আফগানিস্তানে দূতাবাস খুলল ইউরোপীয় ইউনিয়ন
jugantor
আফগানিস্তানে দূতাবাস খুলল ইউরোপীয় ইউনিয়ন

  অনলাইন ডেস্ক  

২১ জানুয়ারি ২০২২, ১৮:৩৪:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে আফগানিস্তানে কূটনৈতিক দপ্তরখুলেছে।আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল কাহার বলখি এক টুইট বার্তায় এই তথ্য জানিয়েছেন।

টুইট বার্তায় আব্দুল কাহার বলখি বলেন, ধারাবাহিক মিটিং এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বোঝাপড়ার পর তারা (ইউরোপীয় ইউনিয়ন) আনুষ্ঠানিকভাবে দূতাবাস চালু করেছে। এর মাধ্যমে কাবুলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন স্থায়ী উপস্থিতি এবং ব্যবহারিককার্যক্রম শুরু করছে।

এর আগে আব্দুল কাহার বলখি জানিয়েছিলেন, ২২০ মিলিয়ন ইউরো ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়ন আফগানিস্তানে অতিরিক্ত ২৬৮ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা প্রদান করবে। এই সহায়তার কিছু অংশ শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হবে।

এদিকে ইইউ’র পররাষ্ট্রবিষয়ক মুখপাত্র পিটার স্ট্যানো এক বিবৃতিতে বলেন, কাবুলে আমাদের ন্যূনতম উপস্থিতিকে কোনোভাবেই তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি হিসেবে দেখা উচিত নয়। বিষয়টি দেশটির কার্যত কর্তৃপক্ষকেও (তালেবান) স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।

গত ১৫ আগস্ট কাবুলের পতন হয়। কাবুল পতনের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দ্বিতীয়বারের মতো তালেবানের হাতে যায়। পরের মাসে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ঘোষণা দেয় তালেবান।

বিশ্বের কোনো দেশ এখন পর্যন্ত তালেবানকে স্বীকৃতি দেয়নি। দ্বিতীয় দফায় তালেবান কীভাবে দেশ শাসন করছে, সেদিকে নজর রাখছে অধিকাংশ দেশ। তারা বলছে, তালেবানের কার্যক্রমের ওপর তারা গভীরভাবে দৃষ্টি রাখছে। কাজের ভিত্তিতেই তারা ভবিষ্যতে তালেবানকে মূল্যায়ন করবে।

আফগানিস্তানে দূতাবাস খুলল ইউরোপীয় ইউনিয়ন

 অনলাইন ডেস্ক 
২১ জানুয়ারি ২০২২, ০৬:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে আফগানিস্তানে কূটনৈতিক দপ্তর খুলেছে। আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল কাহার বলখি এক টুইট বার্তায় এই তথ্য জানিয়েছেন।

টুইট বার্তায় আব্দুল কাহার বলখি বলেন, ধারাবাহিক মিটিং এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বোঝাপড়ার পর তারা (ইউরোপীয় ইউনিয়ন) আনুষ্ঠানিকভাবে দূতাবাস চালু করেছে। এর মাধ্যমে কাবুলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন স্থায়ী উপস্থিতি এবং ব্যবহারিক কার্যক্রম শুরু করছে।   

এর আগে আব্দুল কাহার বলখি জানিয়েছিলেন, ২২০ মিলিয়ন ইউরো ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়ন আফগানিস্তানে অতিরিক্ত ২৬৮ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা প্রদান করবে। এই সহায়তার কিছু অংশ শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হবে।  

এদিকে ইইউ’র পররাষ্ট্রবিষয়ক মুখপাত্র পিটার স্ট্যানো এক বিবৃতিতে বলেন, কাবুলে আমাদের ন্যূনতম উপস্থিতিকে কোনোভাবেই তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি হিসেবে দেখা উচিত নয়। বিষয়টি দেশটির কার্যত কর্তৃপক্ষকেও (তালেবান) স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।

গত ১৫ আগস্ট কাবুলের পতন হয়। কাবুল পতনের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দ্বিতীয়বারের মতো তালেবানের হাতে যায়। পরের মাসে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ঘোষণা দেয় তালেবান। 

বিশ্বের কোনো দেশ এখন পর্যন্ত তালেবানকে স্বীকৃতি দেয়নি। দ্বিতীয় দফায় তালেবান কীভাবে দেশ শাসন করছে, সেদিকে নজর রাখছে অধিকাংশ দেশ। তারা বলছে, তালেবানের কার্যক্রমের ওপর তারা গভীরভাবে দৃষ্টি রাখছে। কাজের ভিত্তিতেই তারা ভবিষ্যতে তালেবানকে মূল্যায়ন করবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন