হামাসকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ঘোষণা যুক্তরাজ্যের
jugantor
হামাসকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ঘোষণা যুক্তরাজ্যের

  অনলাইন ডেস্ক  

২৭ নভেম্বর ২০২১, ১৩:১৯:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ফিলিস্তিনের গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাসের সব শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে শুক্রবার একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছে যুক্তরাজ্যর পার্লামেন্টে।

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল শুক্রবার বলেছেন, সংগঠন হিসেবে পুরো হামাসকে এখন থেকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হবে। খবর আরব নিউজের।

২০০১ সালেই হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসেম ব্রিগেডকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য। এবার সংগঠনটির রাজনৈতিক শাখাকেও সন্ত্রাসীর তকমা দিল দেশটি।

এর আগে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বলা হয়েছিল, সরকার যদি এই সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত এবং নিষিদ্ধ করে, তবে এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, সমর্থন করা, ওই সংগঠনকে সমর্থন করে এমন পোশাক পরা ফৌজদারি অপরাধ বলে গণ্য হবে।

এমন অপরাধের সাজা সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ড কিংবা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।

হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করতে একটি প্রস্তাব শুক্রবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উত্থাপন করা হয়। এরপর তা নিয়ে আলোচনার পর অনুমোদন পায় হামাসবিরোধী ওই প্রস্তাব।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ১৯৯৫ সালে। প্রীতি প্যাটেল বলেন, মিত্রদের সঙ্গে মিল রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হামাসের রয়েছে রাজনৈতিক ও সামরিক শাখা। ইসরাইলের অস্তিত্ব ও ইসরাইলের সঙ্গে যেকোনো শান্তি আলোচনার বিরোধী হামাস।

আলোচনার বদলে সশস্ত্র এই সংগঠন ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড দখল করা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলনে বিশ্বাসী। এর পক্ষে প্রচারণা চালায় তারা।

হামাসকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ঘোষণা যুক্তরাজ্যের

 অনলাইন ডেস্ক 
২৭ নভেম্বর ২০২১, ০১:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফিলিস্তিনের গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাসের সব শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে শুক্রবার একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছে যুক্তরাজ্যর পার্লামেন্টে।

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল শুক্রবার বলেছেন, সংগঠন হিসেবে পুরো হামাসকে এখন থেকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হবে। খবর আরব নিউজের।

২০০১ সালেই হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসেম ব্রিগেডকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য। এবার সংগঠনটির রাজনৈতিক শাখাকেও সন্ত্রাসীর তকমা দিল দেশটি।

এর আগে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বলা হয়েছিল, সরকার যদি এই সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত এবং নিষিদ্ধ করে, তবে এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, সমর্থন করা, ওই সংগঠনকে সমর্থন করে এমন পোশাক পরা ফৌজদারি অপরাধ বলে গণ্য হবে।

এমন অপরাধের সাজা সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ড কিংবা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।

হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করতে একটি প্রস্তাব শুক্রবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উত্থাপন করা হয়। এরপর তা নিয়ে আলোচনার পর অনুমোদন পায় হামাসবিরোধী ওই প্রস্তাব।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ১৯৯৫ সালে। প্রীতি প্যাটেল বলেন, মিত্রদের সঙ্গে মিল রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হামাসের রয়েছে রাজনৈতিক ও সামরিক শাখা। ইসরাইলের অস্তিত্ব ও ইসরাইলের সঙ্গে যেকোনো শান্তি আলোচনার বিরোধী হামাস।

আলোচনার বদলে সশস্ত্র এই সংগঠন ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড দখল করা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলনে বিশ্বাসী। এর পক্ষে প্রচারণা চালায় তারা।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ফিলিস্তিনিদের ঘরে ফেরার বিক্ষোভ