কাতার যাচ্ছেন এরদোগান
jugantor
কাতার যাচ্ছেন এরদোগান

  অনলাইন ডেস্ক  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৫:৪৯:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ধনী দেশ কাতার সফরে যাচ্ছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। ৬-৭ ডিসেম্বর এ সফর হতে পারে। সরকারি এ সফরে দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ এ তথ্য জানায়।

আফগানিস্তান, লিবিয়া সংকটসহ আঞ্চলিক ইস্যুতে আঙ্কারা ও দোহার মধ্যে বহু বিষয়ে সহযোগিতা রয়েছে। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে দেশ দুটি লিবিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। একই সঙ্গে লিবিয়ার সরকারকে খলিফা হাফতারের বিরুদ্ধে টিকে থাকতে রসদ জোগাচ্ছে।

আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের পর এ দুই দেশ কাবুল বিমানবন্দর পুরোপুরি সচল করার বিষয় একসঙ্গে কাজ করছে।

এর আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। এ ছাড়া মিসর ও ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের জন্য একই পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

গত সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন জায়েদ (এমবিজেড) তুরস্ক সফর করেছেন। ২০১২ সালের পর আমিরাতের ডি ফ্যাক্টো নেতা ও দেশটির পররাষ্ট্র নীতির নির্ধারক এমবিজেডের এটি ছিল প্রথম আঙ্কারা সফর। দুই দেশই যে তাদের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী, সেটি এ সফরের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।

কাতার যাচ্ছেন এরদোগান

 অনলাইন ডেস্ক 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ধনী দেশ কাতার সফরে যাচ্ছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। ৬-৭ ডিসেম্বর এ সফর হতে পারে। সরকারি এ সফরে দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ এ তথ্য জানায়।

আফগানিস্তান, লিবিয়া সংকটসহ আঞ্চলিক ইস্যুতে আঙ্কারা ও দোহার মধ্যে বহু বিষয়ে সহযোগিতা রয়েছে। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে দেশ দুটি লিবিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। একই সঙ্গে লিবিয়ার সরকারকে খলিফা হাফতারের বিরুদ্ধে টিকে থাকতে রসদ জোগাচ্ছে।

আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের পর এ দুই দেশ কাবুল বিমানবন্দর পুরোপুরি সচল করার বিষয় একসঙ্গে কাজ করছে। 

এর আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন।  এ ছাড়া মিসর ও ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের জন্য একই পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

গত সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন জায়েদ (এমবিজেড) তুরস্ক সফর করেছেন। ২০১২ সালের পর আমিরাতের ডি ফ্যাক্টো নেতা ও দেশটির পররাষ্ট্র নীতির নির্ধারক এমবিজেডের এটি ছিল প্রথম আঙ্কারা সফর। দুই দেশই যে তাদের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী, সেটি এ সফরের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন