২০২৫ সালে আকাশে উড়বে ট্যাক্সি
jugantor
২০২৫ সালে আকাশে উড়বে ট্যাক্সি

  যুগান্তর ডেস্ক  

১১ নভেম্বর ২০২১, ১৭:৪৫:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

যানজটে আটকে বিরক্ত হওয়ার দিন শিগগিরই শেষ হতে চলছে। ২০২৫ সালের মধ্যে আকাশপথে ট্যাক্সি পরিবহন সেবা (ইউএএম) চালু করতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। রাজধানী সিউল থেকে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন শহরের বিমানবন্দরে চলাচল করবে এয়ার ট্যাক্সি। এতে যাতায়াতের সময় দুই-তৃতীয়াংশ কমবে বলে মনে করা আশা করা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

রাজধানী সিউলে বৃহস্পতিবার এয়ার ট্যাক্সি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে তার পরীক্ষা করা হয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

গত বছর দক্ষিণ কোরিয়া ২০২৫ সালের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে আকাশ পথে যাতায়াত শুরুর একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিল। দেশটির পরিবহণ মন্ত্রণালয় ধারণা করেছিল, এয়ার ট্যাক্সি সার্ভিস ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটারি দূরত্বে যাতায়াতের সময় এক ঘণ্টা থেকে ২০ মিনিটে কমিয়ে আনবে। গাড়িতে যে দূরত্বে যেতে এক ঘণ্টা সময় লাগে এয়ার ট্যাক্সিতেএকই দূরত্ব ২০ মিনিটে পাড়ি দেওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার এয়ার ট্যাক্সির পরীক্ষার সময় উপস্থিত ছিলেন দেশটি পরিবহন মন্ত্রী নোহ হায়ং-ওক। তিনি এক বিবৃতিতে জানান, আশা করা হচ্ছে ইউএএম মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বহুল ব্যবহৃত একটি পরিবহনে পরিণত হবে। এই বিভিন্ন পর্যায়ে এই ইউএএম সার্ভিস পরীক্ষা ও চালিয়ে দেখা অপরিহার্য।

একজন পাইলট সিউলের গিমপো এয়ারপোর্টে জার্মানির ভোলোকপ্টারের তৈরি দুই আসন বিশিষ্ট একটি এয়ার ট্যাক্সি পরীক্ষামূলকভাবে চালান। সেটির নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বয়ব্যবস্থাও দেখানো হয়।

এয়ার ট্যাক্সি হেলিকপ্টারের মতো রোটরের সাহায্যে উঠানামা করতে পারে। চালক ছাড়া অটোপাইলটের মাধ্যমেও এই এয়ার ট্যাক্সি চালানো যায়।

তবে যাত্রী থাকলে নিরাপত্তার জন্য এয়ার ট্যাক্সিতে অবশ্যই একজন চালক থাকতে হবে বলে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এর ফলে সাধারণ মানুষের কাছেও এই এয়ার ট্যাক্সির গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে বলেও জানান তিনি।

২০১৫ সালে বাণিজ্যিক ভাবে এর কার্যক্রম শুরু হলে সিউলের ইনচন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে সেন্ট্রাল সিউলে এয়ার ট্যাক্সিতে যেতে ৯৩ ডলারের মতো ভাড়া লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যা রাস্তায় চলাচল করা ট্যাক্সিগুলোর চেয়ে অনেক বেশি। তবে এই ট্যাক্সির বহুল ব্যবহার শুরু হলে ২০৩৫ সাল নাগাদ এই পথে যাতায়াতের ভাড়া ১৭ ডলারে নেমে আসবে বলে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

২০২৫ সালে আকাশে উড়বে ট্যাক্সি

 যুগান্তর ডেস্ক 
১১ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যানজটে আটকে বিরক্ত হওয়ার দিন শিগগিরই শেষ হতে চলছে। ২০২৫ সালের মধ্যে আকাশপথে ট্যাক্সি পরিবহন সেবা (ইউএএম) চালু করতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া।  রাজধানী সিউল থেকে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন শহরের বিমানবন্দরে চলাচল করবে এয়ার ট্যাক্সি। এতে যাতায়াতের সময় দুই-তৃতীয়াংশ কমবে বলে মনে করা আশা করা হচ্ছে।  বার্তা সংস্থা রয়টার্স বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে  এ খবর জানিয়েছে।

রাজধানী সিউলে বৃহস্পতিবার এয়ার ট্যাক্সি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ  করা হবে তার পরীক্ষা করা হয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

গত বছর দক্ষিণ কোরিয়া ২০২৫ সালের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে আকাশ পথে যাতায়াত শুরুর একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিল।  দেশটির পরিবহণ মন্ত্রণালয় ধারণা করেছিল, এয়ার ট্যাক্সি সার্ভিস ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটারি দূরত্বে যাতায়াতের সময় এক ঘণ্টা থেকে ২০ মিনিটে কমিয়ে আনবে।  গাড়িতে যে দূরত্বে  যেতে এক ঘণ্টা সময় লাগে এয়ার ট্যাক্সিতে একই দূরত্ব ২০ মিনিটে পাড়ি দেওয়া যাবে। 

বৃহস্পতিবার এয়ার ট্যাক্সির পরীক্ষার সময় উপস্থিত ছিলেন দেশটি পরিবহন মন্ত্রী নোহ হায়ং-ওক। তিনি এক বিবৃতিতে জানান, আশা করা হচ্ছে ইউএএম মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বহুল ব্যবহৃত একটি পরিবহনে পরিণত হবে।  এই বিভিন্ন পর্যায়ে এই ইউএএম সার্ভিস পরীক্ষা ও চালিয়ে দেখা  অপরিহার্য। 

একজন পাইলট সিউলের গিমপো এয়ারপোর্টে জার্মানির ভোলোকপ্টারের তৈরি দুই আসন বিশিষ্ট একটি এয়ার ট্যাক্সি পরীক্ষামূলকভাবে চালান। সেটির নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বয়ব্যবস্থাও দেখানো হয়। 

এয়ার ট্যাক্সি হেলিকপ্টারের মতো রোটরের সাহায্যে উঠানামা করতে পারে। চালক ছাড়া অটোপাইলটের মাধ্যমেও এই এয়ার ট্যাক্সি চালানো যায়। 

তবে যাত্রী থাকলে নিরাপত্তার জন্য এয়ার ট্যাক্সিতে অবশ্যই একজন চালক থাকতে হবে বলে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এর ফলে সাধারণ মানুষের কাছেও এই এয়ার ট্যাক্সির গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে বলেও জানান তিনি।

২০১৫ সালে বাণিজ্যিক ভাবে এর কার্যক্রম শুরু হলে সিউলের ইনচন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে সেন্ট্রাল সিউলে এয়ার ট্যাক্সিতে যেতে ৯৩ ডলারের মতো ভাড়া লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যা রাস্তায় চলাচল করা ট্যাক্সিগুলোর চেয়ে অনেক বেশি।  তবে এই ট্যাক্সির বহুল ব্যবহার শুরু হলে ২০৩৫ সাল নাগাদ এই পথে যাতায়াতের ভাড়া ১৭ ডলারে নেমে আসবে বলে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন