যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তর ঠেকাতে আপিল করতে পারবেন অ্যাসাঞ্জ
jugantor
যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তর ঠেকাতে আপিল করতে পারবেন অ্যাসাঞ্জ

  অনলাইন ডেস্ক  

২৪ জানুয়ারি ২০২২, ২১:১৬:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ তাকে যুক্তরাষ্ট্র হস্তান্তর (প্রত্যর্পণ) ঠেকাতে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

সোমবার আদালত তাকে এই সুযোগ প্রদান করেছে।

এর আগে ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত তাকে যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তরের রায় দিয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ অস্ট্রেলিয়ান বংশোদ্ভূত জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জকে হাতে পাওয়ার জন্য যুক্তরাজ্যে মামলা চালিয়ে যাচ্ছেন। ৫০ বছর বয়সী অ্যাসাঞ্জকে হাতে পেলে যুক্তরাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তিসহ ১৮টি অভিযোগের বিচার করবে।

ইরাক-আফগানিস্তান যুদ্ধের মার্কিন সামরিক নথি প্রকাশ করেছিলেন অ্যাসাঞ্জ। ২০১০ সালে এসব নথি প্রকাশের কারণে তার বিরুদ্ধে ১৮টি গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ১০ ডিসেম্বর লন্ডনের হাইকোর্টে একটি আবেদনে জিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষের কাছে তার প্রত্যর্পণের সম্ভাবনা প্রবল হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অ্যাসাঞ্জ। সুপ্রিম কোর্ট তাকে আপিল করার সুযোগ দিল।

কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে আপিল না টিকলে এবং হাইকোর্টের রায় কার্যকর হলে শিগগিরই অ্যাসাঞ্জকে যুক্তরাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে।

অ্যাসাঞ্জ বর্তমানে যুক্তরাজ্যের বেলমার্শ কারাগারে রয়েছেন। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থা বেশ খারাপ হয়। ডিসেম্বরে অ্যাসাঞ্জের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়। এতে তার ডান চোখের পাতায় সমস্যার পাশাপাশি স্মৃতিশক্তির সমস্যা এবং স্নায়বিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তার বাগদত্তা স্টেলা।

মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের খবর দিয়ে স্টেলা মরিস বলেছিলেন, সমস্যাটি জরুরিভাবে সমাধান করা প্রয়োজন। চিড়িয়াখানায় আটকে থাকা প্রাণীদের মতো তার অবস্থা। জুলিয়ানের সঙ্গে এটাই হচ্ছে। এটা তার জন্য মানসিক সমস্যা তৈরি করছে।

স্টেলার অভিযোগ, অ্যাসাঞ্জকে দীর্ঘ সময়ের জন্য কক্ষে আটকে রাখার পাশাপাশি বাতাস, সূর্যের আলো, পর্যাপ্ত খাদ্য ও প্রয়োজনীয় উদ্দীপনার ব্যবস্থা করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তর ঠেকাতে আপিল করতে পারবেন অ্যাসাঞ্জ

 অনলাইন ডেস্ক 
২৪ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ তাকে যুক্তরাষ্ট্র হস্তান্তর (প্রত্যর্পণ) ঠেকাতে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। 

সোমবার আদালত তাকে এই সুযোগ প্রদান করেছে। 

এর আগে ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত তাকে যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তরের রায় দিয়েছিল। 

যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ অস্ট্রেলিয়ান বংশোদ্ভূত জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জকে হাতে পাওয়ার জন্য যুক্তরাজ্যে মামলা চালিয়ে যাচ্ছেন। ৫০ বছর বয়সী অ্যাসাঞ্জকে হাতে পেলে যুক্তরাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তিসহ ১৮টি অভিযোগের বিচার করবে। 

ইরাক-আফগানিস্তান যুদ্ধের মার্কিন সামরিক নথি প্রকাশ করেছিলেন অ্যাসাঞ্জ। ২০১০ সালে এসব নথি প্রকাশের কারণে তার বিরুদ্ধে ১৮টি গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ১০ ডিসেম্বর লন্ডনের হাইকোর্টে একটি আবেদনে জিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষের কাছে তার প্রত্যর্পণের সম্ভাবনা প্রবল হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অ্যাসাঞ্জ। সুপ্রিম কোর্ট তাকে আপিল করার সুযোগ দিল।

কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে আপিল না টিকলে এবং হাইকোর্টের রায় কার্যকর হলে শিগগিরই অ্যাসাঞ্জকে যুক্তরাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে।

অ্যাসাঞ্জ বর্তমানে যুক্তরাজ্যের বেলমার্শ কারাগারে রয়েছেন। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থা বেশ খারাপ হয়। ডিসেম্বরে অ্যাসাঞ্জের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়। এতে তার ডান চোখের পাতায় সমস্যার পাশাপাশি স্মৃতিশক্তির সমস্যা এবং স্নায়বিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তার বাগদত্তা স্টেলা।

মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের খবর দিয়ে স্টেলা মরিস বলেছিলেন, সমস্যাটি জরুরিভাবে সমাধান করা প্রয়োজন। চিড়িয়াখানায় আটকে থাকা প্রাণীদের মতো তার অবস্থা। জুলিয়ানের সঙ্গে এটাই হচ্ছে। এটা তার জন্য মানসিক সমস্যা তৈরি করছে।

স্টেলার অভিযোগ, অ্যাসাঞ্জকে দীর্ঘ সময়ের জন্য কক্ষে আটকে রাখার পাশাপাশি বাতাস, সূর্যের আলো, পর্যাপ্ত খাদ্য ও প্রয়োজনীয় উদ্দীপনার ব্যবস্থা করা হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন