উল্কাপিণ্ড থেকে পৃথিবী রক্ষার মিশন শুরু নাসার
jugantor
উল্কাপিণ্ড থেকে পৃথিবী রক্ষার মিশন শুরু নাসার

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৪ নভেম্বর ২০২১, ১৮:১৬:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

উল্কাপিণ্ড থেকে পৃথিবী রক্ষার মিশন শুরু নাসার

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে এমন উল্কাপিণ্ডকে তার গতিপথ থেকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেওয়ার এক প্রযুক্তি পরীক্ষা করছে নাসা।

এ উদ্দেশ্যে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার ডার্ট মহাকাশযান বহন করা একটি ফ্যালকন ৯ রকেট বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ মহাকাশ ঘাঁটি থেকে যাত্রা শুরু করেছে।

পরীক্ষাটি চালানো হবে আইফেল টাওয়ারের চেয়েও দ্বিগুন উচ্চতার (৭৮০ মিটার) ডাইমর্ফোস নামে একটি গ্রহাণুর ওপর।

নাসার মহাকাশযানটি এর ওপর আঘাত হানবে এবং তারপর পরীক্ষা করে দেখা হবে- এর কক্ষপথ এবং গতিবেগে কোন পরিবর্তন হলো কিনা। উল্কাপিণ্ড ধ্বংস করে পৃথিবী রক্ষায় এবারই প্রথমবারের মতো এই ধরণের প্রযুক্তি পরীক্ষা করছে নাসা।

কয়েকশ’ মিটার আকারের একটি উল্কাপিণ্ড যদি পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে তাহলে তা কোনও একটি উপমহাদেশ জুড়ে ধ্বংসযজ্ঞের কারণ হতে পারে।

বলা হচ্ছে ১৬০ মিটার চওড়া কোনো গ্রহাণু যদি বিস্ফোরিত হয় সেটা হবে একটি পারমাণবিক বোমার চাইতেও বহুগুণ বেশি প্রচণ্ড। এতে জনবসতি আছে এমন এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হবে এবং হাজার হাজার মানুষ মারা যাবে।

উল্কাপিণ্ড থেকে পৃথিবী রক্ষার মিশন শুরু নাসার

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৪ নভেম্বর ২০২১, ০৬:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
উল্কাপিণ্ড থেকে পৃথিবী রক্ষার মিশন শুরু নাসার
ছবি: বিবিসি

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে এমন উল্কাপিণ্ডকে তার গতিপথ থেকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেওয়ার এক প্রযুক্তি পরীক্ষা করছে নাসা। 

এ উদ্দেশ্যে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার ডার্ট মহাকাশযান বহন করা একটি ফ্যালকন ৯ রকেট বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ মহাকাশ ঘাঁটি থেকে যাত্রা শুরু করেছে। 

পরীক্ষাটি চালানো হবে আইফেল টাওয়ারের চেয়েও দ্বিগুন উচ্চতার (৭৮০ মিটার) ডাইমর্ফোস নামে একটি গ্রহাণুর ওপর। 

নাসার মহাকাশযানটি এর ওপর আঘাত হানবে এবং তারপর পরীক্ষা করে দেখা হবে- এর কক্ষপথ এবং গতিবেগে কোন পরিবর্তন হলো কিনা। উল্কাপিণ্ড ধ্বংস করে পৃথিবী রক্ষায় এবারই প্রথমবারের মতো এই ধরণের প্রযুক্তি পরীক্ষা করছে নাসা।

কয়েকশ’ মিটার আকারের একটি উল্কাপিণ্ড যদি পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে তাহলে তা কোনও একটি উপমহাদেশ জুড়ে ধ্বংসযজ্ঞের কারণ হতে পারে।

বলা হচ্ছে ১৬০ মিটার চওড়া কোনো গ্রহাণু যদি বিস্ফোরিত হয় সেটা হবে একটি পারমাণবিক বোমার চাইতেও বহুগুণ বেশি প্রচণ্ড। এতে জনবসতি আছে এমন এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হবে এবং হাজার হাজার মানুষ মারা যাবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন