ধর্ম অবমাননা, পাকিস্তানে নারীর মৃত্যুদণ্ড
jugantor
ধর্ম অবমাননা, পাকিস্তানে নারীর মৃত্যুদণ্ড

  অনলাইন ডেস্ক  

২০ জানুয়ারি ২০২২, ২০:৩৭:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

হোয়াটসঅ্যাপে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) ও তার স্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ব্যঙ্গচিত্র শেয়ার করা ও নবীকে নিয়ে কটূক্তি করায় আনিকা আতিক নামে এক নারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন পাকিস্তানের আদালত।

পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন জানিয়েছে, ২০২০ সালের মার্চ মাসে রাওয়ালপিন্ডির একটি আদালতে আনিকার বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ আনা হয়।এ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

তাছাড়া ধর্ম বিশ্বাসকে অবজ্ঞা করার কারণে ১০ বছর ও অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানোর কারণে আনিকাকে আরো সাত বছরের জেল দেওয়া হয়েছে।

ধর্ম অবমাননার আইনটি পাকিস্তানে বেশ কঠিন। এ আইনে মহানবীকে নিয়ে যদি কটূক্তি করার বিষয়টি প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে অভিযুক্তকে বাধ্যতামূলকভাবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে।

আদালত সূত্রে গণমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, আনিকা হাসনাত ফারুক নামে তার এক ছেলে বন্ধুকে হোয়াটসঅ্যাপে মহানবী ও তার এক স্ত্রীকে নিয়ে বানানো ব্যঙ্গ ছবি পাঠান। পরবর্তীতে ওই ছেলে বন্ধু বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন।

আনিকাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া বিচারক আদনান মুস্তাক তার রায়ে বলেন, অভিযুক্ত নারী ধর্ম অবমাননাকর যেসব মন্তব্য করেছেন ও ব্যঙ্গচিত্র হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করেছেন, তা একজন মুসলমান কখনো মেনে নিতে পারবে না।

তবে আদালতে আনিকা দাবি করেছেন, হাসনাত ফারুক তার ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তাকে ফাঁসিয়েছেন। আনিকার ভাষ্যমতে, হাসনাত তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে চেয়েছিলেন; কিন্তু তিনি তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

আনিকা এখন পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারবেন।

সূত্র: ডন, আল জাজিরা

ধর্ম অবমাননা, পাকিস্তানে নারীর মৃত্যুদণ্ড

 অনলাইন ডেস্ক 
২০ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হোয়াটসঅ্যাপে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) ও তার স্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ব্যঙ্গচিত্র শেয়ার করা ও নবীকে নিয়ে কটূক্তি করায় আনিকা আতিক নামে এক নারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন পাকিস্তানের আদালত। 

পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন জানিয়েছে, ২০২০ সালের মার্চ মাসে রাওয়ালপিন্ডির একটি আদালতে আনিকার বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ আনা হয়।এ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

তাছাড়া ধর্ম  বিশ্বাসকে অবজ্ঞা করার কারণে ১০ বছর ও অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানোর কারণে আনিকাকে আরো সাত বছরের জেল দেওয়া হয়েছে।

ধর্ম অবমাননার আইনটি পাকিস্তানে বেশ কঠিন। এ আইনে মহানবীকে নিয়ে যদি কটূক্তি করার বিষয়টি প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে অভিযুক্তকে বাধ্যতামূলকভাবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। 

আদালত সূত্রে গণমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, আনিকা হাসনাত ফারুক নামে তার এক ছেলে বন্ধুকে হোয়াটসঅ্যাপে মহানবী ও তার এক স্ত্রীকে নিয়ে বানানো ব্যঙ্গ ছবি পাঠান। পরবর্তীতে ওই ছেলে বন্ধু বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। 

আনিকাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া বিচারক আদনান মুস্তাক তার রায়ে বলেন, অভিযুক্ত নারী ধর্ম অবমাননাকর যেসব মন্তব্য করেছেন ও ব্যঙ্গচিত্র হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করেছেন, তা একজন মুসলমান কখনো মেনে নিতে পারবে না।

তবে আদালতে আনিকা দাবি করেছেন, হাসনাত ফারুক তার ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তাকে ফাঁসিয়েছেন। আনিকার ভাষ্যমতে, হাসনাত তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে চেয়েছিলেন; কিন্তু তিনি তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।  

আনিকা এখন পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে  মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আবেদন  করতে পারবেন। 

সূত্র: ডন, আল জাজিরা

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন