‘আফগান ভাইদের সম্মতিতে বাকি সীমান্তেও প্রাচীর দেওয়া হবে’
jugantor
‘আফগান ভাইদের সম্মতিতে বাকি সীমান্তেও প্রাচীর দেওয়া হবে’

  অনলাইন ডেস্ক  

১৪ জানুয়ারি ২০২২, ২২:৫৩:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে প্রাচীর দেওয়া নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। যদিও দুই দেশের অংধিকাংশ সীমান্তে পাকিস্তান ইতোমধ্যে প্রাচীর দিয়েছে। কিন্তু তালেবান সরকার পাকিস্তানের এমন উদ্যোগের বিরোধিতা করছে।

এমন অবস্থায় পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ বললেন, বাকি থাকা সীমান্তে প্রতিবেশী দেশের সম্মতিতে প্রাচীর দেওয়া হবে।

শুক্রবার রাজধানী ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তালেবানকে ভাই সম্বোধন করে বলেন, ইতোমধ্যে ২৬০০ কিলোমিটার সীমান্তে প্রাচীর সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ২১ কিলোমিটার সীমান্তে আফগান ‘ভাইদের’ সম্মতিতে বেড়া দেওয়া হবে।

পাকিস্তানের জনপ্রিয় গণমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তের অধিকাংশ জায়গায় পাক সরকার প্রাচীর দিতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু এই প্রাচীর দেওয়ার কারণে সীমান্তের দুই পাশে অবস্থান করা পরিবার ও আধিবাসী গোত্রসমূহকে বিভক্ত করছে।

কিছুদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া ভিডিওতে তালেবানের সীমান্ত বাহিনীকে প্রাচীর উপড়ে ফেলতে দেখা গেছে। তারা দাবি করছে, আফগানিস্তানের নিজস্ব অঞ্চলে পাকিস্তান প্রাচীর দিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশ হওয়া এক ভিডিওতে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইনায়েতুল্লাহকে বলতে শোনা গেছে, সীমান্তে বেড়া দেওয়ার কোনো অধিকার পাকিস্তানের নেই। এটা বিভক্তি বাড়াচ্ছে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের এমন উদ্যোগ অযৌক্তিক এবং আইনবিরোধী।

গত ৩ জানুয়ারি পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি এক সংবাদ সম্মেলনে সীমান্তে প্রাচীর দেওয়া নিয়ে কিছু জটিলতার কথা স্বীকার করেন। তালেবান সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছু দুর্বৃত্ত এটা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি করছে। তবে কূটনীতিক উপায়ে সমস্যা সমাধান করা হবে।

‘আফগান ভাইদের সম্মতিতে বাকি সীমান্তেও প্রাচীর দেওয়া হবে’

 অনলাইন ডেস্ক 
১৪ জানুয়ারি ২০২২, ১০:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে প্রাচীর দেওয়া নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। যদিও দুই দেশের অংধিকাংশ সীমান্তে পাকিস্তান ইতোমধ্যে প্রাচীর দিয়েছে। কিন্তু তালেবান সরকার পাকিস্তানের এমন উদ্যোগের বিরোধিতা করছে। 

এমন অবস্থায় পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ বললেন, বাকি থাকা সীমান্তে প্রতিবেশী দেশের সম্মতিতে প্রাচীর দেওয়া হবে। 

শুক্রবার রাজধানী ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তালেবানকে ভাই সম্বোধন করে বলেন, ইতোমধ্যে ২৬০০ কিলোমিটার সীমান্তে প্রাচীর সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ২১ কিলোমিটার সীমান্তে আফগান ‘ভাইদের’ সম্মতিতে বেড়া দেওয়া হবে। 

পাকিস্তানের জনপ্রিয় গণমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তের অধিকাংশ জায়গায় পাক সরকার প্রাচীর দিতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু এই প্রাচীর দেওয়ার কারণে সীমান্তের দুই পাশে অবস্থান করা পরিবার ও আধিবাসী গোত্রসমূহকে বিভক্ত করছে। 

কিছুদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া ভিডিওতে তালেবানের সীমান্ত বাহিনীকে প্রাচীর উপড়ে ফেলতে দেখা গেছে। তারা দাবি করছে, আফগানিস্তানের নিজস্ব অঞ্চলে পাকিস্তান প্রাচীর দিয়েছে।  

সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশ হওয়া এক ভিডিওতে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইনায়েতুল্লাহকে বলতে শোনা গেছে, সীমান্তে বেড়া দেওয়ার কোনো অধিকার পাকিস্তানের নেই। এটা বিভক্তি বাড়াচ্ছে।  তিনি বলেন, পাকিস্তানের এমন উদ্যোগ অযৌক্তিক এবং আইনবিরোধী।  

গত ৩ জানুয়ারি পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি এক সংবাদ সম্মেলনে সীমান্তে প্রাচীর দেওয়া নিয়ে কিছু জটিলতার কথা স্বীকার করেন। তালেবান সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছু দুর্বৃত্ত এটা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি করছে। তবে কূটনীতিক উপায়ে সমস্যা সমাধান করা হবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন