খালি হাতে লড়াই করে বাঘের কবল থেকে ছেলেকে বাঁচালেন মা
jugantor
খালি হাতে লড়াই করে বাঘের কবল থেকে ছেলেকে বাঁচালেন মা

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ২২:৩৯:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

মায়ের ভালোবাসার সঙ্গে জগতের কোনো কিছুর তুলনা চলে না। সন্তানের বিপদে নিজের জীবন তুচ্ছ করে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রাণিকুলের সব মা। ঠিক তেমনই নিজের প্রাণের মায়া তুচ্ছ করে খালি হাতেই ঝাঁপিয়ে পড়ে আক্ষরিক অর্থেই চিতাবাঘের কবল থেকে নিজের সন্তানকে ছিনিয়ে এনেছেন এই সাহসী মা।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতের মধ্যপ্রাচ্যের সিধি জেলার সঞ্জয় গান্ধী ন্যাশনাল পার্কের কাছে এক গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাদি ঝিরিয়া গ্রামের বাসিন্দা কিরণ তার বাড়ির বাইরে আগুনের পাশে বসে ছিলেন। তার তিন সন্তান কাছাকাছিই ছিল। তবে চিতাবাঘ এগিয়ে আসার বিষয়টি তিনি টের পাননি।

চিতাবাঘটি ঝোপের আড়াল থেকে এসে তার আটবছর বয়সী ছেলে রাহুলকে মুখে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় কিরন তার অন্য দুই সন্তানকে ঘরের ভেতর থাকতে বলে সন্তানকে বাঁচাতে জঙ্গলের দিকে ছুটে যান।

কিরন অন্ধকারের মধ্যেও চিতাবাঘের পিছু নিতে সক্ষম হন। বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে গিয়ে তিনি চিতাবাঘটিকে দেখতে পান।

এ সময় পাশ থেকে একটা লাঠি তুলে চিতাবাঘটিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন কিরন। একই সঙ্গে চিৎকারও করতে থাকেন তিনি। ফলে চিতাবাঘটি রাহুল নামিয়ে দেয়। কিরন চিতাবাঘের সামনে থেকে রাহুলকে কোলে তুলে নেয়। এরপর চিতাবাঘটি কিরনকেও আক্রমণ করে বসে। তবে কিরনের মারমুখী ভঙ্গি দেখে চিতাবাঘটি ওই জায়গা ছেড়ে চলে যায়।

চিতাবাঘের আক্রমণে মা-ছেলে আহতও হলেও প্রাণে বেঁচে গেছেন বলে ওই প্রতিবেদনে জানা গেছে।

মঙ্গলবার টুইটারে কিরণের প্রশংসা করেছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

নেটিজেনরাও সাহসী এই মায়ের প্রশংসা করেছেন।

এক নেটিজেন লিখেছেন মাতৃশক্তিকে সালাম। আরেকজন লিখেছেন, বাঘিনী মা, যিনি সিংহের মুখ থেকে সন্তানকে বাঁচিয়েছেন।

খালি হাতে লড়াই করে বাঘের কবল থেকে ছেলেকে বাঁচালেন মা

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মায়ের ভালোবাসার সঙ্গে জগতের কোনো কিছুর তুলনা চলে না। সন্তানের বিপদে নিজের জীবন তুচ্ছ করে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রাণিকুলের সব মা। ঠিক তেমনই নিজের প্রাণের মায়া তুচ্ছ করে খালি হাতেই ঝাঁপিয়ে পড়ে আক্ষরিক অর্থেই চিতাবাঘের কবল থেকে নিজের সন্তানকে ছিনিয়ে এনেছেন এই সাহসী মা। 

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতের মধ্যপ্রাচ্যের সিধি জেলার সঞ্জয় গান্ধী ন্যাশনাল পার্কের কাছে এক গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাদি ঝিরিয়া গ্রামের বাসিন্দা কিরণ তার বাড়ির বাইরে আগুনের পাশে বসে ছিলেন। তার তিন সন্তান কাছাকাছিই ছিল। তবে চিতাবাঘ এগিয়ে আসার বিষয়টি তিনি টের পাননি।

চিতাবাঘটি ঝোপের আড়াল থেকে এসে তার আটবছর বয়সী ছেলে রাহুলকে মুখে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় কিরন তার অন্য দুই সন্তানকে ঘরের ভেতর থাকতে বলে সন্তানকে বাঁচাতে জঙ্গলের দিকে ছুটে যান। 

কিরন অন্ধকারের মধ্যেও চিতাবাঘের পিছু নিতে সক্ষম হন। বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে গিয়ে তিনি চিতাবাঘটিকে দেখতে পান।

এ সময় পাশ থেকে একটা লাঠি তুলে চিতাবাঘটিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন কিরন। একই সঙ্গে চিৎকারও করতে থাকেন তিনি। ফলে চিতাবাঘটি রাহুল নামিয়ে দেয়। কিরন চিতাবাঘের সামনে থেকে রাহুলকে কোলে তুলে নেয়। এরপর চিতাবাঘটি কিরনকেও আক্রমণ করে বসে। তবে কিরনের মারমুখী ভঙ্গি দেখে চিতাবাঘটি ওই জায়গা ছেড়ে চলে যায়। 

চিতাবাঘের আক্রমণে মা-ছেলে আহতও হলেও প্রাণে বেঁচে গেছেন বলে ওই প্রতিবেদনে জানা গেছে।

মঙ্গলবার টুইটারে কিরণের প্রশংসা করেছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

নেটিজেনরাও  সাহসী এই মায়ের প্রশংসা করেছেন।

এক নেটিজেন লিখেছেন মাতৃশক্তিকে সালাম। আরেকজন লিখেছেন, বাঘিনী মা, যিনি সিংহের মুখ থেকে সন্তানকে বাঁচিয়েছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন