ইকুয়েডরে কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ৬৮ বন্দি
jugantor
ইকুয়েডরে কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ৬৮ বন্দি

  অনলাইন ডেস্ক  

১৪ নভেম্বর ২০২১, ০৯:১০:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ইকুয়েডরের গুয়াকিল শহরের লিটোরাল পেনিটেনশিয়ারি এলাকায় একটি কারাগারে বন্দির মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষে অন্তত ৬৮ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ৩০-৪০ জন বন্দি।

স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় কারাগারটিতে বন্দি মাদক ব্যবসায়ী দুগ্রুপের মধ্যে ওই দাঙ্গা শুরু হয়েছিল বলে জানা গেছে। কারা অভ্যন্তরে প্রবেশ করে পুলিশ সেখানে বন্দুক এবং বিস্ফোরক খুঁজে পায়। খবর বিবিসি, আরব নিউজ ও আনাদোলুর।

এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে ওই কারাগারে প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপগুলোর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ১১৯ জন বন্দি মারা গিয়েছিল।

দেশটির কারাগারগুলোতে চলতি বছর দাঙ্গায় এ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ বন্দির মৃত্যু হয়েছে। ইকুয়েডরের ইতিহাসে কারাগারে সংঘটিত সহিংসতায় আগে কখনও এত কয়েদি হতাহত হননি।

কারাগারের এক শাখার বন্দিরা একটি গর্ত দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে অন্য শাখায় প্রবেশ করেছিল। সেখানকার প্রতিদ্বন্দ্বী গ্যাংয়ের ওপর হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছিল। কমপ্লেক্সের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের জন্য শত শত অফিসার এবং সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল।

এ মাসের শুরুর দিকে সেখানে সংঘর্ষের পর তিনজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।

ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট গুইলারমো ল্যাসো বলেছেন, তার সরকার শুধু কারাগারই নয় ইকুয়েডরের মাদক পাচারকারীদের অঞ্চলেও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে।

গুইলারমো মাদক পাচারের বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে আগের সরকারের ব্যর্থতার কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশে মাদকের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার মোকাবিলা করতে এক দশকেরও বেশি সময় লাগবে।

ইকুয়েডরে কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ৬৮ বন্দি

 অনলাইন ডেস্ক 
১৪ নভেম্বর ২০২১, ০৯:১০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইকুয়েডরের গুয়াকিল শহরের লিটোরাল পেনিটেনশিয়ারি এলাকায় একটি কারাগারে বন্দির মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষে অন্তত ৬৮ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ৩০-৪০ জন বন্দি।

স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় কারাগারটিতে বন্দি মাদক ব্যবসায়ী দুগ্রুপের মধ্যে ওই দাঙ্গা শুরু হয়েছিল বলে জানা গেছে। কারা অভ্যন্তরে প্রবেশ করে পুলিশ সেখানে বন্দুক এবং বিস্ফোরক খুঁজে পায়। খবর বিবিসি, আরব নিউজ ও আনাদোলুর।

এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে ওই কারাগারে প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপগুলোর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ১১৯ জন বন্দি মারা গিয়েছিল।

দেশটির কারাগারগুলোতে চলতি বছর দাঙ্গায় এ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ বন্দির মৃত্যু হয়েছে। ইকুয়েডরের ইতিহাসে কারাগারে সংঘটিত সহিংসতায় আগে কখনও এত কয়েদি হতাহত হননি।

কারাগারের এক শাখার বন্দিরা একটি গর্ত দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে অন্য শাখায় প্রবেশ করেছিল। সেখানকার প্রতিদ্বন্দ্বী গ্যাংয়ের ওপর হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছিল। কমপ্লেক্সের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের জন্য শত শত অফিসার এবং সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল।

এ মাসের শুরুর দিকে সেখানে সংঘর্ষের পর তিনজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।

ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট গুইলারমো ল্যাসো বলেছেন, তার সরকার শুধু কারাগারই নয় ইকুয়েডরের মাদক পাচারকারীদের অঞ্চলেও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে।

গুইলারমো মাদক পাচারের বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে আগের সরকারের ব্যর্থতার কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশে মাদকের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার মোকাবিলা করতে এক দশকেরও বেশি সময় লাগবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন