ইউক্রেনের মাথায় বন্দুক ধরেছে রাশিয়া: বরিস জনসন
jugantor
ইউক্রেনের মাথায় বন্দুক ধরেছে রাশিয়া: বরিস জনসন

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ জানুয়ারি ২০২২, ২২:৪৭:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনের মাথায় বন্দুক তাক করে আছে।

ইউক্রেন সীমান্তে সেনা জড়ো করা নিয়ে পশ্চিমাদের সঙ্গে রাশিয়ার যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, এমন সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করলেন।

সোমবার সংসদে বরিস জনসন বলেন, রাশিয়া যদি ইউক্রেনে আগ্রাসন চালায় তাহলে ন্যাটো জোটে তার দেশ অবদান রাখবে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তার সরকার মস্কোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপে দ্বিধা করবে না। এ সময় তিনি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমিরপুতিনের বিরুদ্ধে পাল্টা আগ্রাসনের হুঁশিয়ারি দেন।

জনসন ১৯৮৯ ও ১৯৯১ সালের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, এমন ইউরোপের স্বপ্ন আমরা হাতছাড়া করতে পারি না। প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালে বার্লিন দেয়ালের পতন হয়েছিল এবং ১৯৯১ সালে সোভিয়ে ইউনিয়নের পতন ঘটেছিল।

বেশ কিছু দিন ধরে ইউক্রেন সীমান্তে সেনা সমাবেশ করেছে ক্রেমলিন। যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেনসহ পশ্চিমা বিশ্বের আশঙ্কা, ইউক্রেনে হামলা চালাতেই রাশিয়ার এই প্রস্তুতি। যদিও মস্কো ওই সেনা সমাবেশকে রুটিন কাজের অংশ বলে দাবি করে আসছে।

ইউক্রেনের মাথায় বন্দুক ধরেছে রাশিয়া: বরিস জনসন

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ জানুয়ারি ২০২২, ১০:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনের মাথায় বন্দুক তাক করে আছে।
 
ইউক্রেন সীমান্তে সেনা জড়ো করা নিয়ে পশ্চিমাদের সঙ্গে রাশিয়ার যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, এমন সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করলেন। 

সোমবার সংসদে বরিস জনসন বলেন, রাশিয়া যদি ইউক্রেনে আগ্রাসন চালায় তাহলে ন্যাটো জোটে তার দেশ অবদান রাখবে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তার সরকার মস্কোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপে দ্বিধা করবে না। এ সময় তিনি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে পাল্টা আগ্রাসনের হুঁশিয়ারি দেন।

জনসন ১৯৮৯ ও ১৯৯১ সালের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, এমন ইউরোপের স্বপ্ন আমরা হাতছাড়া করতে পারি না। প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালে বার্লিন দেয়ালের পতন হয়েছিল এবং ১৯৯১ সালে সোভিয়ে ইউনিয়নের পতন ঘটেছিল। 

বেশ কিছু দিন ধরে ইউক্রেন সীমান্তে সেনা সমাবেশ করেছে ক্রেমলিন। যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেনসহ পশ্চিমা বিশ্বের আশঙ্কা, ইউক্রেনে হামলা চালাতেই রাশিয়ার এই প্রস্তুতি। যদিও মস্কো ওই সেনা সমাবেশকে রুটিন কাজের অংশ বলে দাবি করে আসছে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন