কাবুলে ড্রোন হামলার ভিডিও প্রকাশ
jugantor
কাবুলে ড্রোন হামলার ভিডিও প্রকাশ

  অনলাইন ডেস্ক  

২০ জানুয়ারি ২০২২, ২০:৪৭:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক দপ্তর পেন্টাগন কাবুলে ভয়াবহ সেই ড্রোন হামলার ভিডিও প্রকাশ করেছে। আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের শেষ মুহূর্তে ওই হামলায় ৭ শিশুসহ ১০ জন সাধারণ আফগান নিহত হয়।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, নিউইয়র্ক টাইমস ফ্রিডম অফ ইনফরমেশন আইনের মাধ্যমে ওই ঘটনার ছবি ভিডিও প্রকাশ্যে আনার দাবি জানিয়েছিল। সেই আইনের মাধ্যমেই সামনে আসে ওই ঘটনার ফুটেজ।

ঘটনার দুটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। তার মধ্যে একটি ফুটেজ ঝাঁপসা।ভিডিও ধারণ করা হয় এমকিউ -৯ ড্রোন দিয়ে।

এতে দেখা যায়, বাড়ির আঙ্গিনায় কার পার্ক করা। কেউ একজন গাড়ির দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া বিস্ফোরণের আগ মূহূর্তে বাড়ির আঙ্গিনা দিয়ে কাউকে হাঁটতে দেখা যায়।

হামলার পর পেন্টাগন প্রথমে দাবি করেছিল, ওই গাড়ি ব্যবহারকারীরা আইএস-কের লোক। তারা আফগানিস্তান ত্যাগ করার জন্য কাবুল বিমানবন্দরে জড়ো হওয়া মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিল।

কিন্তু বাস্তবে ওই গাড়িটি ছিল আফগান নাগরিক জামারাই আহমাদির। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে বেসরকারিএকটিপ্রতিষ্ঠানেরকর্মী ছিলেন।

এর আগে ২৬ আগস্ট আফগান বিমানবন্দরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হয়। এ ঘটনায় ১৩ জন মার্কিন সেনাসহ ১৬০ জন আফগান মারা যান।

হামলার তিন সপ্তাহ পর মার্কিন সামরিক বাহিনী স্বীকার করে যে, তাদের হামলাটি ভুল টার্গেটে হয়েছে। যার ফলে ১০ জন নিরীহ বেসামরিক নাগরিকের প্রাণ গেছে।

তবে ভুলের জন্য কাউকে জবাবদিহি করেনি দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউট্রিশন অ্যান্ড এডুকেশন ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট স্টিভেন কওন কোনো মার্কিন সামরিক কর্মীদের শাস্তি না দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, পেন্টাগনের দায়বদ্ধতা থেকে মুক্ত রাখার বিষয়টি বিপজ্জনক এবং বিভ্রান্তিকর। এ ঘটনা বার্তা দেয়, হামলাটি এক রকম ন্যায্য ছিল, যা নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

কাবুলে ড্রোন হামলার ভিডিও প্রকাশ

 অনলাইন ডেস্ক 
২০ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক দপ্তর পেন্টাগন কাবুলে ভয়াবহ সেই ড্রোন হামলার ভিডিও প্রকাশ করেছে। আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের শেষ মুহূর্তে ওই হামলায় ৭ শিশুসহ ১০ জন সাধারণ আফগান নিহত হয়।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, নিউইয়র্ক টাইমস ফ্রিডম অফ ইনফরমেশন আইনের মাধ্যমে ওই ঘটনার ছবি ভিডিও প্রকাশ্যে আনার দাবি জানিয়েছিল। সেই আইনের মাধ্যমেই সামনে আসে ওই ঘটনার ফুটেজ।

ঘটনার দুটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। তার মধ্যে একটি ফুটেজ ঝাঁপসা। ভিডিও ধারণ করা হয় এমকিউ -৯ ড্রোন দিয়ে।

এতে দেখা যায়, বাড়ির আঙ্গিনায় কার পার্ক করা। কেউ একজন গাড়ির দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া বিস্ফোরণের আগ মূহূর্তে বাড়ির আঙ্গিনা দিয়ে কাউকে হাঁটতে দেখা যায়। 

হামলার পর পেন্টাগন প্রথমে দাবি করেছিল, ওই গাড়ি ব্যবহারকারীরা আইএস-কের লোক। তারা আফগানিস্তান ত্যাগ করার জন্য কাবুল বিমানবন্দরে জড়ো হওয়া মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিল। 

কিন্তু বাস্তবে ওই গাড়িটি ছিল আফগান নাগরিক জামারাই আহমাদির। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ছিলেন। 

এর আগে ২৬ আগস্ট আফগান বিমানবন্দরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হয়। এ ঘটনায় ১৩ জন মার্কিন সেনাসহ ১৬০ জন আফগান মারা যান।

হামলার তিন সপ্তাহ পর মার্কিন সামরিক বাহিনী স্বীকার করে যে, তাদের হামলাটি ভুল টার্গেটে হয়েছে। যার ফলে ১০ জন নিরীহ বেসামরিক নাগরিকের প্রাণ গেছে।

তবে ভুলের জন্য কাউকে জবাবদিহি করেনি দেশটি। 

যুক্তরাষ্ট্রের নিউট্রিশন অ্যান্ড এডুকেশন ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট স্টিভেন কওন কোনো মার্কিন সামরিক কর্মীদের শাস্তি না দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, পেন্টাগনের দায়বদ্ধতা থেকে মুক্ত রাখার বিষয়টি বিপজ্জনক এবং বিভ্রান্তিকর। এ ঘটনা বার্তা দেয়, হামলাটি এক রকম ন্যায্য ছিল, যা নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন