মালয়েশিয়ায় মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই পেলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
jugantor
মালয়েশিয়ায় মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই পেলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ নভেম্বর ২০২১, ২০:২১:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

মালয়েশিয়ায় মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই পেয়েছেন বাংলাদেশি এক শিক্ষার্থী। দেশটির আপিল বিভাগ এ সিদ্ধান্ত দেন।চার বছর আগে প্রায় চার কেজি গাঁজা পাচারের অভিযোগে তার এ দণ্ড হয়েছিল।তিনি দেশটির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের ছাত্র।

বৃহস্পতিবার মালায় মেইল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

২০১৭ সালে বাংলাদেশি ওই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর হোস্টেলে গাঁজা পাওয়া যায়।তাকে গ্রেফতারের পর মাদক পাচারের অভিযোগ আনা হয়।এরপর ২০১৯ সালে শাহ আলম হাইকোর্ট তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এ আদেশের বিরুদ্ধে মোহাম্মদ হাবিবুল আপিল করেন।

দাতুক হানিপাহ ফারিকুল্লাহর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায়ে জানিয়েছেন, মোহাম্মদ হাবিবুল হাসান খানের আপিলের যোগ্যতা ছিল এবং প্রসিকিউশন মামলায় জ্ঞাত উপাদান প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। হোস্টেলে হাবিবুলের কক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ গাজা পাওয়া গিয়েছিল। নিম্ন আদালতের শুনানিতে হাবিবুলের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, আদতে ওই ব্যাগটি জাওয়াদ নামের আরেক শিক্ষার্থীর। সে ইউনিভার্সিটি এলাকার বাইরে থাকতো। হাবিবুলকে গ্রেফতারের পরের দিনই জাওয়াদ আত্মহত্যা করেছিল।

বিচারপতি হানিপাহ বলেন, বিচারিক আদালত এই প্রমাণটি গ্রহণ করেনি এবং কেবল অস্বীকৃতি ও পরবর্তী ভাবনা হিসেবে একে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

মালয়েশিয়ায় মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই পেলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ নভেম্বর ২০২১, ০৮:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মালয়েশিয়ায় মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই পেয়েছেন বাংলাদেশি এক শিক্ষার্থী। দেশটির আপিল বিভাগ এ সিদ্ধান্ত দেন।চার বছর আগে প্রায় চার কেজি গাঁজা পাচারের অভিযোগে তার এ দণ্ড হয়েছিল।তিনি দেশটির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের ছাত্র। 

বৃহস্পতিবার মালায় মেইল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। 

২০১৭ সালে বাংলাদেশি ওই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর হোস্টেলে গাঁজা পাওয়া যায়।তাকে গ্রেফতারের পর মাদক পাচারের অভিযোগ আনা হয়।এরপর ২০১৯ সালে শাহ আলম হাইকোর্ট তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এ আদেশের বিরুদ্ধে মোহাম্মদ হাবিবুল আপিল করেন। 

দাতুক হানিপাহ ফারিকুল্লাহর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায়ে জানিয়েছেন, মোহাম্মদ হাবিবুল হাসান খানের আপিলের যোগ্যতা ছিল এবং প্রসিকিউশন মামলায় জ্ঞাত উপাদান প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। হোস্টেলে হাবিবুলের কক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ গাজা পাওয়া গিয়েছিল। নিম্ন আদালতের শুনানিতে হাবিবুলের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, আদতে ওই ব্যাগটি জাওয়াদ নামের আরেক শিক্ষার্থীর। সে ইউনিভার্সিটি এলাকার বাইরে থাকতো। হাবিবুলকে গ্রেফতারের পরের দিনই জাওয়াদ আত্মহত্যা করেছিল।

বিচারপতি হানিপাহ বলেন, বিচারিক আদালত এই প্রমাণটি গ্রহণ করেনি এবং কেবল অস্বীকৃতি ও পরবর্তী ভাবনা হিসেবে একে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন