চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ
jugantor
চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

  অনলাইন ডেস্ক  

২৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:৩৫:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষারঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মার্ক মিলি। এটাকেতিনি স্পুটনিক মোমেন্টের নিকটবর্তী ঘটনা হিসেবেউল্লেখ করেছেন।

ভয়াবহ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হওয়াকে ‘স্পুটনিক মোমেন্ট’ বলা হয়। স্পুটনিক-১ বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ যা ১৯৫৭ খ্রীস্টাব্দের অক্টোবর ৪ তারিখে উৎক্ষেপণ করা হয়। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এটি উৎক্ষেপণ করে। স্পুটনিক ১-এর মহাকাশে প্রেরণের মাধ্যমে মহাকাশ যুগের সূচনা হয়।

চলতি বছরের আগস্টে চীন পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে বলে দাবি করে সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস। তাদের খবরে বলা হয়, ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি পৃথিবীর কক্ষপথে পরিভ্রমণের পর ভূপৃষ্ঠে নেমে আসে। তবে সেটি নির্ধারিত লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারেনি। যদিও এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কথা নাকচ করেছে চীন।

গতানুগতিক ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র বেশ উন্নত। শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি গতিতে ছুটতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এ ছাড়া হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের যে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, তাতে তা শনাক্ত ও ঠেকানো বেশ কঠিন।

চীনের এই কর্মকাণ্ডের জেরে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী মুখপাত্র রবার্ট উড বলেন, রাশিয়ার কাছেও হাইপারসনিক প্রযুক্তি রয়েছে। এক পক্ষ এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করলে, অন্যান্য দেশও অন্তত নিজেদের প্রতিরক্ষার স্বার্থে একই প্রযুক্তি করায়ত্ত করতে চাইবে। এতে একধরনের অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ব্লুমবার্গ টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ মার্ক মিলি চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকেপ্রযুক্তির তাৎপর্যপূর্ণ উৎকর্ষসাধনহিসেবে উল্লেখ করেন।

মার্ক মিলি বলেন, আমি সঠিক বলতে পারছি না এটা স্পুটনিক মোমেন্ট কী না, কিন্তু আমি মনে করি এটা তার নিকটবর্তী। এ সময় তিনি চীনের এই পরীক্ষাকে খুবই উদ্বেগজনক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেন।

চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

 অনলাইন ডেস্ক 
২৭ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মার্ক মিলি। এটাকে তিনি স্পুটনিক মোমেন্টের নিকটবর্তী ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। 

ভয়াবহ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হওয়াকে ‘স্পুটনিক মোমেন্ট’ বলা হয়। স্পুটনিক-১ বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ যা ১৯৫৭ খ্রীস্টাব্দের অক্টোবর ৪ তারিখে উৎক্ষেপণ করা হয়। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এটি উৎক্ষেপণ করে। স্পুটনিক ১-এর মহাকাশে প্রেরণের মাধ্যমে মহাকাশ যুগের সূচনা হয়।

চলতি বছরের আগস্টে চীন পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে বলে দাবি করে সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস। তাদের খবরে বলা হয়, ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি পৃথিবীর কক্ষপথে পরিভ্রমণের পর ভূপৃষ্ঠে নেমে আসে। তবে সেটি নির্ধারিত লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারেনি। যদিও এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কথা নাকচ করেছে চীন।

গতানুগতিক ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র বেশ উন্নত। শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি গতিতে ছুটতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এ ছাড়া হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের যে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, তাতে তা শনাক্ত ও ঠেকানো বেশ কঠিন।

চীনের এই কর্মকাণ্ডের জেরে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী মুখপাত্র রবার্ট উড বলেন, রাশিয়ার কাছেও হাইপারসনিক প্রযুক্তি রয়েছে। এক পক্ষ এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করলে, অন্যান্য দেশও অন্তত নিজেদের প্রতিরক্ষার স্বার্থে একই প্রযুক্তি করায়ত্ত করতে চাইবে। এতে একধরনের অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আশঙ্কা থাকে। 

ব্লুমবার্গ টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ মার্ক মিলি চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে প্রযুক্তির তাৎপর্যপূর্ণ উৎকর্ষসাধন হিসেবে উল্লেখ করেন। 

মার্ক মিলি বলেন, আমি সঠিক বলতে পারছি না এটা স্পুটনিক মোমেন্ট কী না, কিন্তু আমি মনে করি এটা তার নিকটবর্তী। এ সময় তিনি চীনের এই পরীক্ষাকে খুবই উদ্বেগজনক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেন। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন