সংবিধানের আদলে আইনজীবীর বিয়ের কার্ড ভাইরাল 
jugantor
সংবিধানের আদলে আইনজীবীর বিয়ের কার্ড ভাইরাল 

  অনলাইন ডেস্ক  

২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৭:০৪:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ে মানুষের জীবনের একটি গুরত্বপূর্ণ অধ্যায়। জীবনের বিশেষ এই দিনের খুঁটিনাটি সব বিষয় নিয়েই নানা পরিকল্পনা থাকে হবু দম্পতির। এমনকি বিয়ের কার্ডেও অভিনবত্ব আনেন অনেকে।

ঠিক তেমনই এক আইনজীবী তার বিয়ের কার্ডে অভিনবত্ব আনতে সেটির ডিজাইন করেছেন সংবিধানের আলোকে।

শুক্রবার একটি ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের আসামের গুয়াহাটির বাসিন্দা অ্যাডভোকেট অজয় শর্মার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক পূজা শর্মার বিয়ে ঠিক হয়েছে। বিয়েতে অতিথিদের দাওয়াত দিতে সংবিধানের আদলে ওই কার্ড বানান অজয়।

এমনকি অতিথিদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে ভারতীয় সংবিধানের ধারার আলোকে। কার্ডে বলা হয়েছে, ভারতীয় সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিয়ের অধিকার মানবজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধিকারের অংশ। আগামী ২৮ নভেম্বর, রোববার আমার সেই মৌলিক অধিকার পূরণের সময় এসেছে।

আমন্ত্রণপত্রে আরও বলা হয়েছে, যখন আইনজীবীরা বিয়ে করেন, তারা 'হ্যাঁ' বলেন না, তারা বলেন - 'আমরা শর্তাসমূহ মেনে নিই'।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ বছর ধরে আইন পেশায় আছেন অজয়। তিনি সব সময় চাইতেন তার বিয়ের কার্ডটি ব্যতিক্রমী হোক। এ নিয়ে বন্ধুরা তার সঙ্গে মজাও করতেন।

এ ব্যাপারে অজয় বলেন, বিয়ের কার্ডে মানুষ সাধারণত স্থান, সময় এবং তারিখ দেখে। কার্ডের উপরে এবং নীচে কী লেখা আছে তা মানুষ পড়ে না। আমি চাইতাম আমার বিয়ের কার্ডের আগাগোড়া সব কিছু মানুষ পড়ুক।

সংবিধানের আদলে আইনজীবীর বিয়ের কার্ড ভাইরাল 

 অনলাইন ডেস্ক 
২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৭:০৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ে মানুষের জীবনের একটি গুরত্বপূর্ণ অধ্যায়।  জীবনের বিশেষ এই দিনের খুঁটিনাটি সব বিষয় নিয়েই নানা পরিকল্পনা থাকে হবু দম্পতির। এমনকি বিয়ের কার্ডেও অভিনবত্ব আনেন অনেকে। 

ঠিক তেমনই এক আইনজীবী তার বিয়ের কার্ডে অভিনবত্ব আনতে সেটির ডিজাইন করেছেন সংবিধানের আলোকে।

শুক্রবার একটি ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের আসামের গুয়াহাটির বাসিন্দা অ্যাডভোকেট অজয় শর্মার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক পূজা শর্মার বিয়ে ঠিক হয়েছে। বিয়েতে অতিথিদের দাওয়াত দিতে সংবিধানের আদলে ওই কার্ড বানান অজয়। 

এমনকি অতিথিদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে ভারতীয় সংবিধানের ধারার আলোকে। কার্ডে বলা হয়েছে, ভারতীয় সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিয়ের অধিকার মানবজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধিকারের অংশ। আগামী ২৮ নভেম্বর, রোববার আমার সেই মৌলিক অধিকার পূরণের সময় এসেছে। 

আমন্ত্রণপত্রে আরও বলা হয়েছে, যখন আইনজীবীরা বিয়ে করেন, তারা 'হ্যাঁ' বলেন না, তারা বলেন - 'আমরা শর্তাসমূহ মেনে নিই'।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ বছর ধরে আইন পেশায় আছেন অজয়। তিনি সব সময় চাইতেন তার বিয়ের কার্ডটি ব্যতিক্রমী হোক।  এ নিয়ে বন্ধুরা তার সঙ্গে মজাও করতেন।

এ  ব্যাপারে অজয় বলেন,  বিয়ের কার্ডে মানুষ সাধারণত স্থান, সময় এবং তারিখ দেখে। কার্ডের উপরে এবং নীচে কী লেখা আছে তা মানুষ পড়ে না। আমি চাইতাম আমার বিয়ের কার্ডের আগাগোড়া সব কিছু মানুষ পড়ুক। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন