সম্পর্ক গভীর করছে ইরান-আফগানিস্তান
jugantor
সম্পর্ক গভীর করছে ইরান-আফগানিস্তান

  অনলাইন ডেস্ক  

১৮ নভেম্বর ২০২১, ১০:৫২:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালেবানের হাতে যাওয়ার পর থেকে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দিয়েছে। তবে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে তালেবানের চেষ্টার কোনো কমতি নেই। সরকার গঠনের পর থেকে ইসলামিক আমিরাতের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন দেশ সফর করছেন। তবে স্বীকৃতি আদায় করতে না পারলেও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সুখবর পাচ্ছে তালেবান।

সম্প্রতি আফগানিস্তান নিয়ে ইরান ও তালেবানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে সাতটি জয়েন্ট কমিটি কাজ শুরু করেছে। খবর তাসনিম নিউজ এজেন্সির।

আফগানিস্তানে ইরানের বিশেষ প্রতিনিধি হাসান কাজেমি কওমি ও তালেবান সরকারের কর্মকর্তাদের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক হয়। এরপর এক চুক্তির অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সাতটি কমিটি কাজ শুরু করে।

কমিটির কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় কাজেমি কওমি বলেন, ইরান ও আফগানিস্তানের স্বার্থ একই। বাইরে থেকে আসা লোকজন আফগানিস্তানের জনগণের জন্য বহু সমস্যা তৈরি করেছে। আফগানিস্তানের সমৃদ্ধ সম্পদ রয়েছে কিন্তু অন্যরা এ সম্পদকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে দিচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, ইরান সবসময় আফগানিস্তানের জনগণের পাশে থাকবে যেন দেশটি তার সক্ষমতা বাড়াতে পারে।

কাজেমি কওমি বলেন, ৫ থেকে ১০ বছরের জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে একটি রোড ম্যাপ তৈরিতে এ সাতটি কমিটি প্রথমে প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করবে।

ইরানের এ দূত বলেন, আফগানিস্তানের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে ও দেশটির পণ্য রপ্তানিতে সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত রয়েছে ইরান। আফগানিস্তানের সঙ্গে শুধু বাণিজ্য নয়, প্রযুক্তিপণ্য ও প্রকৌশলী সেবা রপ্তানিতেও ইরানের নজর রয়েছে।

ইরান এখনই আফগানিস্তানে তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তেহরান আফগান জাতির দাবিকে সম্মান করে। তাদের দাবির সঙ্গে আমাদের অবস্থান সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সম্পর্ক গভীর করছে ইরান-আফগানিস্তান

 অনলাইন ডেস্ক 
১৮ নভেম্বর ২০২১, ১০:৫২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালেবানের হাতে যাওয়ার পর থেকে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দিয়েছে। তবে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে তালেবানের চেষ্টার কোনো কমতি নেই। সরকার গঠনের পর থেকে ইসলামিক আমিরাতের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন দেশ সফর করছেন। তবে স্বীকৃতি আদায় করতে না পারলেও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সুখবর পাচ্ছে তালেবান।

সম্প্রতি আফগানিস্তান নিয়ে ইরান ও তালেবানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে সাতটি জয়েন্ট কমিটি কাজ শুরু করেছে। খবর তাসনিম নিউজ এজেন্সির।

আফগানিস্তানে ইরানের বিশেষ প্রতিনিধি হাসান কাজেমি কওমি ও তালেবান সরকারের কর্মকর্তাদের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক হয়। এরপর এক চুক্তির অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সাতটি কমিটি কাজ শুরু করে।

কমিটির কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় কাজেমি কওমি বলেন, ইরান ও আফগানিস্তানের স্বার্থ একই। বাইরে থেকে আসা লোকজন আফগানিস্তানের জনগণের জন্য বহু সমস্যা তৈরি করেছে। আফগানিস্তানের সমৃদ্ধ সম্পদ রয়েছে কিন্তু অন্যরা এ সম্পদকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে দিচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, ইরান সবসময় আফগানিস্তানের জনগণের পাশে থাকবে যেন দেশটি তার সক্ষমতা বাড়াতে পারে।

কাজেমি কওমি বলেন, ৫ থেকে ১০ বছরের জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে একটি রোড ম্যাপ তৈরিতে এ সাতটি কমিটি প্রথমে প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করবে।

ইরানের এ দূত বলেন, আফগানিস্তানের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে ও দেশটির পণ্য রপ্তানিতে সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত রয়েছে ইরান।  আফগানিস্তানের সঙ্গে শুধু বাণিজ্য নয়, প্রযুক্তিপণ্য ও প্রকৌশলী সেবা রপ্তানিতেও ইরানের নজর রয়েছে।

ইরান এখনই আফগানিস্তানে তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তেহরান আফগান জাতির দাবিকে সম্মান করে। তাদের দাবির সঙ্গে আমাদের অবস্থান সামঞ্জস্যপূর্ণ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আফগানিস্তানে তালেবানের পুনরুত্থান