পোল্যান্ড সীমান্তে প্রচণ্ড শীতে ইরাকি শরণার্থীর নবজাতকের মৃত্যু
jugantor
পোল্যান্ড সীমান্তে প্রচণ্ড শীতে ইরাকি শরণার্থীর নবজাতকের মৃত্যু

  অনলাইন ডেস্ক  

২৪ নভেম্বর ২০২১, ১৫:১৯:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

তীব্র শীত ও ঠাণ্ডা আবহাওয়ার মধ্যে পোল্যান্ড-বেলারুশ সীমান্তে অবস্থান করছেন হাজার হাজার শরণার্থী।

বিরূপ আএ আবহাওয়ায় ইরাকের এক শরণার্থী ২৭ সপ্তাহ বয়সি এক অপরিপক্ব সন্তান প্রসব করে।

সেখানে বিনাচিকিৎসায় এ নবজাতকের মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার স্থানীয় মসজিদের ইমাম এবং মুসলিম কমিউনিটির দুই সদস্য মৃত নবজাতকটির জানাজায় অংশ নেন।

জানাজা শেষে ছোট একটি কফিনে করে স্থানীয় মুসলিম কবরস্থানে নবজাতকের দাফন করা হয়।

প্রচণ্ড শীতে এ পর্যন্ত এখানে ১১ শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বেলারুশ সীমান্ত দিয়ে পোল্যান্ডে ঢোকার চেষ্টা করা শরণার্থীদের অধিকাংশই ইরাকের নাগরিক।

তাদের মধ্যে একটি বড় অংশ আবার জাতিগতভাবে কুর্দি। ইরাকি ছাড়াও সিরিয়া ও আফগানিস্তানের মানুষও সেখানে আছেন বলে জানা গেছে।

পোল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শরণার্থীরা জোর করে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করে। শরণার্থী ইস্যুতে দুই সপ্তাহ ধরে পোলিশ-বেলারুশ সীমান্ত উত্তাল হয়ে ওঠে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অস্থিতিশীল করতে শরণার্থীদের সীমান্তের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলেও বেলারুশের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। তবে বেলারুশ এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

পোলিশ সীমান্তে এ অভিবাসী সংকট নিয়ে বুধবার ইইউ এবং বেলারুশের কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি আলোচনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে রাশিয়া। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এ তথ্য জানান। এদিন পোল্যান্ড আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, ‘বেলারুশ সীমান্তে সংকট কয়েক মাস, এমনকি বছর ধরে চলতে পারে।’

বেলারুশিয়ান প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো এবং তার প্রধান মিত্র, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ­াদিমির পুতিন অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং তাদের গ্রহণ না করার জন্য ইইউর সমালোচনা করেছেন।

ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, শরণার্থীরা চাইলে ইরাক তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করবে। গত সপ্তাহ থেকেই তীব্র শীত ও ঠাণ্ডা আবহাওয়ার মধ্যে ওই দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছেন হাজার হাজার শরণার্থী। আটকে পড়া এই শরণার্থীরা মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে কোনোভাবে অস্থায়ী আশ্রয় তৈরি করে সেখানে অবস্থান করছেন তারা। সীমান্তের ওই এলাকায় নেই খাবার, এমনকি প্রয়োজনীয় পানিরও সংকট রয়েছে।

পোল্যান্ড সীমান্তে প্রচণ্ড শীতে ইরাকি শরণার্থীর নবজাতকের মৃত্যু

 অনলাইন ডেস্ক 
২৪ নভেম্বর ২০২১, ০৩:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তীব্র শীত ও ঠাণ্ডা আবহাওয়ার মধ্যে পোল্যান্ড-বেলারুশ সীমান্তে অবস্থান করছেন হাজার হাজার শরণার্থী।

বিরূপ আএ আবহাওয়ায় ইরাকের এক শরণার্থী ২৭ সপ্তাহ বয়সি এক অপরিপক্ব সন্তান প্রসব করে।

সেখানে বিনাচিকিৎসায় এ নবজাতকের মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার স্থানীয় মসজিদের ইমাম এবং মুসলিম কমিউনিটির দুই সদস্য মৃত নবজাতকটির জানাজায় অংশ নেন।

জানাজা শেষে ছোট একটি কফিনে করে স্থানীয় মুসলিম কবরস্থানে নবজাতকের দাফন করা হয়।
 
প্রচণ্ড শীতে এ পর্যন্ত এখানে ১১ শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বেলারুশ সীমান্ত দিয়ে পোল্যান্ডে ঢোকার চেষ্টা করা শরণার্থীদের অধিকাংশই ইরাকের নাগরিক।

তাদের মধ্যে একটি বড় অংশ আবার জাতিগতভাবে কুর্দি। ইরাকি ছাড়াও সিরিয়া ও আফগানিস্তানের মানুষও সেখানে আছেন বলে জানা গেছে।

পোল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শরণার্থীরা জোর করে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করে। শরণার্থী ইস্যুতে দুই সপ্তাহ ধরে পোলিশ-বেলারুশ সীমান্ত উত্তাল হয়ে ওঠে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অস্থিতিশীল করতে শরণার্থীদের সীমান্তের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলেও বেলারুশের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। তবে বেলারুশ এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

পোলিশ সীমান্তে এ অভিবাসী সংকট নিয়ে বুধবার ইইউ এবং বেলারুশের কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি আলোচনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে রাশিয়া। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এ তথ্য জানান। এদিন পোল্যান্ড আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, ‘বেলারুশ সীমান্তে সংকট কয়েক মাস, এমনকি বছর ধরে চলতে পারে।’

 বেলারুশিয়ান প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো এবং তার প্রধান মিত্র, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ­াদিমির পুতিন অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং তাদের গ্রহণ না করার জন্য ইইউর সমালোচনা করেছেন।

ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, শরণার্থীরা চাইলে ইরাক তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করবে। গত সপ্তাহ থেকেই তীব্র শীত ও ঠাণ্ডা আবহাওয়ার মধ্যে ওই দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছেন হাজার হাজার শরণার্থী। আটকে পড়া এই শরণার্থীরা মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে কোনোভাবে অস্থায়ী আশ্রয় তৈরি করে সেখানে অবস্থান করছেন তারা। সীমান্তের ওই এলাকায় নেই খাবার, এমনকি প্রয়োজনীয় পানিরও সংকট রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন