ইউক্রেন নিয়ে উত্তেজনায় সতর্কাবস্থায় সাড়ে ৮ হাজার মার্কিন সেনা
jugantor
ইউক্রেন নিয়ে উত্তেজনায় সতর্কাবস্থায় সাড়ে ৮ হাজার মার্কিন সেনা

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ জানুয়ারি ২০২২, ১৩:০৯:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউক্রেন ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে ৮ হাজার সেনাসদস্যকে স্বল্প সময়ের নোটিশে যুদ্ধে পাঠানোর জন্য সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন।

পেন্টাগন জানায়, সৈন্যদের সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। তবে তাদের ইউরোপে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। খবর আনাদোলু, বিবিসি ও নিউইয়র্ক টাইমসের।

পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি জন কিরবি সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যরা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিলে অথবা রাশিয়ার সেনা মোতায়েন ঘিরে অন্য কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব হলে তবেই যুক্তরাষ্ট্র সেনা পাঠাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এককভাবে ইউক্রেনে সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও জানান তিনি।

জন কিরবি আরও বলেন, এটা খুবই স্পষ্ট যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না।

তবে সেনাবাহিনীকে সতর্কাবস্থায় রাখার পদক্ষেপটি মূলত আমাদের ন্যাটোর মিত্রদের আশ্বস্ত করার জন্যই নেওয়া।

পশ্চিমা এবং ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, এ বছরের শুরুর দিকেই কোনো একসময় আরেকটি হামলা বা অভিযানের পরিকল্পনা আছে রাশিয়ার।

রাশিয়া প্রতিবেশী ইউক্রেন সীমান্তে এক লাখ সেনা মোতায়েন করলেও কোনো ধরনের অভিযান চালানোর পরিকল্পনার কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।

এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সেদেশের সরকারে ‘মস্কোপন্থি কাউকে বসানোর ষড়যন্ত্র’ করছেন বলেও অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাজ্য।

ব্রিটিশ মন্ত্রীরা হুশিয়ার করেছেন, ইউক্রেনে হামলা হলে রাশিয়াকে চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্র সম্মুখসারির সেনাদের রসদ হিসেবে ৯০ টনের মতো গোলাবারুদ পাঠিয়েছে ইউক্রেনে। পাশাপাশি সেখানে থাকা মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন।

ইউক্রেন নিয়ে উত্তেজনায় সতর্কাবস্থায় সাড়ে ৮ হাজার মার্কিন সেনা

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ জানুয়ারি ২০২২, ০১:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউক্রেন ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে ৮ হাজার সেনাসদস্যকে স্বল্প সময়ের নোটিশে যুদ্ধে পাঠানোর জন্য সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন।

পেন্টাগন জানায়, সৈন্যদের সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। তবে তাদের ইউরোপে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। খবর আনাদোলু, বিবিসি ও নিউইয়র্ক টাইমসের।

পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি জন কিরবি সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যরা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিলে অথবা রাশিয়ার সেনা মোতায়েন ঘিরে অন্য কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব হলে তবেই যুক্তরাষ্ট্র সেনা পাঠাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এককভাবে ইউক্রেনে সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও জানান তিনি।                        

জন কিরবি আরও বলেন, এটা খুবই স্পষ্ট যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না।

তবে সেনাবাহিনীকে সতর্কাবস্থায় রাখার পদক্ষেপটি মূলত আমাদের ন্যাটোর মিত্রদের আশ্বস্ত করার জন্যই নেওয়া।

পশ্চিমা এবং ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, এ বছরের শুরুর দিকেই কোনো একসময় আরেকটি হামলা বা অভিযানের পরিকল্পনা আছে রাশিয়ার।

রাশিয়া প্রতিবেশী ইউক্রেন সীমান্তে এক লাখ সেনা মোতায়েন করলেও কোনো ধরনের অভিযান চালানোর পরিকল্পনার কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।

এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সেদেশের সরকারে ‘মস্কোপন্থি কাউকে বসানোর ষড়যন্ত্র’ করছেন বলেও অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাজ্য।

ব্রিটিশ মন্ত্রীরা হুশিয়ার করেছেন, ইউক্রেনে হামলা হলে রাশিয়াকে চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্র সম্মুখসারির সেনাদের রসদ হিসেবে ৯০ টনের মতো গোলাবারুদ পাঠিয়েছে ইউক্রেনে। পাশাপাশি সেখানে থাকা মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন