বোরকা না পরায় আফগানিস্তানে দুই এনজিও কর্মীকে ‘গুলি করার হুমকি’
jugantor
বোরকা না পরায় আফগানিস্তানে দুই এনজিও কর্মীকে ‘গুলি করার হুমকি’

  অনলাইন ডেস্ক  

২১ জানুয়ারি ২০২২, ২০:২৫:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

তালেবানের ধর্মীয় পুলিশ আফগানিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি প্রদেশে দু’জন নারী এনজিও কর্মীকে গুলি করার হুমকি দিয়েছে। বোরকা না পরার কারণে এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা এএফপিকে জানিয়েছেন।

মার্কিন সমর্থিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর তালেবান গত আগস্টে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসে। এরপর দেশটিতেনারীদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আফগানিস্তানের কিছু নারী এবং পশ্চিমা বিশ্বের অভিযোগ, নারীদের জনজীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে, তাদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে, মেয়েদের বেশিরভাগ মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে।

আফগানিস্তানের বাদঘিস প্রদেশের দুই আন্তর্জাতিক এনজিও কর্মী এএফপিকে বলেছেন, রোববার তাদের সঙ্গে স্থানীয় নীতি নৈতিকতা মন্ত্রণালয়ের সদস্যরা দেখা করেন। নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভুক্তভোগী বলেন, তারা আমাদের বলেছে, যদি নারী কর্মীরা বোরকা না পরে অফিসে আসে, তাহলে আমরা তাদের গুলি করব।

এই ভুক্তভোগী আরো বলেন, নারীদের অবশ্যই একজন পুরুষ অভিভাবক সঙ্গে নিয়ে কাজে আসার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় একটি এনজিও সূত্র তালেবানের এই হুমকিনিশ্চিত করেছে।

ওই তালেবান সদস্যরা আরও বলেছে, তাদের নির্দেশিত নিয়মগুলি অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য তারা পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই প্রতিটি অফিসে আসবে।

এএফপি এনজিওগুলোর কাছে পাঠানো একটি নোটিশে নারীদের মাথা ঢেকে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছে। তবে গুলি করার ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারেনি।

রক্ষণশীল আফগানিস্তানের নারীরা তাদের চুল স্কার্ফ দিয়ে ঢেকে রাখেন। তালেবানের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের শাসনামলে নারীদের বোরকা পরা বাধ্যতামূলক ছিল।

বোরকা না পরায় আফগানিস্তানে দুই এনজিও কর্মীকে ‘গুলি করার হুমকি’

 অনলাইন ডেস্ক 
২১ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তালেবানের ধর্মীয় পুলিশ আফগানিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি প্রদেশে দু’জন নারী এনজিও কর্মীকে গুলি করার হুমকি দিয়েছে। বোরকা না পরার কারণে এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা এএফপিকে জানিয়েছেন।

মার্কিন সমর্থিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর তালেবান গত আগস্টে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসে। এরপর দেশটিতে নারীদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আফগানিস্তানের কিছু নারী এবং পশ্চিমা বিশ্বের অভিযোগ, নারীদের জনজীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে, তাদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে, মেয়েদের বেশিরভাগ মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে।

আফগানিস্তানের বাদঘিস প্রদেশের দুই আন্তর্জাতিক এনজিও কর্মী এএফপিকে বলেছেন, রোববার তাদের সঙ্গে স্থানীয় নীতি নৈতিকতা মন্ত্রণালয়ের সদস্যরা দেখা করেন। নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভুক্তভোগী বলেন, তারা আমাদের বলেছে, যদি নারী কর্মীরা বোরকা না পরে অফিসে আসে, তাহলে আমরা তাদের গুলি করব। 

এই ভুক্তভোগী আরো বলেন, নারীদের অবশ্যই একজন পুরুষ অভিভাবক সঙ্গে নিয়ে কাজে আসার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় একটি এনজিও সূত্র তালেবানের এই হুমকি নিশ্চিত করেছে।

ওই তালেবান সদস্যরা আরও বলেছে, তাদের নির্দেশিত নিয়মগুলি অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য তারা পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই প্রতিটি অফিসে আসবে। 

এএফপি এনজিওগুলোর কাছে পাঠানো একটি নোটিশে নারীদের মাথা ঢেকে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছে। তবে গুলি করার ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারেনি। 

 রক্ষণশীল আফগানিস্তানের নারীরা তাদের চুল স্কার্ফ দিয়ে ঢেকে রাখেন। তালেবানের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের শাসনামলে নারীদের বোরকা পরা বাধ্যতামূলক ছিল। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন