রাজপরিবার ও বিবিসির মধ্যে উত্তেজনা
jugantor
রাজপরিবার ও বিবিসির মধ্যে উত্তেজনা

  অনলাইন ডেস্ক  

২৩ নভেম্বর ২০২১, ২২:৫৩:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (বিবিসি)ও রাজপরিবারের মধ্য উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিবিসি সোমবার ‘প্রিন্সেস অ্যান্ড প্রেস’ শিরোনামে একটি তথ্যচিত্রের একাংশ প্রচার করেছে। এটি প্রচারের পর রাজ পরিবার বিবৃতি দিয়ে তথ্যচিত্রের সমালোচনা করেছেন।

খবরে বলা হচ্ছে, গণমাধ্যমের তথ্যচিত্র নিয়ে এ ধরনের বিবৃতি দেওয়ার ঘটনা বিরল।

বিবিসির দুই পর্বের তথ্যচিত্রের প্রথম পর্ব স্থানীয় সময় সোমবার রাত ৯টায় প্রচার করা হয়।

ডকুমেন্টারিটি তৈরি করতে রাজ পরিবারের নিউজ কাভারকারীসাংবাদিক এবং রাজ পরিবার বিশেষজ্ঞদের ৮০ ঘণ্টার বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

এই তথ্যচিত্রে ডিউক অব সাসেক্স প্রিন্স হ্যারিকে গণমাধ্যমের প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রকাশ করতে দেখা যায়। ২০১৬ সাল থেকে মার্কিন অভিনেত্রী মেগানের সঙ্গে ডেটিং শুরু করার পর গণমাধ্যমগুলো আরও খারাপভাবে মেগানের সমালোচনামূলক প্রচার শুরু করে।

মিডিয়ার উৎপীড়নের কথা বলে হ্যারি এবং মেগান রাজকার্য থেকে অব্যাহতি নিয়ে এখন সাধারণ নাগরিকের মতো বাস করছেন। ছেড়েছেন রাজপ্রাসাদও। তারা থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। মিডিয়ায় ভুয়া তথ্য ছড়ানোসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুজন এখন বেশ সরব।তারা প্রকাশ্যে ব্রিটেনের রাজপরিবারের সমালোচনা করেছেন। এর মধ্যে একজন জ্যেষ্ঠ সদস্যের বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগও এনেছেন।

সোমবার প্রচারিত বিবিসির তথ্যচিত্রে বলা হয়েছে, শুরুতে হ্যারি–মেগানের জনপ্রিয়তা থাকলেও রাজপ্রাসাদের ভেতরে ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ের কারণে প্রাসাদ অভ্যন্তরের লোকজন গণমাধ্যমে নেতিবাচক খবরের সূত্র হয়েছেন।

এ তথ্যচিত্র প্রচারের পর রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ, প্রিন্স চার্লস ও উইলিয়াম ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তথ্যচিত্র প্রচারের আগে রাজ পরিবারতাদের দেখাতে বলে। কিন্তু বিবিসি অস্বীকৃতি জানায়।

তথ্যচিত্র প্রকাশের পর বাকিংহাম প্যালেস, ক্লিয়ারেন্স হাউস ও কেনসিংটন প্যালেসের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, সুস্থ গণতন্ত্রের জন্য একটি মুক্ত ও দায়িত্বশীল সংবাদপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রায়ই অজানা সূত্র থেকে ভিত্তিহীন ও অতিরঞ্জিত দাবি করা হয় এবং তথ্য হিসেবে তা উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু যখন বিবিসিসহ অন্য কেউ তা বিশ্বাসযোগ্যতা দেয়, তখন তা হতাশাজনক।

রাজপরিবার ও বিবিসির মধ্যে উত্তেজনা

 অনলাইন ডেস্ক 
২৩ নভেম্বর ২০২১, ১০:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (বিবিসি) ও  রাজপরিবারের মধ্য উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিবিসি সোমবার ‘প্রিন্সেস অ্যান্ড প্রেস’ শিরোনামে একটি তথ্যচিত্রের একাংশ প্রচার করেছে। এটি প্রচারের পর রাজ পরিবার বিবৃতি দিয়ে  তথ্যচিত্রের সমালোচনা করেছেন।

খবরে বলা হচ্ছে,  গণমাধ্যমের তথ্যচিত্র নিয়ে এ ধরনের বিবৃতি দেওয়ার ঘটনা বিরল।

বিবিসির দুই পর্বের তথ্যচিত্রের প্রথম পর্ব স্থানীয় সময় সোমবার রাত ৯টায় প্রচার করা হয়। 

ডকুমেন্টারিটি তৈরি করতে রাজ পরিবারের নিউজ কাভারকারী সাংবাদিক এবং রাজ পরিবার বিশেষজ্ঞদের ৮০ ঘণ্টার বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। 

এই তথ্যচিত্রে ডিউক অব সাসেক্স প্রিন্স হ্যারিকে গণমাধ্যমের প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রকাশ করতে দেখা যায়। ২০১৬ সাল থেকে মার্কিন অভিনেত্রী মেগানের সঙ্গে ডেটিং শুরু করার পর গণমাধ্যমগুলো আরও খারাপভাবে মেগানের সমালোচনামূলক প্রচার শুরু করে।

মিডিয়ার উৎপীড়নের কথা বলে হ্যারি এবং মেগান রাজকার্য থেকে অব্যাহতি নিয়ে এখন সাধারণ নাগরিকের মতো বাস করছেন। ছেড়েছেন রাজপ্রাসাদও। তারা থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। মিডিয়ায় ভুয়া তথ্য ছড়ানোসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুজন এখন বেশ সরব। তারা প্রকাশ্যে ব্রিটেনের রাজপরিবারের সমালোচনা করেছেন। এর মধ্যে একজন জ্যেষ্ঠ সদস্যের বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগও এনেছেন।

সোমবার প্রচারিত বিবিসির তথ্যচিত্রে বলা হয়েছে, শুরুতে হ্যারি–মেগানের জনপ্রিয়তা থাকলেও রাজপ্রাসাদের ভেতরে ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ের কারণে প্রাসাদ অভ্যন্তরের লোকজন গণমাধ্যমে নেতিবাচক খবরের সূত্র হয়েছেন।

এ তথ্যচিত্র প্রচারের পর রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ, প্রিন্স চার্লস ও উইলিয়াম ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তথ্যচিত্র প্রচারের আগে রাজ পরিবার তাদের দেখাতে বলে। কিন্তু বিবিসি  অস্বীকৃতি জানায়।

তথ্যচিত্র প্রকাশের পর বাকিংহাম প্যালেস, ক্লিয়ারেন্স হাউস ও কেনসিংটন প্যালেসের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, সুস্থ গণতন্ত্রের জন্য একটি মুক্ত ও দায়িত্বশীল সংবাদপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রায়ই অজানা সূত্র থেকে ভিত্তিহীন ও অতিরঞ্জিত দাবি করা হয় এবং তথ্য হিসেবে তা উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু যখন বিবিসিসহ অন্য কেউ তা বিশ্বাসযোগ্যতা দেয়, তখন তা হতাশাজনক।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন