২৯ শাবক জন্ম দেওয়া সেই বাঘিনীর সৎকার হলো চিতায়
jugantor
২৯ শাবক জন্ম দেওয়া সেই বাঘিনীর সৎকার হলো চিতায়

  অনলাইন ডেস্ক  

১৭ জানুয়ারি ২০২২, ০৫:০২:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

২৯ শাবক জন্ম দেওয়া সেই কিংবদন্তী বাঘিনী কলারওয়ালি মারা গেছে। ভারতের মধ্যপ্রদেশের পেঞ্চ টাইগার রিজার্ভের এই বাঘিনী জীবনদশায় জন্ম দিয়েছিল ২৯টি শাবক।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি রোববার এক প্রতিবেদনে জানায়, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে মৃত্যু হয় তার।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার গলায় কলার বাঁধা ছিল বলে পর্যটকরা তাকে নাম দিয়েছিল কলারওয়ালি। তাকে ডাকা হত সুপার মম বলেও। কারণ সারা ভারতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শাবকের জন্ম দিয়ে রেকর্ড গড়েছিল এই বাঘিনী। বন বিভাগ অবশ্য এই বাঘিনীকে ডাকতো টি-১৫ নামে ।

২০০৮ সালের মে মাসে প্রথম তিনটি বাচ্চার জন্ম দিয়েছিল এই বাঘিনী। যদিও জন্মের ২৪ দিন পর তিনটি বাঘের শাবকই মারা যায়। এরপর অক্টোবরে ফের অন্তঃসত্ত্বা হয় সে। এরপর একে একে ২৯টি শাবকের জন্ম দিয়েছিল এই বাঘিনী। সাধারণত বাঘ ১২ বছরের বেশি বাঁচে না। কিন্তু এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ছিল কলারওয়ালি। টানা ১৬ বছর নিজের সন্তানদের নিয়ে পেঞ্চের কোর এরিয়ায় রাজত্ব করেছে সে।

বন বিভাগ জানিয়েছে, শেষবার ১৪ জানুয়ারি এই বাঘিনীকে দেখা গিয়েছিল পেঞ্চ টাইগার রিজার্ভের একটি নালার কাছে। বয়সের কারণে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল। চলতে পারছিল না। প্রায় ২ ঘণ্টা একাই পড়েছিল সেখানে। এরপরই বন বিভাগের কর্মীরা তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

এদিকে, মৃত্যুর পর কলারওয়ালির সৎকার করা হয় হিন্দুমতে। কাঠ দিয়ে সাজিয়ে দেওয়া হয় কলারওয়ালির চিতা। ফুল ও মালায় পরিয়ে দেওয়া হয়। শেষকৃত্য আগে তাকে মালা পরিয়ে দিতে দেখা যায়।

২৯ শাবক জন্ম দেওয়া সেই বাঘিনীর সৎকার হলো চিতায়

 অনলাইন ডেস্ক 
১৭ জানুয়ারি ২০২২, ০৫:০২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

২৯ শাবক জন্ম দেওয়া সেই কিংবদন্তী বাঘিনী কলারওয়ালি মারা গেছে। ভারতের মধ্যপ্রদেশের পেঞ্চ টাইগার রিজার্ভের এই বাঘিনী জীবনদশায় জন্ম দিয়েছিল ২৯টি শাবক।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি রোববার এক প্রতিবেদনে জানায়, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে মৃত্যু হয় তার।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার গলায় কলার বাঁধা ছিল বলে পর্যটকরা তাকে নাম দিয়েছিল কলারওয়ালি। তাকে ডাকা হত সুপার মম বলেও। কারণ সারা ভারতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শাবকের জন্ম দিয়ে রেকর্ড গড়েছিল এই বাঘিনী। বন বিভাগ অবশ্য এই বাঘিনীকে ডাকতো টি-১৫ নামে । 

২০০৮ সালের মে মাসে প্রথম তিনটি বাচ্চার জন্ম দিয়েছিল এই বাঘিনী। যদিও জন্মের ২৪ দিন পর তিনটি বাঘের শাবকই মারা যায়। এরপর অক্টোবরে ফের অন্তঃসত্ত্বা হয় সে। এরপর একে একে ২৯টি শাবকের জন্ম দিয়েছিল এই বাঘিনী। সাধারণত বাঘ ১২ বছরের বেশি বাঁচে না। কিন্তু এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ছিল কলারওয়ালি। টানা ১৬ বছর নিজের সন্তানদের নিয়ে পেঞ্চের কোর এরিয়ায় রাজত্ব করেছে সে।  

বন বিভাগ জানিয়েছে, শেষবার ১৪ জানুয়ারি এই বাঘিনীকে দেখা গিয়েছিল পেঞ্চ টাইগার রিজার্ভের একটি নালার কাছে। বয়সের কারণে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল। চলতে পারছিল না। প্রায় ২ ঘণ্টা একাই পড়েছিল সেখানে। এরপরই বন বিভাগের কর্মীরা তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

এদিকে, মৃত্যুর পর কলারওয়ালির সৎকার করা হয় হিন্দুমতে। কাঠ দিয়ে সাজিয়ে দেওয়া হয় কলারওয়ালির চিতা। ফুল ও মালায় পরিয়ে দেওয়া হয়। শেষকৃত্য আগে তাকে মালা পরিয়ে দিতে দেখা যায়। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন