নারীদের বিবাহে জোর করা উচিত নয়: তালেবান
jugantor
নারীদের বিবাহে জোর করা উচিত নয়: তালেবান

  অনলাইন ডেস্ক  

০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৭:৪৮:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

নারীদের অধিকার নিয়ে তালেবান শুক্রবার একটি ডিক্রি জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, নারীদের ‘সম্পত্তি (প্রোপার্টি)’ ভাবা উচিত নয় এবং বিয়েতে অবশ্যই তাদের সম্মতি নেওয়া উচিত।

আল আরাবিয়ার খবরে বলা হয়েছে, নারীদের অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে থাকা তালেবান এই ডিক্রি জারি করল।

তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদের প্রকাশ করা ডিক্রিতে বলা হয়েছে, একজন নারী কোনো সম্পতি নয় বরং নারী মহৎ এবং স্বাধীন মানবী। শান্তির বিনিময়ে কেউ নারীকে অন্য কারও কাছে তুলে দিতে পারে না।

এই ডিক্রিতে তালেবান নারীদের বিবাহ পরিচালনা এবং তাদের সম্পত্তির অধিকার নিয়েও কথা বলেছে। ডিক্রিতে বলা হয়েছে, নারীদের বিবাহে জোর করা উচিত নয় এবং মৃত স্বামীর সম্পত্তিতেবিধবা নারীদেরঅংশথাকা উচিত।

এতে আরও বলা হয়েছে, সিদ্ধান্ত প্রণয়নের সময় আদালতের এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা উচিত। একইসঙ্গে ধর্মবিষয়ক এবং তথ্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে এসব অধিকারে উৎসাহ দেওয়া উচিত।

তবে বাড়ির বাইরেএবং শিক্ষার বাইরে আফগান নারীরা কেমন কাজের সুযোগ পাবে তালেবানের ডিক্রিতে সেটা উল্লেখ করা হয়নি। আর এই বিষয়টি নিয়েইতালেবান আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর কাছে সবথেকে বেশি চাপেরয়েছে।

নারীদের বিবাহে জোর করা উচিত নয়: তালেবান

 অনলাইন ডেস্ক 
০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারীদের অধিকার নিয়ে তালেবান শুক্রবার একটি ডিক্রি জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, নারীদের ‘সম্পত্তি (প্রোপার্টি)’ ভাবা উচিত নয় এবং বিয়েতে অবশ্যই তাদের সম্মতি নেওয়া উচিত। 

আল আরাবিয়ার খবরে বলা হয়েছে, নারীদের অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে থাকা তালেবান এই ডিক্রি জারি করল। 
 
তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদের প্রকাশ করা ডিক্রিতে বলা হয়েছে, একজন নারী কোনো সম্পতি নয় বরং নারী মহৎ এবং স্বাধীন মানবী। শান্তির বিনিময়ে কেউ নারীকে অন্য কারও কাছে তুলে দিতে পারে না। 

এই ডিক্রিতে তালেবান নারীদের বিবাহ পরিচালনা এবং তাদের সম্পত্তির অধিকার নিয়েও কথা বলেছে। ডিক্রিতে বলা হয়েছে, নারীদের বিবাহে জোর করা উচিত নয় এবং মৃত স্বামীর সম্পত্তিতে বিধবা নারীদের অংশ থাকা উচিত। 

এতে আরও বলা হয়েছে, সিদ্ধান্ত প্রণয়নের সময় আদালতের এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা উচিত। একইসঙ্গে ধর্মবিষয়ক এবং তথ্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে এসব অধিকারে উৎসাহ দেওয়া উচিত। 

তবে বাড়ির বাইরে এবং শিক্ষার বাইরে আফগান নারীরা কেমন কাজের সুযোগ পাবে তালেবানের ডিক্রিতে সেটা উল্লেখ করা হয়নি। আর এই বিষয়টি নিয়েই তালেবান আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর কাছে সবথেকে বেশি চাপে রয়েছে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন