‘প্ল্যান বি’ কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ যাবে না, ইরানের হুঁশিয়ারি
jugantor
‘প্ল্যান বি’ কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ যাবে না, ইরানের হুঁশিয়ারি

  অনলাইন ডেস্ক  

১৯ জানুয়ারি ২০২২, ১৯:৪১:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি করে ইরান।

এই চুক্তির মাধ্যমে এই দেশগুলো কথা দিয়েছিল, ইরানের ওপর থেকে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেবে। এর বদলে ইরান তাদের পারমাণবিক কার‌্যক্রম কমিয়ে দেবে।

কিন্তু ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়ে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এর ফলে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আবার খারাপ হয়ে যায়।সঙ্গে ইরান হারিয়ে ফেলে বিশ্বাস।

এখন ইরানের সঙ্গে নতুন করে পারমাণবিক চুক্তি করতে চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অন্য পরাশক্তিরা। নতুন চুক্তিতে পৌছাতে কয়েক সপ্তাহই অপেক্ষা করবে ইরান। এরপর নিজেদের মতো করে ব্যবস্থা নেবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি।

এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন জানিয়েছেন, নতুন করে চুক্তি করতে হাতে বেশি সময় নেই। তবে তিনি আরো জানিয়েছেন, চুক্তি না হলেও বিষয়টি সমাধান করার জন্য অন্য যে কোনো পথে হাঁটবেন তারা।

ব্লিংকেনের এমন মন্তব্যের পর ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে চিন্তা ভাবনা করে আগাতে হবে।কারণ নতুন করে চুক্তি করে আবার তারা সরে পড়বে। এমনটি মেনে নেবে না ইরান।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদাহ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ব্লিংকেন ভালো করেই জানেন সব দেশের ‘প্ল্যান বি’ থাকে। আর ইরানের ‘প্ল্যান বি’ কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে যাবে না।

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এখন নিশ্চয়তা চাইছে তারা চুক্তি থেকে সরে যাবে না। তবে ইরানকে এমন নিশ্চয়তা রাজনৈতিক কারণে খুব সহজে দিতে পারছে না জো বাইডেনের প্রশাসন।

বিষয়টি নিয়ে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনাতে একবার আলোচনা হয়েছে। এখন দেশগুলো আবার পরামর্শ করে ভিয়েনাতে আলোচনায় বসবে।

সূত্র: মিডেল ইস্ট আই

‘প্ল্যান বি’ কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ যাবে না, ইরানের হুঁশিয়ারি

 অনলাইন ডেস্ক 
১৯ জানুয়ারি ২০২২, ০৭:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি করে ইরান। 

এই চুক্তির মাধ্যমে এই দেশগুলো কথা দিয়েছিল, ইরানের ওপর থেকে  বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেবে। এর বদলে ইরান তাদের পারমাণবিক কার‌্যক্রম কমিয়ে দেবে। 

কিন্তু ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়ে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এর ফলে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আবার খারাপ হয়ে যায়।সঙ্গে ইরান হারিয়ে ফেলে বিশ্বাস। 

এখন ইরানের সঙ্গে নতুন করে পারমাণবিক চুক্তি করতে চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অন্য পরাশক্তিরা। নতুন চুক্তিতে পৌছাতে কয়েক সপ্তাহই অপেক্ষা করবে ইরান। এরপর নিজেদের মতো করে ব্যবস্থা নেবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। 

এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন জানিয়েছেন, নতুন করে চুক্তি করতে হাতে বেশি সময় নেই। তবে তিনি আরো জানিয়েছেন, চুক্তি না হলেও  বিষয়টি সমাধান করার জন্য অন্য যে কোনো পথে হাঁটবেন তারা। 

ব্লিংকেনের এমন মন্তব্যের পর ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে চিন্তা ভাবনা করে আগাতে হবে।কারণ নতুন করে চুক্তি করে আবার তারা সরে পড়বে। এমনটি মেনে নেবে না  ইরান। 

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদাহ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন,  ব্লিংকেন ভালো করেই জানেন সব দেশের ‘প্ল্যান বি’ থাকে। আর ইরানের ‘প্ল্যান বি’ কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে যাবে না।

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এখন নিশ্চয়তা চাইছে তারা চুক্তি থেকে সরে যাবে না। তবে ইরানকে এমন নিশ্চয়তা রাজনৈতিক কারণে খুব সহজে দিতে পারছে না জো বাইডেনের প্রশাসন।

বিষয়টি নিয়ে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনাতে একবার আলোচনা হয়েছে। এখন দেশগুলো আবার পরামর্শ করে ভিয়েনাতে আলোচনায় বসবে।  

সূত্র: মিডেল ইস্ট আই

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর