‘সু চির সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হচ্ছে না’
jugantor
‘সু চির সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হচ্ছে না’

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৬ নভেম্বর ২০২১, ১৫:০৫:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

‘সু চির সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হচ্ছে না’

মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে আটক রাখা হলেও তার সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করা হচ্ছে না। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন দাবি করেছেন মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল জ মিন তুন।
তিনি বলেছেন, কারাগারে সু চি ভালো আছেন।

আমি বলতে চাচ্ছি— বাসায় লোকজন যেমন থাকেন, আমরা সু চিকেও সেভাবে রেখেছি, যদিও তিনি গৃহবন্দি আছেন। তার জন্য আমরা সর্বোচ্চটুকু করছি। তিনি যা চাইছেন তাই পাচ্ছেন। তিনি যা খেতে চাচ্ছেন তা পাচ্ছেন।
চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান হয়। আটক করা হয় অং সান সু চিকে। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। ওয়াকিটকি আমদানি, রাষ্ট্রদ্রোহ ও দুর্নীতির অভিযোগও আনা হয়েছে সু চির বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ প্রমাণ হলে মিয়ানমারের আইনে তার কয়েক দশকের জেল হতে পারে।

মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সু চির বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০২০ সালের নির্বাচনে জালিয়াতির নতুন অভিযোগ এনেছে জান্তা।
তাকে বারবার আদালতে হাজির করা হলেও তাকে জনসমক্ষে আনা হচ্ছে না। সু চির মুক্তি দাবি করেছে জাতিসংঘ।

অভ্যুত্থানের পর থেকে বেশ কয়েক সাংবাদিকসহ হাজারও মানুষকে আটক রাখা হয়েছে মিয়ানমারে। সোমবার মিয়ানমারে কারাবন্দি মার্কিন সাংবাদিক ড্যানি ফেনস্টারকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আটকের পর থেকে ১৭৬ দিন কারাগারে ছিলেন ফেনস্টার। ১১ বছরের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছিল।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে জ মিন তুন দাবি করেন, ফেনস্টারকে মুক্তি দেওয়ার সদিচ্ছা ছিল তাদের। কোনো শর্ত সাপেক্ষে ফেনস্টারকে মুক্তি দেওয়া হয়নি।

‘সু চির সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হচ্ছে না’

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৬ নভেম্বর ২০২১, ০৩:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘সু চির সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হচ্ছে না’
ফাইল ছবি

মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে আটক রাখা হলেও তার সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করা হচ্ছে না। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন দাবি করেছেন মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল জ মিন তুন। 
তিনি বলেছেন, কারাগারে সু চি ভালো আছেন।  

আমি বলতে চাচ্ছি— বাসায় লোকজন যেমন থাকেন, আমরা সু চিকেও সেভাবে রেখেছি, যদিও তিনি গৃহবন্দি আছেন। তার জন্য আমরা সর্বোচ্চটুকু করছি।  তিনি যা চাইছেন তাই পাচ্ছেন।  তিনি যা খেতে চাচ্ছেন তা পাচ্ছেন।
চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান হয়। আটক করা হয় অং সান সু চিকে। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। ওয়াকিটকি আমদানি, রাষ্ট্রদ্রোহ ও দুর্নীতির অভিযোগও আনা হয়েছে সু চির বিরুদ্ধে।  এসব অভিযোগ প্রমাণ হলে মিয়ানমারের আইনে তার কয়েক দশকের জেল হতে পারে। 

মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সু চির বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০২০ সালের নির্বাচনে জালিয়াতির নতুন অভিযোগ এনেছে জান্তা।
তাকে বারবার আদালতে হাজির করা হলেও তাকে জনসমক্ষে আনা হচ্ছে না।  সু চির মুক্তি দাবি করেছে জাতিসংঘ।

অভ্যুত্থানের পর থেকে বেশ কয়েক সাংবাদিকসহ হাজারও মানুষকে আটক রাখা হয়েছে মিয়ানমারে। সোমবার মিয়ানমারে কারাবন্দি মার্কিন সাংবাদিক ড্যানি ফেনস্টারকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আটকের পর থেকে ১৭৬ দিন কারাগারে ছিলেন ফেনস্টার। ১১ বছরের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছিল। 
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে জ মিন তুন দাবি করেন, ফেনস্টারকে মুক্তি দেওয়ার সদিচ্ছা ছিল তাদের। কোনো শর্ত সাপেক্ষে ফেনস্টারকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন