করোনায় সম্পদ দ্বিগুণ হয়েছে বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনীর
jugantor
করোনায় সম্পদ দ্বিগুণ হয়েছে বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনীর

  অনলাইন ডেস্ক  

১৭ জানুয়ারি ২০২২, ১২:২২:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাস মহামারিকালে বিশ্বে শীর্ষ ১০ ধনীর সম্পদ বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। এর বিপরীতে সারাবিশ্বে বেড়েছে দারিদ্র্য ও অসমতা।

সোমবার এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম। খবর দ্য গার্ডিয়ান ও বিবিসির।

যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্বস সাময়িকী সম্পদশালী ব্যক্তিদের যে তালিকা করেছে, সেখানে শীর্ষ ধনীর মধ্যে রয়েছেন— টেসলা ও স্পেসেক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক, আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস, গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন, ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গ, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, মাইক্রোসফটের সাবেক প্রধান নির্বাহী স্টিভ বলমার, ওরাকলের সাবেক প্রধান নির্বাহী ল্যারি এলিসন, মার্কিন ব্যবসায়ী ওয়ারেন বাফেট, ফ্রান্সের ফ্যাশন জায়ান্ট এলভিএমএইচের প্রধান বার্নার্ড আর্নল্ট।

অক্সফামের সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়েছে, এই ধনীদের ৭০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের সম্পদ বেড়ে দেড় ট্রিলিয়ন হয়েছে।

প্রতিদিন তাদের সম্পদ বেড়েছে ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার। ইলন মাস্কের সম্পদ বেড়েছে ১০০০ শতাংশ আর বিল গেটসের বেড়েছে ৩০ শতাংশ।

অক্সফাম বলেছে, এই মহামারিকালে যে পরিমাণ সম্পদ ধনীদের বেড়েছে, গত ১৪ বছরে সেই পরিমাণ সম্পদ বাড়েনি। কিন্তু এমন সময়ে সম্পদ বাড়ছে, যখন বিশ্ব অর্থনীতি সংকটের মুখে রয়েছে।

এই অর্থনৈতিক অসমতার কারণে বিভিন্ন ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে। বেড়েছে স্বাস্থ্যগত সমস্যা, ক্ষুধা, লিঙ্গবৈষম্যগত সহিংসতা। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনেও প্রভাব পড়ছে।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর পদ্ধতি সংস্কারের কথা বলেছে অক্সফাম।

করোনায় সম্পদ দ্বিগুণ হয়েছে বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনীর

 অনলাইন ডেস্ক 
১৭ জানুয়ারি ২০২২, ১২:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাস মহামারিকালে বিশ্বে শীর্ষ ১০ ধনীর সম্পদ বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।  এর বিপরীতে সারাবিশ্বে বেড়েছে দারিদ্র্য ও অসমতা। 

সোমবার এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম। খবর দ্য গার্ডিয়ান ও বিবিসির।

যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্বস সাময়িকী সম্পদশালী ব্যক্তিদের যে তালিকা করেছে, সেখানে শীর্ষ ধনীর মধ্যে রয়েছেন— টেসলা ও স্পেসেক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক, আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস, গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন, ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গ, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, মাইক্রোসফটের সাবেক প্রধান নির্বাহী স্টিভ বলমার, ওরাকলের সাবেক প্রধান নির্বাহী ল্যারি এলিসন, মার্কিন ব্যবসায়ী ওয়ারেন বাফেট, ফ্রান্সের ফ্যাশন জায়ান্ট এলভিএমএইচের প্রধান বার্নার্ড আর্নল্ট।

অক্সফামের সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়েছে, এই ধনীদের ৭০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের সম্পদ বেড়ে দেড় ট্রিলিয়ন হয়েছে। 

প্রতিদিন তাদের সম্পদ বেড়েছে ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার। ইলন মাস্কের সম্পদ বেড়েছে ১০০০ শতাংশ আর বিল গেটসের বেড়েছে ৩০ শতাংশ।

অক্সফাম বলেছে, এই মহামারিকালে যে পরিমাণ সম্পদ ধনীদের বেড়েছে, গত ১৪ বছরে সেই পরিমাণ সম্পদ বাড়েনি। কিন্তু এমন সময়ে সম্পদ বাড়ছে, যখন বিশ্ব অর্থনীতি সংকটের মুখে রয়েছে।

এই অর্থনৈতিক অসমতার কারণে বিভিন্ন ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে। বেড়েছে স্বাস্থ্যগত সমস্যা, ক্ষুধা, লিঙ্গবৈষম্যগত সহিংসতা। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনেও প্রভাব পড়ছে। 

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর পদ্ধতি সংস্কারের কথা বলেছে অক্সফাম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন