সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণীর সঙ্গে এ কেমন আচরণ
jugantor
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণীর সঙ্গে এ কেমন আচরণ

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৭ জানুয়ারি ২০২২, ১৯:২৭:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণীর সঙ্গে এ কেমন আচরণ

মুখে চুনকালি মাখিয়ে জুতার মালা গলায় দিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণীকে প্রকাশ্য রাস্তায় ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছে। এর আগে ওই তরুণীকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ আছে। এই কাজের পেছনে মূলত জড়িত ছিলেন কয়েকজন নারী। ওই ঘটনার ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হওয়ার পর এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চার নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দিল্লির কস্তুরবা নগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

দিল্লি কমিশন ফর ওমেনের স্বাতী মালিওয়াল অভিযুক্ত ওই তরুণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে টুইটারে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। এর সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

টুইটারে ওই ঘটনার ভিডিও শেয়ার করে স্বাতী মালিওয়াল লিখেছেন, কস্তুরবা নগর এলাকায় অবৈধ মদ বিক্রেতারা ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর মাথা কামিয়ে তার মুখে চুলকালি মাখিয়ে তাকে রাস্তায় হাঁটানো হয়। সে সময় তার গলায় পরিয়ে দেওয়া হয় জুতার মালা।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে দিল্লি পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অভিযুক্ত সব নারী-পুরুষকে গ্রেফতার করতে হবে। মেয়েটি ও তার পরিবারের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।

এ ব্যাপারে দিল্লি কমিশন ফর ওমেন এক বিবৃতিতে জানায়, স্বাতী মালিওয়াল ওই তরুণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন । তাকে তিনজন অবৈধ মাদক বিক্রেতা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। সেসময় অভিযুক্ত নারীরা সেখানে উপস্থিত থেকে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করার ব্যাপারে উসকানি দিতে থাকে। ধর্ষণের পর তাকে মারধর করা হয়। এরপর তার মাথা কামিয়ে, মুখে চুনকালি মেখে, জুতার মালা পরিয়ে ঘোরানো হয়।

বিবৃতিতে দিল্লি পুলিশকে মেয়েটির নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য তাদের নেওয়া পদক্ষেপগুলো কমিশনকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া দিল্লি পুলিশকে পুরো ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজসহ এই বিষয়ে কমিশনের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য ৭২ ঘণ্টা সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ধর্ষণের শিকার তরুণীকে অভিযুক্তের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এই ঘটনায় মঙ্গলবার চার জন ও বুধবার এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণীর সঙ্গে এ কেমন আচরণ

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৭ জানুয়ারি ২০২২, ০৭:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণীর সঙ্গে এ কেমন আচরণ
প্রতীকী ছবি

মুখে চুনকালি মাখিয়ে জুতার মালা গলায় দিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণীকে প্রকাশ্য রাস্তায় ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছে। এর আগে ওই তরুণীকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ আছে। এই কাজের পেছনে মূলত জড়িত ছিলেন কয়েকজন নারী। ওই ঘটনার ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হওয়ার পর এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চার নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দিল্লির কস্তুরবা নগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

দিল্লি কমিশন ফর ওমেনের স্বাতী মালিওয়াল অভিযুক্ত ওই তরুণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে টুইটারে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। এর সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

টুইটারে ওই ঘটনার ভিডিও শেয়ার করে স্বাতী মালিওয়াল লিখেছেন, কস্তুরবা নগর এলাকায় অবৈধ মদ বিক্রেতারা ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর মাথা কামিয়ে তার মুখে চুলকালি মাখিয়ে তাকে রাস্তায় হাঁটানো হয়। সে সময় তার গলায় পরিয়ে দেওয়া হয় জুতার মালা।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে দিল্লি পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অভিযুক্ত সব নারী-পুরুষকে গ্রেফতার করতে হবে। মেয়েটি ও তার পরিবারের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।

এ ব্যাপারে দিল্লি কমিশন ফর ওমেন এক বিবৃতিতে জানায়, স্বাতী মালিওয়াল ওই তরুণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন । তাকে তিনজন অবৈধ মাদক বিক্রেতা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে।  সেসময় অভিযুক্ত নারীরা সেখানে উপস্থিত থেকে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করার ব্যাপারে উসকানি দিতে থাকে। ধর্ষণের পর তাকে মারধর করা হয়। এরপর তার মাথা কামিয়ে, মুখে চুনকালি মেখে, জুতার মালা পরিয়ে ঘোরানো হয়।

বিবৃতিতে দিল্লি পুলিশকে মেয়েটির নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য তাদের নেওয়া পদক্ষেপগুলো কমিশনকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া দিল্লি পুলিশকে পুরো ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজসহ এই বিষয়ে কমিশনের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য ৭২ ঘণ্টা সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ধর্ষণের শিকার তরুণীকে অভিযুক্তের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এই ঘটনায় মঙ্গলবার চার জন ও বুধবার এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন