সরানোর জন্য এরদোগান এই কূটনীতিক ইস্যু সামনে এনেছিলেন বলে জার্মানির হামবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের তুর্কি রাজনীতি বিষয়ের বিশেষজ্ঞ শার্লট ইওপিয়েন বলেছেন। 

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,গত কয়েকমাস ধরে এরদোগানের জনপ্রিয়তা কমছে দেশটির জরিপ সংস্থা আভরাসিয়া জানিয়েছে, এরদোগানের একেপি পার্টির সমর্থন এখন ৩০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে।

এছাড়া এরদোগানের বিরোধী দল সিএইচপি ও আইওয়াইআই পার্টির প্রতি সমর্থন এখন ৪০ শতাংশের বেশি বলে জরিপে দেখা গেছে। এমনকি এরদোগানের বিরোধীদের মধ্যে এর আগে খুব একটা মিল না থাকলে বর্তমানে তাদের এক ছাতার তলার আসতে দেখা যাচ্ছে। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন