মেয়ে হওয়ায় স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে পালালেন স্বামী, অতঃপর…
jugantor
মেয়ে হওয়ায় স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে পালালেন স্বামী, অতঃপর…

  অনলাইন ডেস্ক  

০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৪:৪৭:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

মেয়ে শিশু জন্ম নিলে এখনও বিষয়টি ভারতে স্বাভাবিকভাবে নেয় না বহু পরিবার। শিশুর মায়ের সঙ্গে নানা দুঃখজনক ঘটনার খবর মাঝেমধ্যেই পাওয়া যায় সংবাদমাধ্যমে। এমনই দুঃখজনক একটি ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদহের এক বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ায় স্ত্রীকে বেসরকারি হাসপাতালে ফেলে পালিয়েছেন স্বামী।

ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, দীর্ঘ ২২ দিন বেসরকারি হাসপাতালে থাকার পর মালদহ জেলা পুলিশের তৎপরতায় নবজাতক এবং তার মাকে রাখা হয়েছে একটি হোমে।

এদিকে পলাতক স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন ওই নারী।

পুলিশের বরাতে খবরে বলা হয়, ওই গৃহবধূর নাম পূজা মার্ডি। বয়স ২১ বছর। স্বামীর নাম সুরজ বেসরা। তিনি পেশায় শ্রমিক। তার বাড়ি বালুরঘাটের মঙ্গলপুর গ্রামে।

পরিবারের বরাতে জানানো হয়, এক বছর আগে প্রেম করে বিয়ে হয় পূজা এবং সুরজের। ১২ নভেম্বর প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে মালদহের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। তার পর এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। অভিযোগ, এর পর থেকেই বাড়ির লোক আর দেখতে আসেননি তাকে। ২২ দিন ধরে ওই হাসপাতালেই ছিলেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান, তার পরিবারের লোক পুত্র সন্তান চেয়েছিলেন। কিন্তু কন্যা সন্তান হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ফেলে চলে গিয়েছেন। ঘটনা শুনে বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ২২ দিন ধরে তার চিকিৎসা করে। এর পর কর্তৃপক্ষ মালদহ জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলে। পরে পুলিশের উদ্যোগে ওই নারী এবং তার সন্তানকে হোমে রাখার ব্যবস্থা করা হয়।

মেয়ে হওয়ায় স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে পালালেন স্বামী, অতঃপর…

 অনলাইন ডেস্ক 
০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মেয়ে শিশু জন্ম নিলে এখনও বিষয়টি ভারতে স্বাভাবিকভাবে নেয় না বহু পরিবার। শিশুর মায়ের সঙ্গে নানা দুঃখজনক ঘটনার খবর মাঝেমধ্যেই পাওয়া যায় সংবাদমাধ্যমে। এমনই দুঃখজনক একটি ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদহের এক বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ায় স্ত্রীকে বেসরকারি হাসপাতালে ফেলে পালিয়েছেন স্বামী।

ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, দীর্ঘ ২২ দিন বেসরকারি হাসপাতালে থাকার পর মালদহ জেলা পুলিশের তৎপরতায় নবজাতক এবং তার মাকে রাখা হয়েছে একটি হোমে। 

এদিকে পলাতক স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন ওই নারী।

পুলিশের বরাতে খবরে বলা হয়, ওই গৃহবধূর নাম পূজা মার্ডি। বয়স ২১ বছর। স্বামীর নাম সুরজ বেসরা। তিনি পেশায় শ্রমিক। তার বাড়ি বালুরঘাটের মঙ্গলপুর গ্রামে। 

পরিবারের বরাতে জানানো হয়, এক বছর আগে প্রেম করে বিয়ে হয় পূজা এবং সুরজের। ১২ নভেম্বর প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে মালদহের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। তার পর এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। অভিযোগ, এর পর থেকেই বাড়ির লোক আর দেখতে আসেননি তাকে। ২২ দিন ধরে ওই হাসপাতালেই ছিলেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান, তার পরিবারের লোক পুত্র সন্তান চেয়েছিলেন। কিন্তু কন্যা সন্তান হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ফেলে চলে গিয়েছেন। ঘটনা শুনে বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ২২ দিন ধরে তার চিকিৎসা করে। এর পর কর্তৃপক্ষ মালদহ জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলে। পরে পুলিশের উদ্যোগে ওই নারী এবং তার সন্তানকে হোমে রাখার ব্যবস্থা করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন